নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘বিএনপি যখন দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তাদের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে আন্দোলন করছে তখন সরকার জনগণের টাকায় কেনা বন্দুক দিয়ে তাদের গুলি করে মারছে। সময় থাকতে সাবধান হয়ে যান, বন্দুকের নল যেকোনো সময় ঘুরে যেতে পারে।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে বিয়াম মিলনায়তন সংলগ্ন সড়কে ঢাকা মহানগর উত্তরের তেজগাঁও জোনের উদ্যোগে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্যবৃদ্ধি, পুলিশের গুলিতে নেতা-কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির ঢাকা মহানগরীর ১৬টি স্পটে ধারাবাহিক সমাবেশের অংশ হিসেবে এই সভার আয়োজন করা হয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘যে বন্দুকের নল দিয়ে গুলি করছেন সেই গুলি আমাদের ট্যাক্সের পয়সায় কেনা। বন্দুকটাও আমাদের টাকায় কেনা। পুলিশের বেতনটাও আমাদের পকেট থেকে যায়। আজ পর্যন্ত কোনো স্বৈরশাসক টিকতে পারে নাই। সুতরাং সময়ের আগেই সাবধান হয়ে যান। বন্দুকের নল যেকোনো সময় আপনাদের দিকে ঘুরে যেতে পারে। যখন ঘুরে যাবে তখন কিন্তু আর সময় থাকবে না।’
বিরোধী নেতা-কর্মীদের তথ্য জোগাড়ের নামে হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী নাকি নির্দেশ দিয়েছে, দেশের প্রত্যেকটি এলাকার শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতাদের নাম দিতে হবে। কারা অর্থায়ন করে, কারা মিটিংয়ে যায় এগুলোর নাম নাকি দিতে হবে। এটাতো সরকারের কাজ হতে পারে না।
নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই নেতা বলেন, আবার ক্ষমতায় থাকার জন্য কত প্রক্রিয়া করছেন। ৮ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ইভিএম কিনে আনবেন। এই টাকাও অবৈধভাবে ব্যয় হবে কারণ এই অবৈধ সরকারের নির্বাচন কমিশনও অবৈধ। অবৈধ নির্বাচন কমিশন জনগণের কোনো টাকা ব্যয় করতে পারে না। এই কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচন বাংলাদেশে হবে না। হতে দেওয়া হবে না।
বিএনপি নির্বাচনে যেতে চায় জানিয়ে তিনি বলেন, ওনারা (আওয়ামী লীগ) বলেন, বিএনপি নির্বাচনে জিততে পারবে না বলে নির্বাচনে আসতে চায় না। আরে বিএনপিতো নির্বাচনে আসতে চায়। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার অথবা নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন দিলেই বিএনপি নির্বাচনে যাবে।
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, এ দেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করে না। তাদের ওপর দেশের মানুষের কোনো আস্থা নেই। যারা বিএনপি-আওয়ামী লীগ করে না, নিরপেক্ষ, তারাও আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করে না।
জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘আজকে যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই মানুষ রাজপথে নেমে আসছে। জনগণের জন্য যখন আমরা কর্মসূচি পালন করছি তখন আমাদের নেতা-কর্মীদের গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। অগণতান্ত্রিক, অনৈতিক ভোট চোর সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এ সকল হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এই সরকার ১৪, ১৮-এর মতো আরেকটি নির্বাচন করতে চায়।’
এ সময় তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ ও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়া, জয়নুল আবদিন ফারুক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামসহ প্রমুখ। জনসভা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে সভায় আগত নেতৃবৃন্দরা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘বিএনপি যখন দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তাদের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে আন্দোলন করছে তখন সরকার জনগণের টাকায় কেনা বন্দুক দিয়ে তাদের গুলি করে মারছে। সময় থাকতে সাবধান হয়ে যান, বন্দুকের নল যেকোনো সময় ঘুরে যেতে পারে।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে বিয়াম মিলনায়তন সংলগ্ন সড়কে ঢাকা মহানগর উত্তরের তেজগাঁও জোনের উদ্যোগে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্যবৃদ্ধি, পুলিশের গুলিতে নেতা-কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির ঢাকা মহানগরীর ১৬টি স্পটে ধারাবাহিক সমাবেশের অংশ হিসেবে এই সভার আয়োজন করা হয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘যে বন্দুকের নল দিয়ে গুলি করছেন সেই গুলি আমাদের ট্যাক্সের পয়সায় কেনা। বন্দুকটাও আমাদের টাকায় কেনা। পুলিশের বেতনটাও আমাদের পকেট থেকে যায়। আজ পর্যন্ত কোনো স্বৈরশাসক টিকতে পারে নাই। সুতরাং সময়ের আগেই সাবধান হয়ে যান। বন্দুকের নল যেকোনো সময় আপনাদের দিকে ঘুরে যেতে পারে। যখন ঘুরে যাবে তখন কিন্তু আর সময় থাকবে না।’
বিরোধী নেতা-কর্মীদের তথ্য জোগাড়ের নামে হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী নাকি নির্দেশ দিয়েছে, দেশের প্রত্যেকটি এলাকার শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতাদের নাম দিতে হবে। কারা অর্থায়ন করে, কারা মিটিংয়ে যায় এগুলোর নাম নাকি দিতে হবে। এটাতো সরকারের কাজ হতে পারে না।
নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই নেতা বলেন, আবার ক্ষমতায় থাকার জন্য কত প্রক্রিয়া করছেন। ৮ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ইভিএম কিনে আনবেন। এই টাকাও অবৈধভাবে ব্যয় হবে কারণ এই অবৈধ সরকারের নির্বাচন কমিশনও অবৈধ। অবৈধ নির্বাচন কমিশন জনগণের কোনো টাকা ব্যয় করতে পারে না। এই কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচন বাংলাদেশে হবে না। হতে দেওয়া হবে না।
বিএনপি নির্বাচনে যেতে চায় জানিয়ে তিনি বলেন, ওনারা (আওয়ামী লীগ) বলেন, বিএনপি নির্বাচনে জিততে পারবে না বলে নির্বাচনে আসতে চায় না। আরে বিএনপিতো নির্বাচনে আসতে চায়। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার অথবা নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন দিলেই বিএনপি নির্বাচনে যাবে।
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, এ দেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করে না। তাদের ওপর দেশের মানুষের কোনো আস্থা নেই। যারা বিএনপি-আওয়ামী লীগ করে না, নিরপেক্ষ, তারাও আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করে না।
জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘আজকে যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই মানুষ রাজপথে নেমে আসছে। জনগণের জন্য যখন আমরা কর্মসূচি পালন করছি তখন আমাদের নেতা-কর্মীদের গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। অগণতান্ত্রিক, অনৈতিক ভোট চোর সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এ সকল হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এই সরকার ১৪, ১৮-এর মতো আরেকটি নির্বাচন করতে চায়।’
এ সময় তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ ও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়া, জয়নুল আবদিন ফারুক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামসহ প্রমুখ। জনসভা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে সভায় আগত নেতৃবৃন্দরা।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থেকে দূরে থাকতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) সভাপতি ও মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রাজা। তিনি বলেছেন, ‘সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দূর করতে না পারলে আমরা এক হতে পারব না।’
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির ইতিহাসে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্সে ভোট’ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই সম্ভাবনা তুঙ্গে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা চরম নাটকীয়তায় পর্যবসিত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণার অংশ হিসেবে দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি তিনি দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও গাইবান্ধা ভ্রমণ করবেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে গেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব আনোয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে