নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী (সিইও) মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেছেন, আওয়ামী লীগ আবার ফিরে আসবে কি না—এই সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, বরং তা জনগণের।
আজ শুক্রবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর আয়েজিত গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের বিচার ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ এ কথা বলেন।
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেন, ‘আমরা অনেক জায়গায় শুনতে পাই, আওয়ামী লীগ ফেরত আসবে কি না, এটা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত। আমি বলি, এই সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগের নয়, রাজনৈতিক দলগুলোর নয়। এই সিদ্ধান্ত জনগণের। এই সিদ্ধান্ত যে শহীদ মা তাঁর সন্তানকে হারিয়েছেন, সেই মায়ের। এই সিদ্ধান্ত আহত ভাই-বোনদের।’
স্নিগ্ধ আরও বলেন, ‘আপনারা কি আওয়ামী লীগকে ফেরত চান? এই খুনিকে ফেরত চান? যে খুনি আমাদের দুই হাজারের মতো ভাই-বোনকে হত্যা করেছিল, তাদের কি ফেরত চান? এই বাংলার মানুষ ৫ আগস্টেই তাদের স্টেটমেন্ট দিয়ে দিয়েছে। তারা এই খুনিকে আর ফেরত চায় না। বাংলাদেশে আমরা আর এই খুনিকে ফেরত চাই না।’
মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ আরও বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগকে ফেরত চাই না। আমাদের পানির তৃষ্ণা এখনো মেটেনি। প্রয়োজন হলে আমরা আবু সাঈদের মতো বুক পেতে, আবারও মুগ্ধের মতো পানির বোতল হাতে নিয়ে রাজপথে নামব এই ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে।’
এর আগে বেলা ৩টার দিকে আওয়ামী লীগের বিচার ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে এই বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের সামনে তিনটি ট্রাক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী মঞ্চ।
সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, নাহিদা সারওয়ার নিভা, সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী (সিইও) মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেছেন, আওয়ামী লীগ আবার ফিরে আসবে কি না—এই সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, বরং তা জনগণের।
আজ শুক্রবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর আয়েজিত গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের বিচার ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ এ কথা বলেন।
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেন, ‘আমরা অনেক জায়গায় শুনতে পাই, আওয়ামী লীগ ফেরত আসবে কি না, এটা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত। আমি বলি, এই সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগের নয়, রাজনৈতিক দলগুলোর নয়। এই সিদ্ধান্ত জনগণের। এই সিদ্ধান্ত যে শহীদ মা তাঁর সন্তানকে হারিয়েছেন, সেই মায়ের। এই সিদ্ধান্ত আহত ভাই-বোনদের।’
স্নিগ্ধ আরও বলেন, ‘আপনারা কি আওয়ামী লীগকে ফেরত চান? এই খুনিকে ফেরত চান? যে খুনি আমাদের দুই হাজারের মতো ভাই-বোনকে হত্যা করেছিল, তাদের কি ফেরত চান? এই বাংলার মানুষ ৫ আগস্টেই তাদের স্টেটমেন্ট দিয়ে দিয়েছে। তারা এই খুনিকে আর ফেরত চায় না। বাংলাদেশে আমরা আর এই খুনিকে ফেরত চাই না।’
মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ আরও বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগকে ফেরত চাই না। আমাদের পানির তৃষ্ণা এখনো মেটেনি। প্রয়োজন হলে আমরা আবু সাঈদের মতো বুক পেতে, আবারও মুগ্ধের মতো পানির বোতল হাতে নিয়ে রাজপথে নামব এই ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে।’
এর আগে বেলা ৩টার দিকে আওয়ামী লীগের বিচার ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে এই বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের সামনে তিনটি ট্রাক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী মঞ্চ।
সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, নাহিদা সারওয়ার নিভা, সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
২ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৫ ঘণ্টা আগে