নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপি নেতা ইশরাককে মেয়র পদে বসানোর দাবিতে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো নগর ভবন অবরোধ করে আন্দোলন চলছে। বন্ধ রয়েছে নগর ভবনের সব ধরনের কার্যক্রম ও সেবা।
এ সময় আন্দোলনকারীরা ইশরাক হোসেনকে দ্রুত মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর জন্য এবং স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগ চেয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় ‘আসিফের চামড়া, তুলে নেব আমরা’, ‘আসিফের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’, ‘দফা এক দাবি এক, আসিফের পদত্যাগ’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ প্রসঙ্গে ইশরাক একটি ফেসবুক পোস্টে তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশ্যে লিখলেন ফ্যাসিস্টদের বাদে অন্যদের অসম্মান করা থেকে বিরত থাকতে।
ইশরাক লেখেন, ‘আমি আন্দোলনরত ঢাকা দক্ষিণ সিটির জনগণ ও ভোটারদের বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তাঁর দোসরদের বাদে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতার বিরুদ্ধে যত ক্ষোভ থাকুক না কেন, আমরা তাঁদের অসম্মান হয় এ রকম কিছু করা থেকে শতভাগ বিরত থাকি। আমরা সমালোচনা করি, রাজনৈতিক বক্তব্যর মধ্য দিয়ে তাঁদের সতর্ক করি, তাঁদের ভুল ধরিয়ে দিই কিন্তু অবশ্যই ভাষাগত শিষ্টাচার মেনে।’
এই বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘অনেক তো দেখে আসছি। আর পেছনের দিকে দেশটাকে নিতে চাই না। অবশ্যই আমরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করব, দেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেব, নির্বাচনী স্পষ্ট রোডম্যাপ আদায়ের মাধ্যমে আমাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য পদক্ষেপ নিব। এমনকি বর্তমানে বিতর্কিত উপদেষ্টাদের পদত্যাগে কঠোর গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও করব। কিন্তু ভাষা ও ব্যবহার নিয়ে যাতে শত্রুও সমালোচনা করতে না পারে।’
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে দলে দলে নগর ভবনের সামনে জড়ো হন ইশরাকের সমর্থকেরা। একপর্যায়ে প্রধান ফটকের সামনে বানানো মঞ্চ থেকে দেওয়া স্লোগানের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সড়কে বসে পড়েন আন্দোলনকারীরা।

বিএনপি নেতা ইশরাককে মেয়র পদে বসানোর দাবিতে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো নগর ভবন অবরোধ করে আন্দোলন চলছে। বন্ধ রয়েছে নগর ভবনের সব ধরনের কার্যক্রম ও সেবা।
এ সময় আন্দোলনকারীরা ইশরাক হোসেনকে দ্রুত মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর জন্য এবং স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগ চেয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় ‘আসিফের চামড়া, তুলে নেব আমরা’, ‘আসিফের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’, ‘দফা এক দাবি এক, আসিফের পদত্যাগ’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ প্রসঙ্গে ইশরাক একটি ফেসবুক পোস্টে তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশ্যে লিখলেন ফ্যাসিস্টদের বাদে অন্যদের অসম্মান করা থেকে বিরত থাকতে।
ইশরাক লেখেন, ‘আমি আন্দোলনরত ঢাকা দক্ষিণ সিটির জনগণ ও ভোটারদের বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তাঁর দোসরদের বাদে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতার বিরুদ্ধে যত ক্ষোভ থাকুক না কেন, আমরা তাঁদের অসম্মান হয় এ রকম কিছু করা থেকে শতভাগ বিরত থাকি। আমরা সমালোচনা করি, রাজনৈতিক বক্তব্যর মধ্য দিয়ে তাঁদের সতর্ক করি, তাঁদের ভুল ধরিয়ে দিই কিন্তু অবশ্যই ভাষাগত শিষ্টাচার মেনে।’
এই বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘অনেক তো দেখে আসছি। আর পেছনের দিকে দেশটাকে নিতে চাই না। অবশ্যই আমরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করব, দেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেব, নির্বাচনী স্পষ্ট রোডম্যাপ আদায়ের মাধ্যমে আমাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য পদক্ষেপ নিব। এমনকি বর্তমানে বিতর্কিত উপদেষ্টাদের পদত্যাগে কঠোর গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও করব। কিন্তু ভাষা ও ব্যবহার নিয়ে যাতে শত্রুও সমালোচনা করতে না পারে।’
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে দলে দলে নগর ভবনের সামনে জড়ো হন ইশরাকের সমর্থকেরা। একপর্যায়ে প্রধান ফটকের সামনে বানানো মঞ্চ থেকে দেওয়া স্লোগানের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সড়কে বসে পড়েন আন্দোলনকারীরা।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৬ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৮ ঘণ্টা আগে