
‘কয়েক দিন আগে মাতুয়াইল গিয়েছিলাম। সেখানে ১৭ জন শহীদের কবর রয়েছে। তাঁদের কবরের এখন ভঙ্গুর দশা। অথচ অন্তর্বর্তী সরকার তাঁদের প্রতিটি কবর পাকা করার জন্য দুই লাখ টাকা করে বরাদ্দ করেছিল। কিন্তু ২০-৩০ হাজার টাকা দিয়ে কবরগুলো করা হয়েছে। তারা যে কবরের টাকা মেরে খেয়েছে, সেই কথা যদি আমরা জনগণের কাছে বলি, তাহল

সৈয়দপুর গ্রামে মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখ সমরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে। এসব স্থানের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সংরক্ষণ, নথিভুক্তকরণ এবং স্মৃতিচিহ্ন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে মন্ত্রণালয়।

‘বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা এখন যে ধরনের বক্তব্য দিয়ে চলেছে, এটা কেবল তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র। সেটিকে আমরা কোনোভাবে সফল হতে দেব না।’

ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে বীর নিবাস ও মুক্তিযোদ্ধা তালিকার অনিয়মের তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত ডিসিদের দেওয়া প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে...