নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন-অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে অনেকেই তাঁকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ বৃহস্পতিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় ছেলে শেখ জামালের ৬৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগের নেতারা প্রথমে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনো হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বন্ধ হয়নি। শেখ হাসিনা আজও টার্গেট। তাঁর উন্নয়ন ও অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে অনেকেই আজকে তাঁকে হত্যার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্র ও প্রগতির পথে বাধাই হচ্ছে বিএনপি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা এবং পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনীতিতে কর্ম সম্পর্কের যে অলঙ্ঘনীয় দেয়াল, তা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সব গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক শক্তিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বাংলার মাটি থেকে চিরতরে বন্ধ করে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সরকারবিরোধী বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের জবাব, প্রতিদিনই একই কথা, একই জবাব কী দিব? তিনি প্রতিদিনই আওয়ামী লীগ দেশ ধ্বংস করছে, অর্থনীতি ধ্বংস করছে, তাঁর মুখে শুধু ধ্বংসের বাণী। তিনি শুধু ধ্বংসের কথাই জানেন। কারণ নিজেরাই ক্ষমতায় থাকতে ধ্বংসই করে গেছেন। এখনো তাঁরা বুঝিয়ে দিচ্ছেন, তাঁরা সেটাই চান। আসলেই নেতিবাচক রাজনীতির জন্য বিএনপিকে নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করে দিচ্ছে।’
বিএনপির জাতীয় সরকার ফর্মুলা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাঁদের জাতীয় সরকারের নামে গতবার লেজে গোবরে অবস্থা ছিল, এবারও জাতীয় সরকার কী হবে তা তাঁদের রাজনীতি থেকেই বোঝা যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন-অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে অনেকেই তাঁকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ বৃহস্পতিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় ছেলে শেখ জামালের ৬৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগের নেতারা প্রথমে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনো হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বন্ধ হয়নি। শেখ হাসিনা আজও টার্গেট। তাঁর উন্নয়ন ও অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে অনেকেই আজকে তাঁকে হত্যার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্র ও প্রগতির পথে বাধাই হচ্ছে বিএনপি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা এবং পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনীতিতে কর্ম সম্পর্কের যে অলঙ্ঘনীয় দেয়াল, তা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সব গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক শক্তিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বাংলার মাটি থেকে চিরতরে বন্ধ করে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সরকারবিরোধী বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের জবাব, প্রতিদিনই একই কথা, একই জবাব কী দিব? তিনি প্রতিদিনই আওয়ামী লীগ দেশ ধ্বংস করছে, অর্থনীতি ধ্বংস করছে, তাঁর মুখে শুধু ধ্বংসের বাণী। তিনি শুধু ধ্বংসের কথাই জানেন। কারণ নিজেরাই ক্ষমতায় থাকতে ধ্বংসই করে গেছেন। এখনো তাঁরা বুঝিয়ে দিচ্ছেন, তাঁরা সেটাই চান। আসলেই নেতিবাচক রাজনীতির জন্য বিএনপিকে নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করে দিচ্ছে।’
বিএনপির জাতীয় সরকার ফর্মুলা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাঁদের জাতীয় সরকারের নামে গতবার লেজে গোবরে অবস্থা ছিল, এবারও জাতীয় সরকার কী হবে তা তাঁদের রাজনীতি থেকেই বোঝা যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল প্রমুখ।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৫ ঘণ্টা আগে