ঢামেক প্রতিবেদক

সচিবালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনসারদের সংঘর্ষে আহত সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অন্যান্যদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ সোমবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে আহতদের দেখতে তিনি হাসপাতালে যান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গতকাল রাতে একটা বাহিনী প্রতিবাদ করতে এসে সমস্ত আইনকানুন ভঙ্গ করে জোর করে সচিবালয়ে ঢুকে পড়ে। সেখানে তাঁরা গালিগালাজ-উচ্ছৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি করে। তাঁদের উদ্দেশ্য খারাপ ছিল। এ কারণে যারা প্রথম সারিতে থেকে দেশকে অস্থিতিশীল থেকে রক্ষা করেছে, তাঁরা সচিবালয়ে গিয়েছিল বোঝানোর জন্য। তখন তাঁরা সমন্বয়কসহ ছাত্রদের মারধর করে।
তিনি আরও বলেন, এ রকম একটা গণবিক্ষোভকে ভন্ডুল করার জন্য যেই আসুক, তাঁদের বাধা দিতে হবে। সবে কয়েক দিন হলো নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছেন, এখন এত দাবি দাওয়া কেন? এত দিন আপনার দাবি দাওয়া কোথায় ছিল? এইভাবে যদি ব্যতিব্যস্ত করে তোলা হয়, তাহলে তাঁরাতো রাষ্ট্র মেরামতের কাজটা করতে পারবে না। সাড়ে ১৫ বছর যখন ধৈর্য ধরতে পেরেছেন, আর কয়েকটা মাস ধৈর্য ধরেন। তাঁরা একটু গুছিয়ে আনুক, তখন নিয়মতান্ত্রিকভাবে আপনাদের দাবিগুলো তুলে ধরবেন।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি সকলের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। কারও উসকানিতে, কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেবেন না। তাঁরা দেশকে ভালোবাসবে, নিজের বিবেক অনুযায়ী চলবে, দেশকে পুনর্গঠনে এগিয়ে আসবে। সকলের কাছে দায়িত্বশীল আচরণ আশা করি।’
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ দায়িত্বশীল হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাঁর বক্তব্যে জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিধ্বনি হয়েছে বলে মনে করছি। আমার আকাঙ্ক্ষা পূরণ নাও হতে পারে, দেখতে হবে সামগ্রিকভাবে দেশবাসীর আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে কিনা। আমরা মনে করি তাঁরা ঠিক পথেই এগোচ্ছে।’

সচিবালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনসারদের সংঘর্ষে আহত সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অন্যান্যদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ সোমবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে আহতদের দেখতে তিনি হাসপাতালে যান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গতকাল রাতে একটা বাহিনী প্রতিবাদ করতে এসে সমস্ত আইনকানুন ভঙ্গ করে জোর করে সচিবালয়ে ঢুকে পড়ে। সেখানে তাঁরা গালিগালাজ-উচ্ছৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি করে। তাঁদের উদ্দেশ্য খারাপ ছিল। এ কারণে যারা প্রথম সারিতে থেকে দেশকে অস্থিতিশীল থেকে রক্ষা করেছে, তাঁরা সচিবালয়ে গিয়েছিল বোঝানোর জন্য। তখন তাঁরা সমন্বয়কসহ ছাত্রদের মারধর করে।
তিনি আরও বলেন, এ রকম একটা গণবিক্ষোভকে ভন্ডুল করার জন্য যেই আসুক, তাঁদের বাধা দিতে হবে। সবে কয়েক দিন হলো নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছেন, এখন এত দাবি দাওয়া কেন? এত দিন আপনার দাবি দাওয়া কোথায় ছিল? এইভাবে যদি ব্যতিব্যস্ত করে তোলা হয়, তাহলে তাঁরাতো রাষ্ট্র মেরামতের কাজটা করতে পারবে না। সাড়ে ১৫ বছর যখন ধৈর্য ধরতে পেরেছেন, আর কয়েকটা মাস ধৈর্য ধরেন। তাঁরা একটু গুছিয়ে আনুক, তখন নিয়মতান্ত্রিকভাবে আপনাদের দাবিগুলো তুলে ধরবেন।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি সকলের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। কারও উসকানিতে, কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেবেন না। তাঁরা দেশকে ভালোবাসবে, নিজের বিবেক অনুযায়ী চলবে, দেশকে পুনর্গঠনে এগিয়ে আসবে। সকলের কাছে দায়িত্বশীল আচরণ আশা করি।’
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ দায়িত্বশীল হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাঁর বক্তব্যে জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিধ্বনি হয়েছে বলে মনে করছি। আমার আকাঙ্ক্ষা পূরণ নাও হতে পারে, দেখতে হবে সামগ্রিকভাবে দেশবাসীর আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে কিনা। আমরা মনে করি তাঁরা ঠিক পথেই এগোচ্ছে।’

মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
২২ মিনিট আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
২৫ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশা আল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
২ ঘণ্টা আগে