নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও রাজবাড়ীতে কবর থেকে লাশ তুলে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আগামী নির্বাচনের দিন যদি কোনো প্রার্থী পেশিশক্তি দেখিয়ে ব্যালট বাক্স নিয়ে যায়, পুলিশ কি সেই প্রার্থীকে বাধা দেবে?
জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) গণশক্তি সভা আয়োজিত ‘জুলাই সনদ ও নির্বাচন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রশ্নটি তোলেন মাহমুদুর রহমান মান্না।
ভোট হলে পুলিশ কতটা ভূমিকা রাখবে সে প্রশ্ন তুলে মান্না বলেন, ভোটের দিন যাঁর যেখানে শক্তি আছে, তাঁর যদি মনে হয়, জিততে পারবেন না এবং ব্যালট বাক্স নিয়ে বাড়িতে চলে যান, তখন পুলিশ কি বাধা দেবে? তিনি বলেন, ‘এ প্রশ্নগুলোর না সমাধান করে, সংস্কার বলেন অন্য যে কথাই বলেন—একটা কথারও মূল্যায়ন হবে না।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম দৃশ্যমান নয় মন্তব্য করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সবার আগে আমার কাছে এখন মনে হয়, এই পুলিশ যদি ঠিক না হয়, সেটা মবোক্রেসি বলেন, অথবা ভোটটা ঠিকমতো হওয়ার কথা বলেন বা শান্তিতে বাস করার কথা বলেন—যা-ই বলেন, আর্মি দিয়ে তো সেটা হবে না।’
দেশ গভীর সংকটে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি অংশীজনদের ‘মাথা ঠান্ডা রেখে, পরস্পর পরস্পরের প্রতি আস্থা রেখে, সব থেকে বড় কথা—দেশের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
জুলাই সনদকে আইনি বৈধতা দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলের মতভিন্নতার প্রেক্ষাপটে একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, ‘খুবই গভীর সংকট। রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের কাছে সংবিধানের ১০৬ ধারার ভিত্তিতে রায় চাইতে পারেন। জুলাই সনদকে যাতে আইনি কাভারেজ (সমর্থন) দেওয়া যায়। সুপ্রিম কোর্ট যদি কোনো রায় দেন তখন আপনি বলতে পারেন, হ্যাঁ এটার আইনি বৈধতা আছে। এটা দিয়েই নির্বাচন করতে হবে।’
একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে অনলাইন অ্যাকটিভিস্টদের সূচনা করা গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনকে (‘শাহবাগের আন্দোলন’) কোনো মিডিয়া মব বলেনি বলে মন্তব্য করেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। তিনি একে ‘বাংলাদেশে স্বাধীনতার ইতিহাসে নিকৃষ্টতম ভয়াবহ মব আখ্যা দেন। হাদি অভিযোগ করেন, ‘শাহবাগের সন্ত্রাসের’ মধ্য দিয়ে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে।
দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের অন্যতম বিএনপি প্রসঙ্গে হাদি বলেন, ‘দলটি ধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের একটি বড় শক্তি। এই শক্তিকে এত বেশি কোণঠাসা করা যাবে না, যাতে তারা গিয়ে আওয়ামী লীগের হাত ধরে ফেলে।’
কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বলেন, গ্রামে কোনো প্রার্থী ভোটে হেরে গেলে তাঁর সমর্থকদের পরের পাঁচ বছর মাথা নিচু করে থাকতে হয়। এ বাস্তবতায় পিআর (সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন) পদ্ধতিকে আমলে নেওয়া উচিত।
গণশক্তি সভার সভাপতি সাদেক রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাবেক সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেজর (অব.) জামাল হায়দার, নাগরিক নারী ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার প্রমুখ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও রাজবাড়ীতে কবর থেকে লাশ তুলে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আগামী নির্বাচনের দিন যদি কোনো প্রার্থী পেশিশক্তি দেখিয়ে ব্যালট বাক্স নিয়ে যায়, পুলিশ কি সেই প্রার্থীকে বাধা দেবে?
জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) গণশক্তি সভা আয়োজিত ‘জুলাই সনদ ও নির্বাচন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রশ্নটি তোলেন মাহমুদুর রহমান মান্না।
ভোট হলে পুলিশ কতটা ভূমিকা রাখবে সে প্রশ্ন তুলে মান্না বলেন, ভোটের দিন যাঁর যেখানে শক্তি আছে, তাঁর যদি মনে হয়, জিততে পারবেন না এবং ব্যালট বাক্স নিয়ে বাড়িতে চলে যান, তখন পুলিশ কি বাধা দেবে? তিনি বলেন, ‘এ প্রশ্নগুলোর না সমাধান করে, সংস্কার বলেন অন্য যে কথাই বলেন—একটা কথারও মূল্যায়ন হবে না।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম দৃশ্যমান নয় মন্তব্য করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সবার আগে আমার কাছে এখন মনে হয়, এই পুলিশ যদি ঠিক না হয়, সেটা মবোক্রেসি বলেন, অথবা ভোটটা ঠিকমতো হওয়ার কথা বলেন বা শান্তিতে বাস করার কথা বলেন—যা-ই বলেন, আর্মি দিয়ে তো সেটা হবে না।’
দেশ গভীর সংকটে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি অংশীজনদের ‘মাথা ঠান্ডা রেখে, পরস্পর পরস্পরের প্রতি আস্থা রেখে, সব থেকে বড় কথা—দেশের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
জুলাই সনদকে আইনি বৈধতা দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলের মতভিন্নতার প্রেক্ষাপটে একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, ‘খুবই গভীর সংকট। রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের কাছে সংবিধানের ১০৬ ধারার ভিত্তিতে রায় চাইতে পারেন। জুলাই সনদকে যাতে আইনি কাভারেজ (সমর্থন) দেওয়া যায়। সুপ্রিম কোর্ট যদি কোনো রায় দেন তখন আপনি বলতে পারেন, হ্যাঁ এটার আইনি বৈধতা আছে। এটা দিয়েই নির্বাচন করতে হবে।’
একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে অনলাইন অ্যাকটিভিস্টদের সূচনা করা গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনকে (‘শাহবাগের আন্দোলন’) কোনো মিডিয়া মব বলেনি বলে মন্তব্য করেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। তিনি একে ‘বাংলাদেশে স্বাধীনতার ইতিহাসে নিকৃষ্টতম ভয়াবহ মব আখ্যা দেন। হাদি অভিযোগ করেন, ‘শাহবাগের সন্ত্রাসের’ মধ্য দিয়ে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে।
দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের অন্যতম বিএনপি প্রসঙ্গে হাদি বলেন, ‘দলটি ধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের একটি বড় শক্তি। এই শক্তিকে এত বেশি কোণঠাসা করা যাবে না, যাতে তারা গিয়ে আওয়ামী লীগের হাত ধরে ফেলে।’
কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বলেন, গ্রামে কোনো প্রার্থী ভোটে হেরে গেলে তাঁর সমর্থকদের পরের পাঁচ বছর মাথা নিচু করে থাকতে হয়। এ বাস্তবতায় পিআর (সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন) পদ্ধতিকে আমলে নেওয়া উচিত।
গণশক্তি সভার সভাপতি সাদেক রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাবেক সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেজর (অব.) জামাল হায়দার, নাগরিক নারী ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার প্রমুখ।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৫ ঘণ্টা আগে