
ভারতে যে দলই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসুক না কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক একই থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। এ উপলক্ষে এই কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাকা জেলা ও দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এ সময় ঢাকা জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপি অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে বিএনপির খোরশেদ আলম, মোজাদ্দেদ আলী বাবু, আশিকুর রহমান স্বপন স্বেচ্ছাসেবক দলের নাজমুল হাসান অভি, আসাদুজ্জামান, যুবদলের মোকাররম হোসেন সাজ্জাদ, ছাত্রদলের পাভেল মোল্লা, তমিজ উদ্দিন, তাঁতী দলের হিরা হোসেন প্রমুখ।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘ভারতে কোন দল ক্ষমতায় আসল, তা দেখার বিষয় নয়, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি। তাই যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, সম্পর্ক একই থাকবে। ভারতের জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নেতা নির্বাচন করেছেন, নির্বাচিতদের আমি অভিনন্দন জানাই।’
ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করে নিজ দেশের জনস্বার্থকেই গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নানা সংকটের মধ্যে বর্তমান সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে জানিয়ে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশে সুদিন ফিরিয়ে আনা হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সরকারকে জনগণের আকাঙ্খা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। নারী নেতৃত্বকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। এখন আর একদলীয় শাসন ব্যবস্থা নেই, যা ইচ্ছা তা করা যাবে না। বিরোধী দলের সমালোচনার অবস্থান থেকেও দেশ পরিচালনায় গুরুত্ব পাবে।
এ সময় নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, ‘সংরক্ষিত নারী আসনে আমাকে মূল্যায়ন করায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। একইসঙ্গে যারা দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে আমার পাশে ছিলেন, বিশেষ করে ঢাকা জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছেও কৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন আমি তার প্রতিদান দিতে চাই। তাই আগামী দিনে আমার রাজনীতি হবে গণমানুষের কল্যাণ করা। আমাদের দেশের পররাষ্ট্র নীতি হবে দেশের মানুষের স্বার্থের কথা বিবেচনায় নিয়ে। দেশের মানুষের স্বার্থের বাইরে কোনো কাজ এই সরকার করবে না, এই বিশ্বাস আছে দলের নেতাকর্মী ও দেশের জনগণের।’

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুর, লুটপাট ও গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সরকারের কাছে চারটি প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী তাসনিম জারা। আজ শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব প্রশ্ন তোলেন।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যরাতে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা ভঙ্গুর, তার ভয়াবহ নিদর্শন। রাতভর প্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর ও লুটপাট চললেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরব ও নির্বিকার ভূমিকা গভীর উদ্বেগের। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। খোদ রাজধানীর বুকে চর দখলের মতো একটি...
৭ ঘণ্টা আগে
কোনো উদ্যোগ ভালো না লাগলে তার বিকল্প পরিকল্পনা দেওয়া উচিত। আপনি এর চেয়ে ভালো পরিকল্পনা দেন, বলেন—এটা না করে এটা করলে আরও ভালো হয়। কিন্তু সেটা না করে সমালোচনা করায় তো কিছু লাভ হবে না। দেশটা সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবাই মিলে চেষ্টা করতে হবে...
৭ ঘণ্টা আগে
ভেরিফিকেশনের নামে ফ্যাসিবাদী আমলের এই অপকর্ম পরিত্যাগ করুন। ফ্যাসিবাদ আমলের অনুরূপ যেকোনো কূট-তৎপরতা জনগণ সহ্য করবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে। মেধাবী যুবসমাজসহ তরুণদের নিজেদের অধিকার আদায়ে আবারও সোচ্চার হতে হবে।
৯ ঘণ্টা আগে