নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চলমান আন্দোলনকে দমন করার অংশ হিসেবেই গণ অধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নুরকে দেখতে গিয়ে তিনি এই অভিযোগ করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ দলের নেতা-কর্মীদের যেভাবে আক্রমণ হয়েছে, এ ঘটনা তারাই ধারাবাহিকতা। তবে এভাবে ভয় দেখিয়ে চলমান আন্দোলনকে দমন করা যাবে না বলেও সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে জেগে উঠেছে তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য, সেই সময় তাদের (সরকার) ফ্যাসিবাদের যে চরিত্র, সন্ত্রাস করে, ভয় দেখিয়ে, নির্যাতন করে এখান থেকে তারা বেরিয়ে আসতে চায়। জনগণের ন্যায়সংগত দাবিতে যে আন্দোলন চলছে, তারা তা দমন করতে চায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণীর বিরুদ্ধে যে রায়, এটাও তাদের তারই একটি পদক্ষেপ। সন্ত্রাস করে, ভয় দেখিয়ে সাজানো রায় দিয়ে, সাজা দিয়ে, জেল-জুলুম করে তারা আন্দোলন দমন করতে চায়। কিন্তু জনগণ যখন জেগে ওঠে, তখন ভয় দেখিয়ে, সাজা দিয়ে, আক্রমণ করে আন্দোলন দমন করা যায় না।’
ফখরুল বলেন, ‘আমরা জনগণের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছি। সেখানে কে কী বলছে, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। আমাদের আন্দোলনের মূল বিষয় হচ্ছে, এই সরকার যেহেতু ব্যর্থ হয়েছে, জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, জনগণ এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে। জনগণের দাবি—এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। কে কী বলল না বলল, তাতে আন্দোলন দমন করা যাবে না।’

চলমান আন্দোলনকে দমন করার অংশ হিসেবেই গণ অধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নুরকে দেখতে গিয়ে তিনি এই অভিযোগ করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ দলের নেতা-কর্মীদের যেভাবে আক্রমণ হয়েছে, এ ঘটনা তারাই ধারাবাহিকতা। তবে এভাবে ভয় দেখিয়ে চলমান আন্দোলনকে দমন করা যাবে না বলেও সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে জেগে উঠেছে তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য, সেই সময় তাদের (সরকার) ফ্যাসিবাদের যে চরিত্র, সন্ত্রাস করে, ভয় দেখিয়ে, নির্যাতন করে এখান থেকে তারা বেরিয়ে আসতে চায়। জনগণের ন্যায়সংগত দাবিতে যে আন্দোলন চলছে, তারা তা দমন করতে চায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণীর বিরুদ্ধে যে রায়, এটাও তাদের তারই একটি পদক্ষেপ। সন্ত্রাস করে, ভয় দেখিয়ে সাজানো রায় দিয়ে, সাজা দিয়ে, জেল-জুলুম করে তারা আন্দোলন দমন করতে চায়। কিন্তু জনগণ যখন জেগে ওঠে, তখন ভয় দেখিয়ে, সাজা দিয়ে, আক্রমণ করে আন্দোলন দমন করা যায় না।’
ফখরুল বলেন, ‘আমরা জনগণের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছি। সেখানে কে কী বলছে, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। আমাদের আন্দোলনের মূল বিষয় হচ্ছে, এই সরকার যেহেতু ব্যর্থ হয়েছে, জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, জনগণ এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে। জনগণের দাবি—এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। কে কী বলল না বলল, তাতে আন্দোলন দমন করা যাবে না।’

জামায়াতের সঙ্গে জোট যে অপরিবর্তনীয় নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘২০ তারিখ (২০ জানুয়ারি) হলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হলো ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তাই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগপর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৩ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে