নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপি নিজেদের অন্ধকার ভবিষ্যৎ দেখে হতাশায় কাতর মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণের সামনে দাঁড়ানোর সাহস এবং বলার মতো কিছুই নেই তাঁদের। নির্বাচনে জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যান আর আন্দোলনে চরম ব্যর্থতাই বিএনপির একমাত্র প্রাপ্তি বলেও মত সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর।
বিগত এক যুগের বেশি সময় ধরে সরকারপতনের আন্দোলনে ব্যর্থতা এবং সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে ওয়ার্মআপ চলছে, বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের শুক্রবার সকালে তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন। কাদের বলেন, কোনো ওয়ার্মআপেই কাজ হবে না, নেতিবাচক এবং হঠকারী রাজনীতির কারণে জনগণ বিএনপিকে চিনে ফেলেছে।
যাদের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে, তারা আবার সরকারপতনের দিবাস্বপ্ন দেখছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়নি বলেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে পারেনি।
ওবায়দুল কাদের স্পষ্টভাবে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, সরকারপতন, আন্দোলন—এসব মুখরোচক শব্দবৃষ্টি করে কোনো লাভ নেই।
গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ব্যালটের মাধ্যম আর নির্বাচন ছাড়া পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই, তাই অলিগলি পথে না হেঁটে নির্বাচনমুখী হওয়ার জন্য বিএনপি নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।
সরকার নাকি স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, মানুষের অধিকার হরণ করেছে—বিএনপি নেতাদের এমন কাল্পনিক অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতারা যখন এসব কথা বলেন, তখনো স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী তাঁদের বগলদাবায়।
তিনি আরও বলেন, দেশবিরোধী সব অপশক্তির অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে বিএনপি। যারা নিজেরাই স্বাধীনতার চেতনা নস্যাতে জন্মলগ্ন থেকেই অপতৎপরতা চালাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা এসেছে, আওয়ামী লীগই এর সুরক্ষা দিতে পারে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বলে দাবি করেন ওবায়দুল কাদের।
বিএনপি এ দেশে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল, হরণ করেছিল কৃষক-শ্রমিকের অধিকার উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভোট না দেওয়ার অভিযোগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল, আগুনসন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষের স্বাধীন চলাচলের অধিকার হরণ করেছিল।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন, এগিয়ে নিয়েছেন দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে—এমন মনে করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, এ জন্যই সরকারের উন্নয়নের রাজনীতিতে বিএনপি ঈর্ষাকাতর।

বিএনপি নিজেদের অন্ধকার ভবিষ্যৎ দেখে হতাশায় কাতর মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণের সামনে দাঁড়ানোর সাহস এবং বলার মতো কিছুই নেই তাঁদের। নির্বাচনে জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যান আর আন্দোলনে চরম ব্যর্থতাই বিএনপির একমাত্র প্রাপ্তি বলেও মত সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর।
বিগত এক যুগের বেশি সময় ধরে সরকারপতনের আন্দোলনে ব্যর্থতা এবং সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে ওয়ার্মআপ চলছে, বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের শুক্রবার সকালে তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন। কাদের বলেন, কোনো ওয়ার্মআপেই কাজ হবে না, নেতিবাচক এবং হঠকারী রাজনীতির কারণে জনগণ বিএনপিকে চিনে ফেলেছে।
যাদের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে, তারা আবার সরকারপতনের দিবাস্বপ্ন দেখছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়নি বলেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে পারেনি।
ওবায়দুল কাদের স্পষ্টভাবে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, সরকারপতন, আন্দোলন—এসব মুখরোচক শব্দবৃষ্টি করে কোনো লাভ নেই।
গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ব্যালটের মাধ্যম আর নির্বাচন ছাড়া পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই, তাই অলিগলি পথে না হেঁটে নির্বাচনমুখী হওয়ার জন্য বিএনপি নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।
সরকার নাকি স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, মানুষের অধিকার হরণ করেছে—বিএনপি নেতাদের এমন কাল্পনিক অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতারা যখন এসব কথা বলেন, তখনো স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী তাঁদের বগলদাবায়।
তিনি আরও বলেন, দেশবিরোধী সব অপশক্তির অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে বিএনপি। যারা নিজেরাই স্বাধীনতার চেতনা নস্যাতে জন্মলগ্ন থেকেই অপতৎপরতা চালাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা এসেছে, আওয়ামী লীগই এর সুরক্ষা দিতে পারে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বলে দাবি করেন ওবায়দুল কাদের।
বিএনপি এ দেশে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল, হরণ করেছিল কৃষক-শ্রমিকের অধিকার উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভোট না দেওয়ার অভিযোগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল, আগুনসন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষের স্বাধীন চলাচলের অধিকার হরণ করেছিল।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন, এগিয়ে নিয়েছেন দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে—এমন মনে করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, এ জন্যই সরকারের উন্নয়নের রাজনীতিতে বিএনপি ঈর্ষাকাতর।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৪ ঘণ্টা আগে