নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

টানা দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজের মূল্যায়নের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আই অ্যাম নট আ পারফেক্ট লিডার। আমি মনে করি, মানুষের পক্ষে একেবারেই পারফেক্ট হওয়া খুবই দুঃসাধ্য।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
গত দুইবারে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী লীগকে কী দিয়েছেন বা কাজের মূল্যায়ন জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অ্যাম নট আ পারফেক্ট… ভুল-ত্রুটি তো থাকবেই। সাফল্যও আছে, ভুল-ত্রুটিও আছে। তবে মহামারির জন্য একটা বছর, তার মধ্যেও আমাদের সহকর্মীরা অনেক সহযোগিতা করেছে, কাজ করেছে। সহযোগী সংগঠনগুলোও কাজ করেছে। আমরা ইনেকটিভ ছিলাম না। আমাদের সাংগঠনিক কিছু কার্যক্রম স্থগিত ছিল।’
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমি মনে করি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। অনেক দিন পর উপজেলাসহ তৃণমূল পর্যায়ে সম্মেলন বেশি সংখ্যক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবদান যথেষ্ট এবং তারা দায়িত্ব পালন করেছেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।’
কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হলো রুলিং পার্টি। গত ১৪ বছর ধরে একাধারে রুলিং পার্টি। রুলিং পার্টির কিছু সমস্যা থাকে। যেমন আজকে যিনি এমপি আছেন, তিনি আবারও থাকতে চাইবেন। আবার নতুন আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে। দুই আকাঙ্ক্ষার মধ্যে একটা কনফ্লিক্ট সব সময় থাকে। এই বিষয়গুলো পৃথিবীর সব দেশেই আছে, এখানেও আছে।’
বাংলাদেশে একমাত্র শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র চর্চা করে বলে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বাংলাদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগই নিয়মিত সম্মেলন করে। আওয়ামী লীগের সম্মেলনে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়। আগামী নির্বাচনেও জনগণের পরামর্শ নিয়ে, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় আওয়ামী লীগ।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সংস্কৃতি সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য রিয়াজুল কবির কাওছার, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

টানা দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজের মূল্যায়নের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আই অ্যাম নট আ পারফেক্ট লিডার। আমি মনে করি, মানুষের পক্ষে একেবারেই পারফেক্ট হওয়া খুবই দুঃসাধ্য।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
গত দুইবারে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী লীগকে কী দিয়েছেন বা কাজের মূল্যায়ন জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অ্যাম নট আ পারফেক্ট… ভুল-ত্রুটি তো থাকবেই। সাফল্যও আছে, ভুল-ত্রুটিও আছে। তবে মহামারির জন্য একটা বছর, তার মধ্যেও আমাদের সহকর্মীরা অনেক সহযোগিতা করেছে, কাজ করেছে। সহযোগী সংগঠনগুলোও কাজ করেছে। আমরা ইনেকটিভ ছিলাম না। আমাদের সাংগঠনিক কিছু কার্যক্রম স্থগিত ছিল।’
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমি মনে করি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। অনেক দিন পর উপজেলাসহ তৃণমূল পর্যায়ে সম্মেলন বেশি সংখ্যক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবদান যথেষ্ট এবং তারা দায়িত্ব পালন করেছেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।’
কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হলো রুলিং পার্টি। গত ১৪ বছর ধরে একাধারে রুলিং পার্টি। রুলিং পার্টির কিছু সমস্যা থাকে। যেমন আজকে যিনি এমপি আছেন, তিনি আবারও থাকতে চাইবেন। আবার নতুন আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে। দুই আকাঙ্ক্ষার মধ্যে একটা কনফ্লিক্ট সব সময় থাকে। এই বিষয়গুলো পৃথিবীর সব দেশেই আছে, এখানেও আছে।’
বাংলাদেশে একমাত্র শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র চর্চা করে বলে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বাংলাদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগই নিয়মিত সম্মেলন করে। আওয়ামী লীগের সম্মেলনে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়। আগামী নির্বাচনেও জনগণের পরামর্শ নিয়ে, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় আওয়ামী লীগ।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সংস্কৃতি সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য রিয়াজুল কবির কাওছার, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
২ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৪ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
১৪ ঘণ্টা আগে