নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলের অভ্যন্তরীণ নানা সংকটে ২ বছর না পেরোতেই বিভক্ত হয় গণ অধিকার পরিষদ। দলের দুই অংশই আগামী ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে নামার ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে এক পথেই হাঁটছে দুই অংশ। বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে রাজপথে থাকবে তারা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গণ অধিকার পরিষদের উভয় অংশ ভিন্ন ভিন্ন স্থানে দলটির দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান থেকে ২৮ অক্টোবর সর্বশক্তি নিয়ে রাজপথে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দুই অংশের শীর্ষ নেতারা।
জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় আব্দুস সালাম হলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে গণ অধিকার পরিষদের রেজা কিবরিয়াপন্থীরা। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে দলটির আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘সবাই ২৮ তারিখের জন্য অপেক্ষা করছে। সরকারি দলের লোকেরা ভীত এবং আতঙ্কিত। তারা কোথায় এবং কোন পথ দিয়ে পালাবে সেগুলো চিন্তা করে রেখেছে। আমরা ২৮ তারিখ বিএনপিসহ অন্যান্য দলকে সহযোগিতা করব। আমরা গণ অধিকার পরিষদ সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে মাঠে থাকব।’
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এখন তাদের নেতা–কর্মীদের লাঠি নিয়ে মাঠে নামার নির্দেশ দিচ্ছে, এতে পরিষ্কার যে আওয়ামী লীগ একটি মাফিয়া দল। কোনো রাজনৈতিক দল এমন আচরণ করতে পারে না।
অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আগামী ২৮ অক্টোবর আওয়ামী সরকারের বিদায় ঘণ্টা শুরু হবে। সরকার যতই বাঁধা প্রদান করুক, তারা কোনো ভাবেই এবার তাদের পতন ঠেকাতে পারবে না। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, এনডিপির চেয়ারম্যান কারী আবু তাহের, গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কর্নেল অব: মিয়া মসিউজ্জামান প্রমুখ।
এদিকে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন অংশ। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে নুরুল হক নূর বলেন, ‘২৮ তারিখে আমরাও রাজপথে থাকব। সবাই এক হয়ে এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করব। আমাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বাধা মানব না।’
আওয়ামী লীগ খুব ভয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র উদ্ধারের নামে লগি-বইঠার যে তাণ্ডব করেছিল সেটি করতে দেওয়া হবে না। আমরা যদি সবাই এক জোট হয়ে ধাক্কা দেই, সরকার পড়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ২৮ তারিখে সব বাধা উপেক্ষা করে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসভা হবে। এই আন্দোলন বিএনপির একার নয়, দেশের সবার আন্দোলন। মানুষ নিজের স্বার্থেই এই আন্দোলনে নেমেছে।

দলের অভ্যন্তরীণ নানা সংকটে ২ বছর না পেরোতেই বিভক্ত হয় গণ অধিকার পরিষদ। দলের দুই অংশই আগামী ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে নামার ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে এক পথেই হাঁটছে দুই অংশ। বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে রাজপথে থাকবে তারা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গণ অধিকার পরিষদের উভয় অংশ ভিন্ন ভিন্ন স্থানে দলটির দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান থেকে ২৮ অক্টোবর সর্বশক্তি নিয়ে রাজপথে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দুই অংশের শীর্ষ নেতারা।
জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় আব্দুস সালাম হলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে গণ অধিকার পরিষদের রেজা কিবরিয়াপন্থীরা। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে দলটির আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘সবাই ২৮ তারিখের জন্য অপেক্ষা করছে। সরকারি দলের লোকেরা ভীত এবং আতঙ্কিত। তারা কোথায় এবং কোন পথ দিয়ে পালাবে সেগুলো চিন্তা করে রেখেছে। আমরা ২৮ তারিখ বিএনপিসহ অন্যান্য দলকে সহযোগিতা করব। আমরা গণ অধিকার পরিষদ সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে মাঠে থাকব।’
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এখন তাদের নেতা–কর্মীদের লাঠি নিয়ে মাঠে নামার নির্দেশ দিচ্ছে, এতে পরিষ্কার যে আওয়ামী লীগ একটি মাফিয়া দল। কোনো রাজনৈতিক দল এমন আচরণ করতে পারে না।
অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আগামী ২৮ অক্টোবর আওয়ামী সরকারের বিদায় ঘণ্টা শুরু হবে। সরকার যতই বাঁধা প্রদান করুক, তারা কোনো ভাবেই এবার তাদের পতন ঠেকাতে পারবে না। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, এনডিপির চেয়ারম্যান কারী আবু তাহের, গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কর্নেল অব: মিয়া মসিউজ্জামান প্রমুখ।
এদিকে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন অংশ। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে নুরুল হক নূর বলেন, ‘২৮ তারিখে আমরাও রাজপথে থাকব। সবাই এক হয়ে এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করব। আমাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বাধা মানব না।’
আওয়ামী লীগ খুব ভয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র উদ্ধারের নামে লগি-বইঠার যে তাণ্ডব করেছিল সেটি করতে দেওয়া হবে না। আমরা যদি সবাই এক জোট হয়ে ধাক্কা দেই, সরকার পড়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ২৮ তারিখে সব বাধা উপেক্ষা করে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসভা হবে। এই আন্দোলন বিএনপির একার নয়, দেশের সবার আন্দোলন। মানুষ নিজের স্বার্থেই এই আন্দোলনে নেমেছে।

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১৯ মিনিট আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
২৩ মিনিট আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে