নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন কমিশন গঠনে অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটির কাছে তাদের কাছে জমা পড়া নামের তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে দলটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘নিরপেক্ষ লোক দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন না হলে গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব হয় না। আবার ক্ষমতাহীন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারে না। কারণ, ক্ষমতাহীন নির্বাচন কমিশনকে দলীয় সরকারের মুখাপেক্ষী হতে হয়। তাই ক্ষমতাবান নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের বিকল্প নেই।’
মঙ্গলবার দুপুরে দলের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জি এম কাদের। ওই অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য ও চাঁদপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে সার্চ কমিটির দেওয়া প্রস্তাব জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে জি এম কাদের বলেন, ‘আমরা ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন তৈরি করতে প্রস্তাব করেছি। নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন হয়েছে; কিন্তু কমিশনকে ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।’ সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র না থাকলে রাষ্ট্রের কোথাও জবাবদিহি থাকে না। তাই, সমাজের প্রতিটি স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনিবার্য।’
অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, পার্টি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম মিলন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল হোসেনসহ দলটির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশন গঠনে অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটির কাছে তাদের কাছে জমা পড়া নামের তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে দলটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘নিরপেক্ষ লোক দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন না হলে গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব হয় না। আবার ক্ষমতাহীন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারে না। কারণ, ক্ষমতাহীন নির্বাচন কমিশনকে দলীয় সরকারের মুখাপেক্ষী হতে হয়। তাই ক্ষমতাবান নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের বিকল্প নেই।’
মঙ্গলবার দুপুরে দলের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জি এম কাদের। ওই অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য ও চাঁদপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে সার্চ কমিটির দেওয়া প্রস্তাব জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে জি এম কাদের বলেন, ‘আমরা ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন তৈরি করতে প্রস্তাব করেছি। নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন হয়েছে; কিন্তু কমিশনকে ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।’ সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র না থাকলে রাষ্ট্রের কোথাও জবাবদিহি থাকে না। তাই, সমাজের প্রতিটি স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনিবার্য।’
অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, পার্টি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম মিলন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল হোসেনসহ দলটির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
১০ ঘণ্টা আগে