মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন, তা আমাদের হৃদয় স্পর্শ করেছে।’
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া এক পোস্টে ধন্যবাদের বার্তা দেন তারেক রহমান। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘গতকাল (বুধবার) আমার জীবনের এক গভীর শোকের মুহূর্তে, আমি আমার মায়ের শেষবিদায় দিতে পেরেছি। এটি এমন এক ঐতিহাসিক বিদায়, যা দেশের মানুষের জন্য যথাযথ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। আর সেটি সম্ভব হয়েছে যাঁদের যত্ন, দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের কারণে; তাঁদের সবাইকে আমি অন্তরের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাই।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও লেখেন, ‘দেশনেত্রীর অন্তিমযাত্রায় অবিরত দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যরা। আপনারা শুধু শৃঙ্খলা বজায় রাখেননি, শোকময় পরিবেশেও মানবিকতার উদাহরণ দেখিয়েছেন। আপনারা আমাদের সবাইকে নিরাপদে রেখেছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে জানাজায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন। নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সকল নারী ও পুরুষ সদস্যকেও আমি ধন্যবাদ জানাই, যার মধ্যে রয়েছেন মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, র্যাব ও এপিবিএন। আপনাদের ধৈর্য, সততা ও দায়িত্ববোধের কারণে লক্ষ-লক্ষ মানুষ নিরাপদে একত্র হতে পেরেছে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে শোক প্রকাশ ও শ্রদ্ধা জানাতে পেরেছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ফিরে যেতে পেরেছে। যাঁদের কাজ অনেক সময় চোখে পড়ে না, ডিজিএফআই, এনএসআই এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের নিবেদিত সদস্যদের প্রতিও আমি সমানভাবে কৃতজ্ঞ। আপনাদের সতর্কতা ও দায়িত্ববোধের কারণে দিনটি নিরাপদ এবং নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’
তারেক রহমান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও, ডিজি এসএসএফ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত, তথ্য ও সম্প্রচার, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক, সংস্কৃতি ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। বিদেশি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমবেদনা জানানোর কাজে সহায়ক ভূমিকা পালন করায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও ধন্যবাদ দেন তিনি।
বিশাল জনসমুদ্রের মধ্যে এই অনুষ্ঠানের খবর পরিবেশন করার জন্য সাংবাদিকদের আন্তরিক ধন্যবাদ দেন তারেক রহমান।
প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘আমি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও অন্তরের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাই। জাতীয় শোকের এই কঠিন সময়ে তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থেকে প্রতিটি মুহূর্তে শান্তি ও যত্ন বজায় রাখতে সাহায্য করেছেন, যা আমাদের পরিবারের জন্য অমূল্য সমর্থন হিসেবে অনুভূত হয়েছে।’
তারেক রহমান আরও লিখেছেন, ‘আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই; প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে। গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান এবং দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন, তা আমাদের হৃদয় স্পর্শ করেছে।’

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে শহীদ রাকিব হোসেনের পরিবারের সঙ্গে প্রথম রমজানের ইফতার করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আফতাবনগরে রাকিবের বাসায় যান তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তাঁর নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৬-এ তাৎক্ষণিক ও মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। রমজান উপলক্ষে প্রথম ১০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি এবং ঈদের আগে-পরে ধারাবাহিক কার্যক্রমের রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে
শুধু দলীয় পরিচয়ের কারণে কেউ যেন জুলুমের শিকার না হয়—এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে নিজের সংসদীয় আসনে এতিম শিশুদের নিয়ে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।
১৫ ঘণ্টা আগে
এতিমখানা ও হেফজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এক মাসের ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। রাজধানীর কড়াইল বস্তি ও ভাষানটেক এলাকার ১৪টি এতিমখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এসব বিতরণ করা হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে