নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের মতে এই বাজেট বাস্তবায়নে অতিরিক্ত কর আদায়ে একদিকে সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট আরও বাড়বে অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণের বোঝায় দেশ শ্রীলঙ্কার মতো বিপর্যয়ে পড়তে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার সংসদে বাজেট উত্থাপনের পর জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের কাছে এই আশঙ্কার কথা জানান জি এম কাদের।
বাজেটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এমনিতেই বিশ্ববাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। আর এ কারণেই জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েই চলছে। এমন বাস্তবতায় বিশাল বাজেটকে উচ্চাভিলাষী বাজেট বলতে হচ্ছে।’
জি এম কাদের বলেন, ‘বাজেটে আড়াই লাখ কোটি টাকা ঘাটতি দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৫ শতাংশের ওপরে। আবার ৩৬ শতাংশ অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর ভরসা করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ বেশি হলে ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ফলে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথ সংকুচিত হতে পারে। আবার বিদেশি ঋণের পরিমাণ ১৪ দশমিক ২ শতাংশ। দিন দিন বিদেশি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে দেশে শ্রীলঙ্কার মতো বিপর্যয়ের সৃষ্টি হতে পারে।’
ডলারের সঙ্গে টাকার বিনিময় হারে টাকার মূল্য কমছে জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জীবন কষ্টকর হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিশ্ব বাজার থেকে কিনে ভর্তুকি দিয়ে দরিদ্র মানুষের জন্য স্বল্প মূল্যে বিক্রির জন্য একটি উদ্যোগ থাকা উচিত ছিল। পাশাপাশি গত বছরের চেয়ে ৪২ হাজার কোটি টাকা বেশি কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত কর আদায়ের বিরূপ প্রভাব সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট আরও বেড়ে যাবে।’

২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের মতে এই বাজেট বাস্তবায়নে অতিরিক্ত কর আদায়ে একদিকে সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট আরও বাড়বে অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণের বোঝায় দেশ শ্রীলঙ্কার মতো বিপর্যয়ে পড়তে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার সংসদে বাজেট উত্থাপনের পর জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের কাছে এই আশঙ্কার কথা জানান জি এম কাদের।
বাজেটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এমনিতেই বিশ্ববাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। আর এ কারণেই জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েই চলছে। এমন বাস্তবতায় বিশাল বাজেটকে উচ্চাভিলাষী বাজেট বলতে হচ্ছে।’
জি এম কাদের বলেন, ‘বাজেটে আড়াই লাখ কোটি টাকা ঘাটতি দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৫ শতাংশের ওপরে। আবার ৩৬ শতাংশ অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর ভরসা করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ বেশি হলে ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ফলে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথ সংকুচিত হতে পারে। আবার বিদেশি ঋণের পরিমাণ ১৪ দশমিক ২ শতাংশ। দিন দিন বিদেশি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে দেশে শ্রীলঙ্কার মতো বিপর্যয়ের সৃষ্টি হতে পারে।’
ডলারের সঙ্গে টাকার বিনিময় হারে টাকার মূল্য কমছে জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জীবন কষ্টকর হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিশ্ব বাজার থেকে কিনে ভর্তুকি দিয়ে দরিদ্র মানুষের জন্য স্বল্প মূল্যে বিক্রির জন্য একটি উদ্যোগ থাকা উচিত ছিল। পাশাপাশি গত বছরের চেয়ে ৪২ হাজার কোটি টাকা বেশি কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত কর আদায়ের বিরূপ প্রভাব সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট আরও বেড়ে যাবে।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৪ ঘণ্টা আগে