নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে সংশয় জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘সরকারের ভূমিকায় এখনো জনগণ সংশয়ের মধ্যে আছে। এ জন্যই বলছি, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন আমরা মেনে নিতে পারি না।’
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। ১৯ জুলাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ করবে দলটি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পেছানো নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা কখনো কোনো বক্তব্য দেননি উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা নির্বাচন পেছানো, না করা—এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য কখনো দিইনি। আমাদের আমির সাহেব বলেছেন, নির্বাচন আমরা চাই, কিন্তু সেই নির্বাচন যেন যেনতেন নির্বাচন না হয়। এই যেনতেনর অর্থ হলো—কোনো দিকে প্রশাসন ঝুঁকে পড়বে, নিরপেক্ষ হবে না, আবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হবে, আবার প্রশাসন জবরদস্তি করবে, কেন্দ্র দখল হবে। এ জাতীয় নির্বাচনকে উদ্দেশ্য করে আমির বলেছেন, নির্বাচন আমরা হতে দেব, কিন্তু যেনতেন নির্বাচন হতে দেব না। আর যাঁরা করবেন, আমরা তাঁদের মেনে নেব না।’
জাতীয় সমাবেশের বিষয়ে জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত, নিরপেক্ষ নির্বাচন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, বিচার, সংস্কারসহ সাত দফা দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। জুলাই সনদ ঘোষণা ও বাস্তবায়নের দাবি এই জনসভা থেকে তোলা হবে। জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের দাবিসহ বেশ কিছু দাবিও উত্থাপন করা হবে।’
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মোয়াযযম হোসেন হেলাল, প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে সংশয় জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘সরকারের ভূমিকায় এখনো জনগণ সংশয়ের মধ্যে আছে। এ জন্যই বলছি, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন আমরা মেনে নিতে পারি না।’
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। ১৯ জুলাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ করবে দলটি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পেছানো নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা কখনো কোনো বক্তব্য দেননি উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা নির্বাচন পেছানো, না করা—এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য কখনো দিইনি। আমাদের আমির সাহেব বলেছেন, নির্বাচন আমরা চাই, কিন্তু সেই নির্বাচন যেন যেনতেন নির্বাচন না হয়। এই যেনতেনর অর্থ হলো—কোনো দিকে প্রশাসন ঝুঁকে পড়বে, নিরপেক্ষ হবে না, আবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হবে, আবার প্রশাসন জবরদস্তি করবে, কেন্দ্র দখল হবে। এ জাতীয় নির্বাচনকে উদ্দেশ্য করে আমির বলেছেন, নির্বাচন আমরা হতে দেব, কিন্তু যেনতেন নির্বাচন হতে দেব না। আর যাঁরা করবেন, আমরা তাঁদের মেনে নেব না।’
জাতীয় সমাবেশের বিষয়ে জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত, নিরপেক্ষ নির্বাচন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, বিচার, সংস্কারসহ সাত দফা দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। জুলাই সনদ ঘোষণা ও বাস্তবায়নের দাবি এই জনসভা থেকে তোলা হবে। জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের দাবিসহ বেশ কিছু দাবিও উত্থাপন করা হবে।’
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মোয়াযযম হোসেন হেলাল, প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম প্রমুখ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
১ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রবাসীদের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে— কীভাবে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ভোট কীভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কোথাও একসঙ্গে ২০০–৩০০ ব্যালট থাকলে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে