নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৯টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম)। অবশিষ্টদের বিষয়ে এখনো পরিপূর্ণ তথ্য আসেনি বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মো. শাহজাহান। আজ শনিবার রাতে আজকের পত্রিকাকে তিনি এ কথা জানান।
এদিকে বিএনএমের কিছু প্রার্থী স্বতন্ত্র থেকেও নির্বাচন করছেন বলেও জানান মো. শাহজাহান। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনুমতি নিয়ে গোপনে বিএনএমের অনেকেই স্বতন্ত্র থেকে অংশ নিচ্ছেন নির্বাচনে। তাঁদের অনেকেই বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য।’
এর আগে বিকেলে রাজধানীর গুলশানে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র দাখিলে ব্যর্থ হয়েছেন আরও ৩৩ প্রার্থী। তাঁরা মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবেন।
বিএনএম মহাসচিব বলেন, ‘সারা দেশে বিএনএমের ৪৭৮টি দলীয় মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ জনকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন পাওয়ার পরে অনেকেরই এলাকায় যেতে দেরি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র প্রস্তুত করতে পারেননি। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ব্যাংকের যে সার্ভারে ট্রেজারি চালান দিতে হয়, সেটাতে তিন ঘণ্টায় ঢোকা যায়নি। কয়েকজন এই বিষয়ে রিট করবেন।’
ইসির ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী ৩০ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এই সময়ের মধ্যে বিএনএমের হয়ে বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪৯ জন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ইসির কাছ থেকে তালিকা পাইনি। আমরা ইসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকা চাইব।’
সংবাদ সম্মেলনের এক পর্যায়ে বিএনএমের মহাসচিব দাবি করেন, তাঁদের দলের প্রার্থীর সংখ্যা আসলে ১০২। ৮২ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি ২০ জন হিডেন (লুকানো) প্রার্থী। এই ২০ জনের সবাই সাবেক সংসদ সদস্য বলে তিনি দাবি করেন।
এরপর বিএনএম কীভাবে সরকার গঠন করতে পারবে, সেটারও একটি হিসাব তুলে ধরেন দলের মহাসচিব শাহ্জাহান। তিনি বলেন, ‘বরাবরই বলেছি, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সরকার গঠন করতে পারব। ৮২ জন প্রার্থী, এর সঙ্গে ২০ জন হিডেন। এই ১০২টি আসন পেলে কোয়ালিশন করলে আমরাই সরকার গঠন করব। সেটা না হলে প্রথমবারের মতো বিরোধী দলে যাব।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৯টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম)। অবশিষ্টদের বিষয়ে এখনো পরিপূর্ণ তথ্য আসেনি বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মো. শাহজাহান। আজ শনিবার রাতে আজকের পত্রিকাকে তিনি এ কথা জানান।
এদিকে বিএনএমের কিছু প্রার্থী স্বতন্ত্র থেকেও নির্বাচন করছেন বলেও জানান মো. শাহজাহান। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনুমতি নিয়ে গোপনে বিএনএমের অনেকেই স্বতন্ত্র থেকে অংশ নিচ্ছেন নির্বাচনে। তাঁদের অনেকেই বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য।’
এর আগে বিকেলে রাজধানীর গুলশানে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র দাখিলে ব্যর্থ হয়েছেন আরও ৩৩ প্রার্থী। তাঁরা মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবেন।
বিএনএম মহাসচিব বলেন, ‘সারা দেশে বিএনএমের ৪৭৮টি দলীয় মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ জনকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন পাওয়ার পরে অনেকেরই এলাকায় যেতে দেরি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র প্রস্তুত করতে পারেননি। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ব্যাংকের যে সার্ভারে ট্রেজারি চালান দিতে হয়, সেটাতে তিন ঘণ্টায় ঢোকা যায়নি। কয়েকজন এই বিষয়ে রিট করবেন।’
ইসির ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী ৩০ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এই সময়ের মধ্যে বিএনএমের হয়ে বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪৯ জন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ইসির কাছ থেকে তালিকা পাইনি। আমরা ইসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকা চাইব।’
সংবাদ সম্মেলনের এক পর্যায়ে বিএনএমের মহাসচিব দাবি করেন, তাঁদের দলের প্রার্থীর সংখ্যা আসলে ১০২। ৮২ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি ২০ জন হিডেন (লুকানো) প্রার্থী। এই ২০ জনের সবাই সাবেক সংসদ সদস্য বলে তিনি দাবি করেন।
এরপর বিএনএম কীভাবে সরকার গঠন করতে পারবে, সেটারও একটি হিসাব তুলে ধরেন দলের মহাসচিব শাহ্জাহান। তিনি বলেন, ‘বরাবরই বলেছি, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সরকার গঠন করতে পারব। ৮২ জন প্রার্থী, এর সঙ্গে ২০ জন হিডেন। এই ১০২টি আসন পেলে কোয়ালিশন করলে আমরাই সরকার গঠন করব। সেটা না হলে প্রথমবারের মতো বিরোধী দলে যাব।’

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৮ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
২০ ঘণ্টা আগে