
সংস্কারপ্রক্রিয়া নিয়ে মতভেদ থাকলেও গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস্ অ্যাকশন (এনপিএ)। তবে সংগঠনটি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মেয়াদে উচ্চকক্ষ গঠন না করার আহ্বান জানিয়েছে।
এনপিএ বলেছে, উচ্চকক্ষ গঠন হতে হবে পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়। সে ক্ষেত্রে পরবর্তী সংসদ নির্বাচন থেকেই উচ্চকক্ষ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। নির্বাচনের আগে প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে উচ্চকক্ষের জন্য ১০০ জন প্রার্থীর পর্যায়ক্রমিক তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং উচ্চকক্ষ নির্বাচনের জন্য সব দলের প্রতীকসংবলিত পৃথক ব্যালটের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এনপিএ আয়োজিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক উত্তরণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন এনপিএর মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমী। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং সরকারের জনবিচ্ছিন্ন ভূমিকার কারণে ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট জয়যুক্ত হলেও রাজনৈতিক দলগুলো পরবর্তী সময়ে সংস্কার প্রস্তাবগুলো অগ্রাহ্য করতে পারে; কিংবা পুরো প্রক্রিয়াটি আইনি বৈধতার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তবে ‘‘না’’ জয়যুক্ত হলে সংস্কার প্রশ্নটিকেই ক্ষমতাসীনেরা কার্যত বাতিল করে দেবে।’
ফেরদৌস আরা রুমী বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও তাঁরা এই মেয়াদে উচ্চকক্ষ গঠনের পক্ষে নন। রাজনৈতিক দলগুলো উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ না করায় এবং পৃথক ব্যালট না থাকায় এবারের নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের মাধ্যমে উচ্চকক্ষ গঠিত হলে তা হবে অস্বচ্ছ, অগণতান্ত্রিক এবং ছোট দলগুলোর প্রতি বৈষম্যমূলক।
ফেরদৌস আরা রুমী বলেন, গণভোটের ব্যালটে আনুপাতিক হারে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষের বিধান থাকলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোনো দলই তাদের ১০০ প্রার্থীর তালিকা জনগণের সামনে প্রকাশ করেনি। ফলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে বাস্তবে কীভাবে উচ্চকক্ষ গঠিত হবে, তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে এনপিএ নেতারা বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনের নিরপেক্ষতার অভাব, অর্থ ও প্রভাবের অপব্যবহার এবং নির্বাচনকালীন সহিংসতার আশঙ্কা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে এনপিএর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য অনিক রায় বলেন, সংসদে চেক অ্যান্ড ব্যালান্স নিশ্চিত করতে উচ্চকক্ষ প্রয়োজনীয়। কিন্তু উচ্চকক্ষ নির্বাচনের জন্য যে নীতিমালা অনুসরণ করা দরকার, তা মানা হচ্ছে না। কারা, কীভাবে উচ্চকক্ষে যাবেন, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্টতা নেই। এতে ক্ষমতাসীন দল নিজেদের ইচ্ছামতো উচ্চকক্ষ গঠনের সুযোগ পাবে, যা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
আরেক প্রশ্নের জবাবে অনিক রায় বলেন, উচ্চকক্ষের গঠন পরবর্তী সংসদ থেকে হওয়া উচিত, যাতে সব দল আগেই প্রার্থী তালিকা দিতে পারে এবং উচ্চকক্ষের জন্য পৃথক ব্যালটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এনপিএর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য বাকীবিল্লাহ, কৌশিক আহমাদ, মীর হুযাইফা আল মামদূহ, শামীম আরা নীপা, কাউসার শাকিলসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির অবশ্যম্ভাবী বিজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে একটি নির্দিষ্ট দল নানা অপপ্রচারে লিপ্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে...
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে বলছি, এত দিন যা করেছেন, করেছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করার পরিকল্পনা থাকে, ফ্যাসিস্ট আমলের নির্বাচন কমিশনের যেই পরিণতি হয়েছিল, তার থেকেও ভয়াবহ পরিণত হবে এই নির্বাচন কমিশনের।’
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে প্রথম দিন ফজর নামাজ পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন দলটির আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সুযোগ পেলে, মহান আল্লাহ ইচ্ছায় জনগণের ভালোবাসায় আমরা সরকার গঠন করলে প্রথম দিনে ফজর নামাজ পড়েই আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন শুরু করব ইনশা আল্লাহ।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারে থাকাকালে বিএনপির অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটির জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতে জনগণের সমর্থনে বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে এবং সে সময় কোনো ক্ষেত্রে ভুলত্রুটি হয়ে থাকতে পারে। সে জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে