পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বিএনপি এখন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসের দলে পরিণত হয়েছে অভিযোগ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটুয়াখালী সার্কিট হাউসের সামনে জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে এক পথসভায় নাহিদ এই আহ্বান জানান।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘বাংলাদেশে মুজিববাদ বিভাজন তৈরি করেছে। মুজিববাদী সংবিধান বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে এগোতে দেয়নি। এখন সেই মুজিববাদের সংবিধান, বাহাত্তরের সংবিধানকে টিকিয়ে রাখতে চাচ্ছে বিএনপি। বিএনপি এখন চাঁদাবাজদের দলে তৈরি হয়েছে, সন্ত্রাসদের দলে তৈরি হয়েছে, মুজিববাদের নতুন পাহারাদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ফলে চাঁদাবাজ ও মুজিববাদের সেই পাহারাদারদেরও প্রতিহত করতে হবে, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হবে।’
এনসিপি অনৈক্য চায় না, বিভাজন চায় না উল্লেখ করে দলটির প্রধান জানান, কিন্তু কোনো শক্তি যদি জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তবে অবশ্যই তাদের সঙ্গে এসসিপির ঐক্য সম্ভব নয়।
নাহিদ বলেন, ‘আমরা পটুয়াখালী থেকে ঘোষণা করতে চাই, যত ষড়যন্ত্র হোক না কেন, আমাদের পদযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’
এই তরুণ নেতা বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা বলেছিলাম মাফিয়া, দুর্নীতিবাজ সিস্টেমের পতন ঘটাতে হবে। কিন্তু আমরা দেখছি, সেই সিস্টেমকে পাহারা দেওয়ার জন্য নতুন দলের আবির্ভাব হয়েছে। সেই সিস্টেম, চাঁদাবাজি-দুর্নীতি আগে একটা দল পাহারা দিত, এখন আরেকটা দল পাহারা দিচ্ছে। সেই সিস্টেম, চাঁদাবাজিকে আরেকটা দিল টিকিয়ে রেখেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, আমরা শুধু হাসিনার পতন নয়, সেই দুর্নীতি ও মাফিয়া সিস্টেমের পতন চেয়েছি। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলীন ও নতুন রাজনীতির বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেই নতুন বন্দোবস্তের প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আমরা এখন নেমেছি।’
ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, ‘অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্র নেতৃত্ব, তরুণ নেতৃত্ব সেই সিস্টেমের পতন ঘটাতে চেয়েছিল। আর সেই সিস্টেম কখনোই চায় না, সেই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব কোনোভাবে দাঁড়াক, রাজনীতিকভাবে টিকে থাকুক। সেই অভ্যুত্থানের সময় থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলমান রয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা সরকার আমাদের বিরুদ্ধে যেভাবে ষড়যন্ত্র চলমান রেখেছিল, এই অভ্যুত্থানের পর সেই একই সিস্টেম—দুর্নীতিবাজ, মাফিয়াদের সিস্টেম, সেই সেনাবাহিনীর আমলাতন্ত্রের সিস্টেম আমাদের বিরুদ্ধে এখনো চলমান রয়েছে। ডিজিএফআই থেকে শুরু করে বাংলাদেশের এস্টাব্লিস্টমেন্টগুলো এই অভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলমান রেখেছে, অভ্যুত্থানের শক্তির বিরুদ্ধে বিভাজন তৈরি করছে। আমরা বলেছিলাম, শত্রু বাংলাদেশের ভেতরে নয়, বাংলাদেশের বাইরে রয়েছে, সেই বাইরের শত্রুর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশের ভেতরেও বিভাজন তৈরি করে রাখা হয়েছে, যাতে আমরা দুর্বল থাকি।’
পটুয়াখালীবাসীর উদ্দেশে নাহিদ বলেন, ‘আপনাদের দ্বারে এসেছি আপনাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনতে, জাতীয় নাগরিক পার্টির স্বপ্নের কথা শোনাতে এবং আগামীর বাংলাদেশ আমরা, আপনারা একসঙ্গে কীভাবে বিনির্মাণ করতে পারি, সেই লক্ষ্যে।’
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, মাহমুদা মিতু, মশিউর রহমান, পটুয়াখালী জেলার প্রধান সমন্বয়কারী জহিরুল ইসলাম মুসা প্রমুখ।
এর আগে বেলা ১১টায় শহরের নিউমার্কেট থেকে জুলাই পদযাত্রা শুরু হয়ে শহরের মূল সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ হৃদয় তরুয়া চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে জেলার শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এনসিপির নেতারা।

বিএনপি এখন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসের দলে পরিণত হয়েছে অভিযোগ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটুয়াখালী সার্কিট হাউসের সামনে জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে এক পথসভায় নাহিদ এই আহ্বান জানান।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘বাংলাদেশে মুজিববাদ বিভাজন তৈরি করেছে। মুজিববাদী সংবিধান বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে এগোতে দেয়নি। এখন সেই মুজিববাদের সংবিধান, বাহাত্তরের সংবিধানকে টিকিয়ে রাখতে চাচ্ছে বিএনপি। বিএনপি এখন চাঁদাবাজদের দলে তৈরি হয়েছে, সন্ত্রাসদের দলে তৈরি হয়েছে, মুজিববাদের নতুন পাহারাদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ফলে চাঁদাবাজ ও মুজিববাদের সেই পাহারাদারদেরও প্রতিহত করতে হবে, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হবে।’
এনসিপি অনৈক্য চায় না, বিভাজন চায় না উল্লেখ করে দলটির প্রধান জানান, কিন্তু কোনো শক্তি যদি জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তবে অবশ্যই তাদের সঙ্গে এসসিপির ঐক্য সম্ভব নয়।
নাহিদ বলেন, ‘আমরা পটুয়াখালী থেকে ঘোষণা করতে চাই, যত ষড়যন্ত্র হোক না কেন, আমাদের পদযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’
এই তরুণ নেতা বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা বলেছিলাম মাফিয়া, দুর্নীতিবাজ সিস্টেমের পতন ঘটাতে হবে। কিন্তু আমরা দেখছি, সেই সিস্টেমকে পাহারা দেওয়ার জন্য নতুন দলের আবির্ভাব হয়েছে। সেই সিস্টেম, চাঁদাবাজি-দুর্নীতি আগে একটা দল পাহারা দিত, এখন আরেকটা দল পাহারা দিচ্ছে। সেই সিস্টেম, চাঁদাবাজিকে আরেকটা দিল টিকিয়ে রেখেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, আমরা শুধু হাসিনার পতন নয়, সেই দুর্নীতি ও মাফিয়া সিস্টেমের পতন চেয়েছি। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলীন ও নতুন রাজনীতির বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেই নতুন বন্দোবস্তের প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আমরা এখন নেমেছি।’
ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, ‘অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্র নেতৃত্ব, তরুণ নেতৃত্ব সেই সিস্টেমের পতন ঘটাতে চেয়েছিল। আর সেই সিস্টেম কখনোই চায় না, সেই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব কোনোভাবে দাঁড়াক, রাজনীতিকভাবে টিকে থাকুক। সেই অভ্যুত্থানের সময় থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলমান রয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা সরকার আমাদের বিরুদ্ধে যেভাবে ষড়যন্ত্র চলমান রেখেছিল, এই অভ্যুত্থানের পর সেই একই সিস্টেম—দুর্নীতিবাজ, মাফিয়াদের সিস্টেম, সেই সেনাবাহিনীর আমলাতন্ত্রের সিস্টেম আমাদের বিরুদ্ধে এখনো চলমান রয়েছে। ডিজিএফআই থেকে শুরু করে বাংলাদেশের এস্টাব্লিস্টমেন্টগুলো এই অভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলমান রেখেছে, অভ্যুত্থানের শক্তির বিরুদ্ধে বিভাজন তৈরি করছে। আমরা বলেছিলাম, শত্রু বাংলাদেশের ভেতরে নয়, বাংলাদেশের বাইরে রয়েছে, সেই বাইরের শত্রুর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশের ভেতরেও বিভাজন তৈরি করে রাখা হয়েছে, যাতে আমরা দুর্বল থাকি।’
পটুয়াখালীবাসীর উদ্দেশে নাহিদ বলেন, ‘আপনাদের দ্বারে এসেছি আপনাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনতে, জাতীয় নাগরিক পার্টির স্বপ্নের কথা শোনাতে এবং আগামীর বাংলাদেশ আমরা, আপনারা একসঙ্গে কীভাবে বিনির্মাণ করতে পারি, সেই লক্ষ্যে।’
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, মাহমুদা মিতু, মশিউর রহমান, পটুয়াখালী জেলার প্রধান সমন্বয়কারী জহিরুল ইসলাম মুসা প্রমুখ।
এর আগে বেলা ১১টায় শহরের নিউমার্কেট থেকে জুলাই পদযাত্রা শুরু হয়ে শহরের মূল সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ হৃদয় তরুয়া চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে জেলার শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এনসিপির নেতারা।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১২ ঘণ্টা আগে