নিজস্ব প্রতিবেদক

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি ছাড়া জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, সেই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মতো ‘ম্যাচিউরড’ সময় এখনো আসেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘পিআর ছাড়া নির্বাচনে যাব কি না, এ প্রশ্ন যদি সামনে আনি, তাহলে আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট। এটা একটা উত্তম পদ্ধতি বলে আমরা মনে করি। জনগণ মনে করছে। জনগণ চাইলে অবশ্যই সরকারকে এটা মানতে হবে। এ জন্য আমরা ইলেকশনে যাব কি না—এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার এখনো ম্যাচিউরড সময় আসে নাই।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল এ বৈঠকে অংশ নেয়।
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর দাবির বিষয়ে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা জনমত তৈরি করে, জনগণের মত হিসেবেই সরকার যেন এটা (পিআর পদ্ধতি) মেনে নেয়, সেই দাবি নিয়ে মাঠে-ময়দানে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে আমরা সরকারের কাছে যেমন বলেছি, জনগণের কাছেও আমরা গিয়েছি। সারা দেশে এটা (পিআর পদ্ধতি) নিয়ে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরেছি। আমরা জনমত তৈরির জন্য চেষ্টা করছি।
‘এখন আপনি বলতে পারেন, এটা সবাই চায় কি না। সবাই সবকিছু নাও চাইতে পারে। ১৯৯৬ সালে সবাই কি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছিল? সবাই চায়নি বলেই আমাদের একটু ঘোলা করে পানি খেতে হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে যদি পানি ঘোলা না হতো, তাহলে তো আমি মনে করি, বাংলাদেশের আজকের ক্রাইসিস (সংকট) তৈরি হতো না। সে সময় সুন্দর পদ্ধতি হলে রাজনীতিটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেত। সেই জায়গায় আমাদের ব্যত্যয় ঘটেছে।’
জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পরে মানুষের মধ্যে নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। মানুষ আসলে আগামী দিনের জন্য একটা সুন্দর পলিটিক্যাল সিস্টেম চায়। সেই জায়গা থেকে আমরা মনে করি, বাংলাদেশের মানুষ এখন পিআরের পক্ষে মত দিচ্ছে। আমরা চাই, সবাই যেন বেস্ট পলিসিটা গ্রহণ করে নেয়। এতে দেশের মঙ্গল।
‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির প্রবর্তক জামায়াত। তৎকালীন আমির প্রফেসর গোলাম আযম এই ফর্মুলা দিয়েছিলেন। এ পদ্ধতিতে কম্পারেটিভলি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল ও দেশের জনগণ মনে করে। ফেয়ার ইলেকশনের ব্যাপারে সব সময় আমরা সিনসিয়ার ছিলাম। এ পদ্ধতিও (পিআর) দেশের জন্য কল্যাণকর হবে বলে আমরা মনে করি। ভোট পচানো রোধ করার একটা পথ পিআর।’

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি ছাড়া জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, সেই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মতো ‘ম্যাচিউরড’ সময় এখনো আসেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘পিআর ছাড়া নির্বাচনে যাব কি না, এ প্রশ্ন যদি সামনে আনি, তাহলে আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট। এটা একটা উত্তম পদ্ধতি বলে আমরা মনে করি। জনগণ মনে করছে। জনগণ চাইলে অবশ্যই সরকারকে এটা মানতে হবে। এ জন্য আমরা ইলেকশনে যাব কি না—এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার এখনো ম্যাচিউরড সময় আসে নাই।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল এ বৈঠকে অংশ নেয়।
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর দাবির বিষয়ে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা জনমত তৈরি করে, জনগণের মত হিসেবেই সরকার যেন এটা (পিআর পদ্ধতি) মেনে নেয়, সেই দাবি নিয়ে মাঠে-ময়দানে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে আমরা সরকারের কাছে যেমন বলেছি, জনগণের কাছেও আমরা গিয়েছি। সারা দেশে এটা (পিআর পদ্ধতি) নিয়ে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরেছি। আমরা জনমত তৈরির জন্য চেষ্টা করছি।
‘এখন আপনি বলতে পারেন, এটা সবাই চায় কি না। সবাই সবকিছু নাও চাইতে পারে। ১৯৯৬ সালে সবাই কি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছিল? সবাই চায়নি বলেই আমাদের একটু ঘোলা করে পানি খেতে হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে যদি পানি ঘোলা না হতো, তাহলে তো আমি মনে করি, বাংলাদেশের আজকের ক্রাইসিস (সংকট) তৈরি হতো না। সে সময় সুন্দর পদ্ধতি হলে রাজনীতিটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেত। সেই জায়গায় আমাদের ব্যত্যয় ঘটেছে।’
জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পরে মানুষের মধ্যে নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। মানুষ আসলে আগামী দিনের জন্য একটা সুন্দর পলিটিক্যাল সিস্টেম চায়। সেই জায়গা থেকে আমরা মনে করি, বাংলাদেশের মানুষ এখন পিআরের পক্ষে মত দিচ্ছে। আমরা চাই, সবাই যেন বেস্ট পলিসিটা গ্রহণ করে নেয়। এতে দেশের মঙ্গল।
‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির প্রবর্তক জামায়াত। তৎকালীন আমির প্রফেসর গোলাম আযম এই ফর্মুলা দিয়েছিলেন। এ পদ্ধতিতে কম্পারেটিভলি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল ও দেশের জনগণ মনে করে। ফেয়ার ইলেকশনের ব্যাপারে সব সময় আমরা সিনসিয়ার ছিলাম। এ পদ্ধতিও (পিআর) দেশের জন্য কল্যাণকর হবে বলে আমরা মনে করি। ভোট পচানো রোধ করার একটা পথ পিআর।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৮ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে