
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কিছু প্রস্তাব মানা রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জিং মন্তব্য করে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেছেন, ‘প্রতিবেদনের কিছু বিষয় রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জিং। সেগুলোতে ঐকমত্য পৌঁছানো খুব দুরূহ ব্যাপার। সেগুলো বিরোধাত্মক অনেকটা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। মৌলিক বিরোধগুলো বাদ রেখে কাছাকাছি ও আংশিক ঐকমত্য আছে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্য পৌঁছানো যাবে, সেগুলো নিয়ে সামনে অগ্রসর হতে হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি। বজলুর রশীদ ফিরোজের সঙ্গে দলটির ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেন।
মানুষের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার বিষয়ে বজলুর রশীদ বলেন, জাতির পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা যেমন ছিল, যেমন চলছে, সেইভাবে বাংলাদেশ চলতে পারে না। নিশ্চয়ই কিছু না কিছু পরিবর্তন সাধন করতে হবে। পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো ও দেশের শাসন কাঠামোর মধ্যে যেমন পরিবর্তন করতে হবে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও তাদের রাজনৈতিক সংগ্রাম, আন্দোলন এবং কর্মকাণ্ডের মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে, মানসিকতার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে সমাজ, জনগোষ্ঠী গ্রহণ করবে না। আমরা মনে করি পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী, পরিবর্তন সম্ভব এবং পরিবর্তন করতে হবে।
রাজনৈতিক ঐকমত্যে জাতীয় সনদ তৈরি আশা ব্যক্ত করে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, জাতীয় সনদে সবার অঙ্গীকারের জায়গায় আসতে পারত। যদিও আমাদের দেশের ইতিহাসে ঐকমত্য, সনদ অনেক তৈরি হয়েছিল। কারণ সংবিধান মেনে গত ৫৪ বছরে কেউ দেশ পরিচালনা করেনি। সংবিধানে অনেক অসম্পূর্ণতা আছে। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর তিন জোটের রূপরেখা দেশ পরিচালনা করার কথা ছিল, সেটিও পরবর্তীতে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতা যাওয়া দলগুলো বাস্তবায়ন করেনি। ছাত্রদের ১০ দফা, শ্রমিকের পাঁচ দফা, কৃষকের ১০ দফা, নারীদের দফা— এগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার ছিল, কিন্তু তা মানেননি। সেই জন্য একটা প্রবাদ আছে— চুন খেয়ে মুখ পুড়ে গেলে, দই দেখলেও ভয় লাগে। এখন অঙ্গীকার যতই করি না, মানসিকতার পরিবর্তন না করলে কতটুকু কার্যকর নিয়ে প্রশ্ন থাকে।
ফিরোজ আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য গণতান্ত্রিক আন্দোলন, মূল্যবোধ ও চেতনা কতটুকু গড়ে তুলতে পারব, তার ওপর নির্ভর করবে রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় গিয়ে বাস্তবায়ন করবে কি, করবে না। সেই জন্য গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতি গুরুত্ব রাখি।
সংস্কার কমিশনগুলো মৌলিক কিছু বিষয় সামনে এনেছে উল্লেখ করে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, সেগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা, মতামত বিনিময়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যেটা বিগত ৫৪ বছরে বাংলাদেশের বিগত দিনে লক্ষ্য করিনি। সকল রাজনৈতিক দলের মতামত জানার চেষ্টা ইতিপূর্বে পরিলক্ষিত হয়নি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এটিই হলো অগ্রগতি।
মত, দ্বিমত, ভিন্নমত থাকাকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। সেটাই গণতন্ত্রের নীতি। আবার মৌলিক কিছু বিষয়ে আমাদের ঐকমত্য লাগবে। সেগুলো দেশ, জাতিকে অগ্রসর করে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

টক শোতে অনেকে ইনিয়ে-বিনিয়ে শেখ হাসিনার সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করছেন। শেখ হাসিনা এত বাহাদুর হলে পালালেন কেন? খালেদা জিয়া তো পালাননি। হাসিনা যে কী নিষ্ঠুর হতে পারে, তা কারাগারে নেতাদের ওপর হাত তোলা না দেখলে বোঝা যাবে না। ফ্যাসিস্ট দলকে ফিরিয়ে আনা যায় না। হিটলারের দল ফিরে আসতে পারেনি...
১০ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জয়পুরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন গোলাম কিবরিয়া তাপস। তিনি সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব বরাবর লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আজ শুক্রবার বিষয়টি তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
১০ ঘণ্টা আগে
সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জেনেভা কনভেনশন, বন্দী বিনিময় আইনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে দিল্লিতে প্রযুক্তিগত সুযোগ-সুবিধাসহ অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ন্যায্য সম্পর্ক চাই।
১৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে প্রত্যেক শহীদ পরিবার ১ কোটি টাকা প্রদানসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
১ দিন আগে