দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৪ ঘোষণা শুরু করেছেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারের ইশতেহারের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ: উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’। দলটির ইশতেহারে ১১টি বিষয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি ইশতেহার ঘোষণা করছেন।
ইশতেহারে মোবাইল সিম ব্যবহারকারীদের সংখ্যা তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০০৬ সালে দেশে সক্রিয় মোবাইল ফোন সিমের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৯০ লাখ, আর এখন ১৮ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার, যা প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় জানান, মোট জনগোষ্ঠীর ইন্টারনেট ব্যবহার শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ থেকে ৭৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে, যা ৩৪২ গুণ বৃদ্ধি।
ডিজিটাল সেবাসংখ্যা (সরকারি সংস্থা কর্তৃক) ৮টি থেকে ৩ হাজার ২০০টি, যা ৪০০ গুণ বৃদ্ধি; ওয়ান স্টপ সেন্টারের সংখ্যা ২টি থেকে ৮ হাজার ৯২৮টি, যা সাড়ে ৪ হাজার গুণ বৃদ্ধি; সরকারি ওয়েবসাইটের সংখ্যা ৯৮টি থেকে ৫২ হাজার ২০০টি, যা ৫৩৩ গুণ বৃদ্ধি; আইসিটি রপ্তানির পরিমাণ ২১ মিলিয়ন ডলার থেকে ১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যা ৯ গুণ বৃদ্ধি; আইটি ফ্রিল্যান্সের সংখ্যা ২০০ থেকে ৬ লাখ ৮০ হাজার , যা সারা বিশ্বে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

রাজশাহীতে জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলনে দলের আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে আপত্তি নেই, তবে তা হতে হবে সমতা, সমমর্যাদা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে। তিনি স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নেতা-কর্মীদের সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জামায়াত নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ছিল সরকারের কাঙ্ক্ষিত ‘সংস্কার প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতার’ বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন উদ্যোগ। তাঁর ভাষায়, ‘নির্বাচনের ফল কী হবে, তা আমরা আগেই জানতাম। তবুও আমরা অংশ নিয়েছি জনগণের সামনে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিনন্দন জানানো হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
আগামী দিনগুলোতে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে ন্যায় ভিত্তি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সাংবিধানিক আমানত যথাযথভাবে রক্ষায় তিনি তার সর্বোচ্চ যোগ্যতা ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবেন বলে আশা রাখি...
২১ ঘণ্টা আগে