নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নেতৃত্ব ভাগ্যের বিষয়। ভাগ্য যখন আসবে তখন এমনি নেতা হওয়া যাবে। জোর করে সামনের কাতারে দাঁড়ালেই নেতা হওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের থানা ও ৮০০ ইউনিটে মোট ৩৬ হাজার নেতা হবেন বলেও জানান তিনি।
আজ রোববার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল মাঠে মোহাম্মদপুর থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সময়েই বলে দেবে, আপনি কখন নেতা হবেন। আমিতো জেলে বসে ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছি। দুই দুইবার সাধারণ সম্পাদক (আওয়ামী লীগের) হয়েছি। ভাগ্যে যা আছে, সেটা আপনি পাবেন। সময়ের আগে কিছুই পাবেন না।’
মিছিলে কর্মীর চেয়েও নেতা বেশি হয়ে যাচ্ছে, তাই মিছিল লম্বায় না বেড়ে প্রস্থে বাড়ছে বলে দাবি করেন কাদের। কাদের বলেন, ‘মিছিলের দিকে তাকাই। এখন মিছিল লম্বার চেয়েও প্রস্থে বড়। লম্বাটা কমে যাচ্ছে, প্রস্থে বেড়ে যাচ্ছে। কারণ হচ্ছে কর্মীরা সবাই নেতা হতে চান আগেভাগে। তার মানে কর্মীরা কর্মী থাকতে চায় না, নেতা হতে চায়।’
ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতায় ৮০০ ইউনিট রয়েছে বলে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘মহানগর কমিটিতে সর্বমোট ৩৬ হাজার নেতা হবেন। আস্তে আস্তে হবেন। ভাগ্যে যখন আসবে, অটোমেটিক্যালি হয়ে যাবেন। জোর করে সামনের কাতারে দাঁড়ালেই নেতা হওয়া যায় না।’
সম্মেলনের মঞ্চ দেখিয়ে কাদের বলেন, যে অবস্থা ঠাঁই নেই। মঞ্চে সবাই উঠতে চায়। চেহারাটা সবাই দেখুক। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য সাদেক খান পেছন থাকে জানান, মঞ্চে সবাই মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের নেতা। তখন কাদের বলেন, ‘তাহলে ঠিক আছে। এটা নিয়মের মধ্যে হয়েছে।’
মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ এম এ সাত্তারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাদেক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা প্রমুখ।

নেতৃত্ব ভাগ্যের বিষয়। ভাগ্য যখন আসবে তখন এমনি নেতা হওয়া যাবে। জোর করে সামনের কাতারে দাঁড়ালেই নেতা হওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের থানা ও ৮০০ ইউনিটে মোট ৩৬ হাজার নেতা হবেন বলেও জানান তিনি।
আজ রোববার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল মাঠে মোহাম্মদপুর থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সময়েই বলে দেবে, আপনি কখন নেতা হবেন। আমিতো জেলে বসে ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছি। দুই দুইবার সাধারণ সম্পাদক (আওয়ামী লীগের) হয়েছি। ভাগ্যে যা আছে, সেটা আপনি পাবেন। সময়ের আগে কিছুই পাবেন না।’
মিছিলে কর্মীর চেয়েও নেতা বেশি হয়ে যাচ্ছে, তাই মিছিল লম্বায় না বেড়ে প্রস্থে বাড়ছে বলে দাবি করেন কাদের। কাদের বলেন, ‘মিছিলের দিকে তাকাই। এখন মিছিল লম্বার চেয়েও প্রস্থে বড়। লম্বাটা কমে যাচ্ছে, প্রস্থে বেড়ে যাচ্ছে। কারণ হচ্ছে কর্মীরা সবাই নেতা হতে চান আগেভাগে। তার মানে কর্মীরা কর্মী থাকতে চায় না, নেতা হতে চায়।’
ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতায় ৮০০ ইউনিট রয়েছে বলে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘মহানগর কমিটিতে সর্বমোট ৩৬ হাজার নেতা হবেন। আস্তে আস্তে হবেন। ভাগ্যে যখন আসবে, অটোমেটিক্যালি হয়ে যাবেন। জোর করে সামনের কাতারে দাঁড়ালেই নেতা হওয়া যায় না।’
সম্মেলনের মঞ্চ দেখিয়ে কাদের বলেন, যে অবস্থা ঠাঁই নেই। মঞ্চে সবাই উঠতে চায়। চেহারাটা সবাই দেখুক। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য সাদেক খান পেছন থাকে জানান, মঞ্চে সবাই মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের নেতা। তখন কাদের বলেন, ‘তাহলে ঠিক আছে। এটা নিয়মের মধ্যে হয়েছে।’
মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ এম এ সাত্তারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাদেক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা প্রমুখ।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৫ ঘণ্টা আগে