নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ এই পিআর সিস্টেম বোঝে না। তাই এমন কোনো আচরণ করা উচিত নয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে এবং দেশের অস্তিত্বের জন্য মহাবিপদ ডেকে আনে।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ আয়োজিত ‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিশ্চিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জাহিদ হোসেন প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আপনারা যদি বলেন, পিআর সিস্টেম না হলে নির্বাচনে যাবেন না, তাহলে ভেবে দেখুন, যদি নির্বাচন প্রলম্বিত বা বিলম্বিত হয়, তাহলে লাভ কার হবে? লাভ হবে সেই সুবিধাভোগীদের, যারা দেশে-বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করছে। যারা বুঝে না বুঝে এই দাবি তুলে নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চান, তারা কি প্রকারান্তরে স্বৈরাচারের পক্ষে কাজ করছেন না?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, দয়া করে রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়ে মোকাবিলা করুন। গায়ের জোরে কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। গায়ের জোর যদি ন্যায়ের জন্য ব্যবহার করেন, মানুষ সাধুবাদ জানাবে। কিন্তু যদি অন্যায়ের জন্য ব্যবহার করেন, মানুষ আপনাকে উগ্রপন্থী বলবে। কথা বলার অধিকার আছে, কিন্তু কথা শোনার মানসিকতাও থাকতে হবে। তা না হলে এই দেশে গণতন্ত্র হবে না। আর গণতন্ত্র না হলে মানবাধিকারও থাকবে না। এই গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে জনগণকে তার ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিতে হবে।’
জাহিদ হোসেন বলেন, ‘যাঁরা আজকে দেশের সংস্কার নিয়ে কথা বলেন, তাঁদের বোঝা উচিত, এই সংস্কারের সূচনা বিএনপিই করেছিল, তাঁরা নয়। তাঁদের কোনো ট্র্যাক রেকর্ড নেই যে তাঁরা কোনো সংস্কার জীবনে কখনো করতে পেরেছে। বিএনপি সব সময় মানুষের পাশে থাকে, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে এবং তাঁদের মৌলিক অধিকার ও সুশাসন নিয়ে চিন্তা করে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বদিউল আলম মজুমদারের মুখ থেকে কথা বেরিয়েছে। যার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ এবং সাধুবাদ জানাই যে তিনি বুঝতে পেরেছেন। তিনিও বলেছেন, পিআর পদ্ধতি হলে সত্যিকার অর্থে দেশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে।’
এ আলোচনা সভায় আরও ছিলেন— বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এড. এ এম শওকতুল হক ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ এই পিআর সিস্টেম বোঝে না। তাই এমন কোনো আচরণ করা উচিত নয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে এবং দেশের অস্তিত্বের জন্য মহাবিপদ ডেকে আনে।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ আয়োজিত ‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিশ্চিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জাহিদ হোসেন প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আপনারা যদি বলেন, পিআর সিস্টেম না হলে নির্বাচনে যাবেন না, তাহলে ভেবে দেখুন, যদি নির্বাচন প্রলম্বিত বা বিলম্বিত হয়, তাহলে লাভ কার হবে? লাভ হবে সেই সুবিধাভোগীদের, যারা দেশে-বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করছে। যারা বুঝে না বুঝে এই দাবি তুলে নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চান, তারা কি প্রকারান্তরে স্বৈরাচারের পক্ষে কাজ করছেন না?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, দয়া করে রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়ে মোকাবিলা করুন। গায়ের জোরে কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। গায়ের জোর যদি ন্যায়ের জন্য ব্যবহার করেন, মানুষ সাধুবাদ জানাবে। কিন্তু যদি অন্যায়ের জন্য ব্যবহার করেন, মানুষ আপনাকে উগ্রপন্থী বলবে। কথা বলার অধিকার আছে, কিন্তু কথা শোনার মানসিকতাও থাকতে হবে। তা না হলে এই দেশে গণতন্ত্র হবে না। আর গণতন্ত্র না হলে মানবাধিকারও থাকবে না। এই গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে জনগণকে তার ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিতে হবে।’
জাহিদ হোসেন বলেন, ‘যাঁরা আজকে দেশের সংস্কার নিয়ে কথা বলেন, তাঁদের বোঝা উচিত, এই সংস্কারের সূচনা বিএনপিই করেছিল, তাঁরা নয়। তাঁদের কোনো ট্র্যাক রেকর্ড নেই যে তাঁরা কোনো সংস্কার জীবনে কখনো করতে পেরেছে। বিএনপি সব সময় মানুষের পাশে থাকে, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে এবং তাঁদের মৌলিক অধিকার ও সুশাসন নিয়ে চিন্তা করে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বদিউল আলম মজুমদারের মুখ থেকে কথা বেরিয়েছে। যার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ এবং সাধুবাদ জানাই যে তিনি বুঝতে পেরেছেন। তিনিও বলেছেন, পিআর পদ্ধতি হলে সত্যিকার অর্থে দেশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে।’
এ আলোচনা সভায় আরও ছিলেন— বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এড. এ এম শওকতুল হক ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে