নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর শিক্ষা খাত, ব্যবসা খাত, বিচার বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থায় কোনো ধরনের সংস্কার উদ্যোগ না নেওয়ার কড়া সমালোচনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। প্ল্যাটফর্মটির সদস্যরা বলছেন, এসব উদ্যোগের অভাবই দেশের বর্তমান সংকটের মূল উৎস।
আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তাঁরা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
আলোচনা সভায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের সূচনা, সেই শিক্ষা খাতে আজ পর্যন্ত কোনো সংস্কার কমিশনই গঠিত হয়নি। রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বললে এখন সেটা বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা হিসেবে তুলে ধরা হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমলাতন্ত্র সংস্কারের নামে লোক দেখানো কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও ব্যবসা খাত, গোয়েন্দা সংস্থা বা সেনাবাহিনী—এই শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার নিয়ে কোনো সংলাপই নেই। অথচ এই খাতগুলোই রাষ্ট্রক্ষমতার পেছনের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক অভিযোগ করে বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার অতি ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপে পড়ে কার্যত আত্মসমর্পণ করেছে। সকালে এক কথা, বিকেলে আরেক কথা বলছে সরকার। কারণ, তাদের নীতিগত অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।’
আদিবাসীদের অধিকার এবং পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর আধিপত্য নিয়েও এ সময় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করা সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত সদস্যরা দেশে মানবাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সভায় সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘বিচার বিভাগ এখনো রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার পচন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি ঠিক না করলে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে না।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ, আমরা এখনো সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথ পাইনি।’
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি: গণতান্ত্রিক রূপান্তরে ঝুঁকি ও সম্ভাবনা’ এবং ‘সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর শিক্ষা খাত, ব্যবসা খাত, বিচার বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থায় কোনো ধরনের সংস্কার উদ্যোগ না নেওয়ার কড়া সমালোচনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। প্ল্যাটফর্মটির সদস্যরা বলছেন, এসব উদ্যোগের অভাবই দেশের বর্তমান সংকটের মূল উৎস।
আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তাঁরা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
আলোচনা সভায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের সূচনা, সেই শিক্ষা খাতে আজ পর্যন্ত কোনো সংস্কার কমিশনই গঠিত হয়নি। রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বললে এখন সেটা বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা হিসেবে তুলে ধরা হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমলাতন্ত্র সংস্কারের নামে লোক দেখানো কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও ব্যবসা খাত, গোয়েন্দা সংস্থা বা সেনাবাহিনী—এই শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার নিয়ে কোনো সংলাপই নেই। অথচ এই খাতগুলোই রাষ্ট্রক্ষমতার পেছনের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক অভিযোগ করে বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার অতি ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপে পড়ে কার্যত আত্মসমর্পণ করেছে। সকালে এক কথা, বিকেলে আরেক কথা বলছে সরকার। কারণ, তাদের নীতিগত অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।’
আদিবাসীদের অধিকার এবং পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর আধিপত্য নিয়েও এ সময় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করা সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত সদস্যরা দেশে মানবাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সভায় সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘বিচার বিভাগ এখনো রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার পচন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি ঠিক না করলে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে না।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ, আমরা এখনো সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথ পাইনি।’
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি: গণতান্ত্রিক রূপান্তরে ঝুঁকি ও সম্ভাবনা’ এবং ‘সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর শিক্ষা খাত, ব্যবসা খাত, বিচার বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থায় কোনো ধরনের সংস্কার উদ্যোগ না নেওয়ার কড়া সমালোচনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। প্ল্যাটফর্মটির সদস্যরা বলছেন, এসব উদ্যোগের অভাবই দেশের বর্তমান সংকটের মূল উৎস।
আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তাঁরা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
আলোচনা সভায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের সূচনা, সেই শিক্ষা খাতে আজ পর্যন্ত কোনো সংস্কার কমিশনই গঠিত হয়নি। রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বললে এখন সেটা বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা হিসেবে তুলে ধরা হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমলাতন্ত্র সংস্কারের নামে লোক দেখানো কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও ব্যবসা খাত, গোয়েন্দা সংস্থা বা সেনাবাহিনী—এই শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার নিয়ে কোনো সংলাপই নেই। অথচ এই খাতগুলোই রাষ্ট্রক্ষমতার পেছনের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক অভিযোগ করে বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার অতি ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপে পড়ে কার্যত আত্মসমর্পণ করেছে। সকালে এক কথা, বিকেলে আরেক কথা বলছে সরকার। কারণ, তাদের নীতিগত অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।’
আদিবাসীদের অধিকার এবং পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর আধিপত্য নিয়েও এ সময় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করা সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত সদস্যরা দেশে মানবাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সভায় সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘বিচার বিভাগ এখনো রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার পচন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি ঠিক না করলে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে না।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ, আমরা এখনো সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথ পাইনি।’
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি: গণতান্ত্রিক রূপান্তরে ঝুঁকি ও সম্ভাবনা’ এবং ‘সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর শিক্ষা খাত, ব্যবসা খাত, বিচার বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থায় কোনো ধরনের সংস্কার উদ্যোগ না নেওয়ার কড়া সমালোচনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। প্ল্যাটফর্মটির সদস্যরা বলছেন, এসব উদ্যোগের অভাবই দেশের বর্তমান সংকটের মূল উৎস।
আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তাঁরা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
আলোচনা সভায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের সূচনা, সেই শিক্ষা খাতে আজ পর্যন্ত কোনো সংস্কার কমিশনই গঠিত হয়নি। রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বললে এখন সেটা বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা হিসেবে তুলে ধরা হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমলাতন্ত্র সংস্কারের নামে লোক দেখানো কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও ব্যবসা খাত, গোয়েন্দা সংস্থা বা সেনাবাহিনী—এই শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার নিয়ে কোনো সংলাপই নেই। অথচ এই খাতগুলোই রাষ্ট্রক্ষমতার পেছনের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক অভিযোগ করে বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার অতি ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপে পড়ে কার্যত আত্মসমর্পণ করেছে। সকালে এক কথা, বিকেলে আরেক কথা বলছে সরকার। কারণ, তাদের নীতিগত অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।’
আদিবাসীদের অধিকার এবং পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর আধিপত্য নিয়েও এ সময় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করা সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত সদস্যরা দেশে মানবাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সভায় সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘বিচার বিভাগ এখনো রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার পচন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি ঠিক না করলে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে না।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ, আমরা এখনো সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথ পাইনি।’
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি: গণতান্ত্রিক রূপান্তরে ঝুঁকি ও সম্ভাবনা’ এবং ‘সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া। হলফনামা অনুযায়ী, আইন পেশা ও টেলিভিশনে টকশো করে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজধানীর পল্লবী থানা...
৬ ঘণ্টা আগে
একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি দাবি করেছেন, এই খুনের সঙ্গে একটা পুরো চক্র এবং রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত। এই অভিযোগপত্র তাঁরা মানেন না।
৭ ঘণ্টা আগে
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় তিন পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৮ ঘণ্টা আগেমুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া। হলফনামা অনুযায়ী, আইন পেশা ও টেলিভিশনে টকশো করে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
বরিশালের এই আসনে ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও মনোয়নপত্র দাখিল করেন ৯ প্রার্থী। এর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীর তালিকায় আসাদুজ্জামান ভুইয়াও আছেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এই আসনে নির্বাচন করবেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি ব্যারিস্টার ফুয়াদ নামেই পরিচিত। নির্বাচনী প্রচারের জন্য তিনি তহবিল সংগ্রহ করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে।
গত সোমবার রাত পর্যন্ত তাঁর তহবিলে ২২ লাখ টাকা সংগ্রহ হয়েছে বলে নিজেই ফেসবুকে জানিয়েছেন। হলফনামা অনুযায়ী, ফুয়াদের আয়ের অন্যতম উৎস টকশো ও আইন পেশা। আইন পেশায় বার্ষিক সম্মানী পান ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং টেলিভিশনে টকশো করে সম্মানী পান ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া শেয়ার বন্ড ও ব্যাংক জমা থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৫ হাজার ৬০২ টাকা।
এর বাইরে ব্যারিস্টার ফুয়াদের কোনো আয় নেই বলেও তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদের নিজের নগদ ২ লাখ টাকা ও স্ত্রীর ৫০ হাজার টাকা রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া ব্যাংকে ফুয়াদের নামে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ও স্ত্রীর ১৮ হাজার টাকা সঞ্চয় রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া। হলফনামা অনুযায়ী, আইন পেশা ও টেলিভিশনে টকশো করে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
বরিশালের এই আসনে ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও মনোয়নপত্র দাখিল করেন ৯ প্রার্থী। এর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীর তালিকায় আসাদুজ্জামান ভুইয়াও আছেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এই আসনে নির্বাচন করবেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি ব্যারিস্টার ফুয়াদ নামেই পরিচিত। নির্বাচনী প্রচারের জন্য তিনি তহবিল সংগ্রহ করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে।
গত সোমবার রাত পর্যন্ত তাঁর তহবিলে ২২ লাখ টাকা সংগ্রহ হয়েছে বলে নিজেই ফেসবুকে জানিয়েছেন। হলফনামা অনুযায়ী, ফুয়াদের আয়ের অন্যতম উৎস টকশো ও আইন পেশা। আইন পেশায় বার্ষিক সম্মানী পান ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং টেলিভিশনে টকশো করে সম্মানী পান ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া শেয়ার বন্ড ও ব্যাংক জমা থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৫ হাজার ৬০২ টাকা।
এর বাইরে ব্যারিস্টার ফুয়াদের কোনো আয় নেই বলেও তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদের নিজের নগদ ২ লাখ টাকা ও স্ত্রীর ৫০ হাজার টাকা রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া ব্যাংকে ফুয়াদের নামে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ও স্ত্রীর ১৮ হাজার টাকা সঞ্চয় রয়েছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের সূচনা, সেই শিক্ষা খাতে আজ পর্যন্ত কোনো সংস্কার কমিশনই গঠিত হয়নি। রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বললে এখন সেটা বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা হিসেবে তুলে ধরা হয়।’
১৯ জুলাই ২০২৫
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজধানীর পল্লবী থানা...
৬ ঘণ্টা আগে
একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি দাবি করেছেন, এই খুনের সঙ্গে একটা পুরো চক্র এবং রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত। এই অভিযোগপত্র তাঁরা মানেন না।
৭ ঘণ্টা আগে
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় তিন পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৮ ঘণ্টা আগেআদালতে অভিযোগপত্র
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজধানীর পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর (৪৩) সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
এই মামলার তদন্ত শেষে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ (৩৭), তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। বাপ্পী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। ফয়সাল, হত্যার সময় মোটরসাইকেল চালানো আলমগীর শেখ, বাপ্পীসহ অন্য ৬ জন পলাতক।
ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে তিনি ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে যাওয়ার সময় পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে। মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।
ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় প্রথমে হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর পর এটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হয়। মামলার তদন্ত করে ডিবি পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে যে ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁরা হলেন প্রধান আসামি ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০), মা হাসি বেগম (৬০), স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া (২৪), শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু (২৭), বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা (২১), মো. কবির (৩৩), মো. নুরুজ্জামান ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ থাকা সিবিয়ন দিউ (৩২), সঞ্জয় চিসিম (২৩), মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু (৩৭) ও হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল (২৫)।
পলাতক ৬ জন হলেন হত্যায় অংশ নেওয়া ফয়সাল করিম (৩৭) ও মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ (২৬), মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল (৩২), মুক্তি মাহমুদ (৫১) ও জেসমিন আক্তার (৪২)।
পুলিশ ইতিমধ্যে জানিয়েছে, প্রধান আসামি ফয়সাল ও আলমগীর শেখ ১২ ডিসেম্বর রাতে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। তাঁদের ভারতে পালাতে সহায়তা করেছেন সীমান্তপথে মানব পাচারে জড়িত ফিলিপ স্নাল, তাঁর সহযোগী সিবিয়ন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিওতে ফয়সাল দাবি করেন, তিনি ভারতে নয়, দুবাইয়ে আছেন। পুলিশ বলেছে, ওই ভিডিওটি যাচাই করে দেখা হচ্ছে।
অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পরপরই বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিগত সময়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনামূলক জোরালো বক্তব্য দিতেন। এতে ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হন।
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ওসমান হাদিকে গুলি করা এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ফয়সাল করিম এবং তাঁর প্রধান সহযোগী মো. আলমগীর হোসেনকে পালানোর বিষয়ে সার্বিক সহায়তাকারী এবং তদন্তে পাওয়া তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ডিএনসিসির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর ছিলেন। আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং শহীদ হাদির পূর্ববর্তী বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্য থেকে এটি পরিষ্কার, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ডিবিপ্রধান জানান, গ্রেপ্তার আসামি ও সাক্ষীদের জবানবন্দি, সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ, উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর ফরেনসিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও সার্বিক তদন্ত শেষে ঘটনার সঙ্গে পলাতক ফয়সাল করিম, আলমগীর হোসেনসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই মামলায় নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে বা অন্য কারও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।
মামলার তদন্তকালে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের ব্যালিস্টিক পরীক্ষার প্রতিবেদন ‘পজিটিভ’ এসেছে বলে জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
প্রধান আসামি ফয়সালের স্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নরসিংদী সদরের তরুয়া বিল থেকে ফয়সাল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। তাঁর দেখানো মতে, তরুয়া বিল থেকে হাদি হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা কি বাপ্পী? জবাবে ডিবিপ্রধান বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বাপ্পীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ওসমান হাদি নতুন ধরনের এক রাজনীতি শুরু করেছিলেন এবং তাঁর বক্তৃতার মাধ্যমে পতিত সরকার, আওয়ামী লীগ বা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এসব সমালোচনার কারণেই ফয়সালকে দিয়ে হাদিকে হত্যা করানো হয়। এই মামলার আসামি এবং গুলিবর্ষণকারী হিসেবে চিহ্নিত ফয়সাল করিম ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও তাঁর সহযোগী আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী। তবে এই তিনজনের কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাঁরা পলাতক।
প্রধান আসামি ফয়সাল সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই ভিডিও বার্তায় আরও দাবি করেন, ওসমান হাদি হত্যা মামলায় তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে ফাঁসানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিবিপ্রধান বলেন, ‘ফয়সালের ওই ভিডিও বার্তা পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হয়েই আমরা অভিযোগপত্র দিয়েছি। ভিডিও বার্তাটি ঠিক আছে, কিন্তু অবস্থানটা ঠিক নয়। ফয়সাল দুবাইয়ে থাকার যে দাবি করেছেন, তা করতেই পারেন। আমরা তাঁকে পলাতক হিসেবে ধরে নিচ্ছি। তাঁর ভারতে থাকার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ আছে।’
ফয়সাল করিম ও আলমগীরকে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে যে বক্তব্য ডিএমপি এর আগে দিয়েছিল, তা সঠিক বলেও জানান শফিকুল ইসলাম।
অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আজ বুধবার এই অভিযোগপত্র দেওয়া হবে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন। এর এক দিন আগেই গতকাল অভিযোগপত্র দেওয়া হলো। হাদিকে গুলি করার ২৫ দিনের মাথায় অভিযোগপত্র দিল ডিবি পুলিশ।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজধানীর পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর (৪৩) সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
এই মামলার তদন্ত শেষে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ (৩৭), তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। বাপ্পী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। ফয়সাল, হত্যার সময় মোটরসাইকেল চালানো আলমগীর শেখ, বাপ্পীসহ অন্য ৬ জন পলাতক।
ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে তিনি ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে যাওয়ার সময় পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে। মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।
ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় প্রথমে হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর পর এটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হয়। মামলার তদন্ত করে ডিবি পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে যে ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁরা হলেন প্রধান আসামি ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০), মা হাসি বেগম (৬০), স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া (২৪), শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু (২৭), বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা (২১), মো. কবির (৩৩), মো. নুরুজ্জামান ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ থাকা সিবিয়ন দিউ (৩২), সঞ্জয় চিসিম (২৩), মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু (৩৭) ও হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল (২৫)।
পলাতক ৬ জন হলেন হত্যায় অংশ নেওয়া ফয়সাল করিম (৩৭) ও মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ (২৬), মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল (৩২), মুক্তি মাহমুদ (৫১) ও জেসমিন আক্তার (৪২)।
পুলিশ ইতিমধ্যে জানিয়েছে, প্রধান আসামি ফয়সাল ও আলমগীর শেখ ১২ ডিসেম্বর রাতে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। তাঁদের ভারতে পালাতে সহায়তা করেছেন সীমান্তপথে মানব পাচারে জড়িত ফিলিপ স্নাল, তাঁর সহযোগী সিবিয়ন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিওতে ফয়সাল দাবি করেন, তিনি ভারতে নয়, দুবাইয়ে আছেন। পুলিশ বলেছে, ওই ভিডিওটি যাচাই করে দেখা হচ্ছে।
অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পরপরই বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিগত সময়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনামূলক জোরালো বক্তব্য দিতেন। এতে ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হন।
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ওসমান হাদিকে গুলি করা এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ফয়সাল করিম এবং তাঁর প্রধান সহযোগী মো. আলমগীর হোসেনকে পালানোর বিষয়ে সার্বিক সহায়তাকারী এবং তদন্তে পাওয়া তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ডিএনসিসির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর ছিলেন। আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং শহীদ হাদির পূর্ববর্তী বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্য থেকে এটি পরিষ্কার, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ডিবিপ্রধান জানান, গ্রেপ্তার আসামি ও সাক্ষীদের জবানবন্দি, সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ, উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর ফরেনসিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও সার্বিক তদন্ত শেষে ঘটনার সঙ্গে পলাতক ফয়সাল করিম, আলমগীর হোসেনসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই মামলায় নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে বা অন্য কারও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।
মামলার তদন্তকালে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের ব্যালিস্টিক পরীক্ষার প্রতিবেদন ‘পজিটিভ’ এসেছে বলে জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
প্রধান আসামি ফয়সালের স্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নরসিংদী সদরের তরুয়া বিল থেকে ফয়সাল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। তাঁর দেখানো মতে, তরুয়া বিল থেকে হাদি হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা কি বাপ্পী? জবাবে ডিবিপ্রধান বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বাপ্পীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ওসমান হাদি নতুন ধরনের এক রাজনীতি শুরু করেছিলেন এবং তাঁর বক্তৃতার মাধ্যমে পতিত সরকার, আওয়ামী লীগ বা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এসব সমালোচনার কারণেই ফয়সালকে দিয়ে হাদিকে হত্যা করানো হয়। এই মামলার আসামি এবং গুলিবর্ষণকারী হিসেবে চিহ্নিত ফয়সাল করিম ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও তাঁর সহযোগী আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী। তবে এই তিনজনের কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাঁরা পলাতক।
প্রধান আসামি ফয়সাল সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই ভিডিও বার্তায় আরও দাবি করেন, ওসমান হাদি হত্যা মামলায় তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে ফাঁসানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিবিপ্রধান বলেন, ‘ফয়সালের ওই ভিডিও বার্তা পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হয়েই আমরা অভিযোগপত্র দিয়েছি। ভিডিও বার্তাটি ঠিক আছে, কিন্তু অবস্থানটা ঠিক নয়। ফয়সাল দুবাইয়ে থাকার যে দাবি করেছেন, তা করতেই পারেন। আমরা তাঁকে পলাতক হিসেবে ধরে নিচ্ছি। তাঁর ভারতে থাকার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ আছে।’
ফয়সাল করিম ও আলমগীরকে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে যে বক্তব্য ডিএমপি এর আগে দিয়েছিল, তা সঠিক বলেও জানান শফিকুল ইসলাম।
অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আজ বুধবার এই অভিযোগপত্র দেওয়া হবে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন। এর এক দিন আগেই গতকাল অভিযোগপত্র দেওয়া হলো। হাদিকে গুলি করার ২৫ দিনের মাথায় অভিযোগপত্র দিল ডিবি পুলিশ।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের সূচনা, সেই শিক্ষা খাতে আজ পর্যন্ত কোনো সংস্কার কমিশনই গঠিত হয়নি। রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বললে এখন সেটা বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা হিসেবে তুলে ধরা হয়।’
১৯ জুলাই ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া। হলফনামা অনুযায়ী, আইন পেশা ও টেলিভিশনে টকশো করে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি দাবি করেছেন, এই খুনের সঙ্গে একটা পুরো চক্র এবং রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত। এই অভিযোগপত্র তাঁরা মানেন না।
৭ ঘণ্টা আগে
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় তিন পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৮ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি দাবি করেছেন, এই খুনের সঙ্গে একটা পুরো চক্র এবং রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত। এই অভিযোগপত্র তাঁরা মানেন না।
অভিযোগপত্রের বিষয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব বলেন, ‘সরকার বলেছে যে, একজন ওয়ার্ড কমিশনার নাকি ওসমান হাদিকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছে। যার বদৌলতে ফয়সাল করিম মাসুদ খুন করেছে। এটা তো পাগলেও বিশ্বাস করবে না। ওসমান হাদিকে খুনের সঙ্গে একটা পুরো খুনের চক্র জড়িত রয়েছে। এই খুনের পেছনে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত রয়েছে। তাদের বিচারের মুখোমুখি না করা পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই থামবে না। যেই চার্জশিটে তাদের নাম নেই, সেই চার্জশিট মানি না।’
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি শেষে আবদুল্লাহ আল জাবের এ মন্তব্য করেন।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ থেকে হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিবিপ্রধান ও ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, শরিফ ওসমান বিন হাদি নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করেছিলেন। সেই রাজনীতির কারণেই তাঁকে হত্যা করা হয়।
আর এই হত্যাকাণ্ডে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তিনি হাদি হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ফয়সাল ও তাঁর সহযোগী আলমগীরের পলায়নে ‘সার্বিক সহায়তাকারী’ ছিলেন।

একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি দাবি করেছেন, এই খুনের সঙ্গে একটা পুরো চক্র এবং রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত। এই অভিযোগপত্র তাঁরা মানেন না।
অভিযোগপত্রের বিষয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব বলেন, ‘সরকার বলেছে যে, একজন ওয়ার্ড কমিশনার নাকি ওসমান হাদিকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছে। যার বদৌলতে ফয়সাল করিম মাসুদ খুন করেছে। এটা তো পাগলেও বিশ্বাস করবে না। ওসমান হাদিকে খুনের সঙ্গে একটা পুরো খুনের চক্র জড়িত রয়েছে। এই খুনের পেছনে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত রয়েছে। তাদের বিচারের মুখোমুখি না করা পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই থামবে না। যেই চার্জশিটে তাদের নাম নেই, সেই চার্জশিট মানি না।’
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি শেষে আবদুল্লাহ আল জাবের এ মন্তব্য করেন।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ থেকে হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিবিপ্রধান ও ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, শরিফ ওসমান বিন হাদি নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করেছিলেন। সেই রাজনীতির কারণেই তাঁকে হত্যা করা হয়।
আর এই হত্যাকাণ্ডে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তিনি হাদি হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ফয়সাল ও তাঁর সহযোগী আলমগীরের পলায়নে ‘সার্বিক সহায়তাকারী’ ছিলেন।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের সূচনা, সেই শিক্ষা খাতে আজ পর্যন্ত কোনো সংস্কার কমিশনই গঠিত হয়নি। রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বললে এখন সেটা বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা হিসেবে তুলে ধরা হয়।’
১৯ জুলাই ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া। হলফনামা অনুযায়ী, আইন পেশা ও টেলিভিশনে টকশো করে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজধানীর পল্লবী থানা...
৬ ঘণ্টা আগে
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় তিন পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৮ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় তিন পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ‘সংশিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা টিমের পরিচালক (নিরাপত্তা) হিসেবে মেজর (অব.) মোহাম্মদ শাফাওয়াত উল্লাহ, পরিচালক (প্রটোকল) হিসেবে মেজর (অব.) মইনুল হোসেন এবং পরিচালক (সমন্বয়) হিসেবে ক্যাপ্টেন (অব.) মো: গণী উল আজমকে নিযুক্ত করা হয়েছে।’
গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় তিন পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ‘সংশিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা টিমের পরিচালক (নিরাপত্তা) হিসেবে মেজর (অব.) মোহাম্মদ শাফাওয়াত উল্লাহ, পরিচালক (প্রটোকল) হিসেবে মেজর (অব.) মইনুল হোসেন এবং পরিচালক (সমন্বয়) হিসেবে ক্যাপ্টেন (অব.) মো: গণী উল আজমকে নিযুক্ত করা হয়েছে।’
গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের সূচনা, সেই শিক্ষা খাতে আজ পর্যন্ত কোনো সংস্কার কমিশনই গঠিত হয়নি। রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বললে এখন সেটা বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা হিসেবে তুলে ধরা হয়।’
১৯ জুলাই ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া। হলফনামা অনুযায়ী, আইন পেশা ও টেলিভিশনে টকশো করে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজধানীর পল্লবী থানা...
৬ ঘণ্টা আগে
একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি দাবি করেছেন, এই খুনের সঙ্গে একটা পুরো চক্র এবং রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত। এই অভিযোগপত্র তাঁরা মানেন না।
৭ ঘণ্টা আগে