নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেছে পাঁচটি রাজনৈতিক দল। আজ রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের হাতে আবেদনটি জমা দেন দলগুলোর নেতারা।
কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বে ন্যাশনাল পিপল পার্টির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদনটি জমা দেন।
মুহাম্মদ ইবরাহিম সাংবাদিকদের বলেন, `খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর আবেদন নিয়ে এসেছিলাম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনোযোগসহকারে আমাদের কথাগুলো শুনেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদনটি পৌঁছাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।'
‘খালেদা জিয়া এত বেশি অসুস্থ যে দেশে চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁর সুস্থ হওয়ার সম্বাবনা কম। রাজনীতির সব ধরনের মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে, রাজনীতির অতীতের ভুলভ্রান্তি ভুলে গিয়ে একান্তভাবে মানবিকতার দৃষ্টান্তস্বরূপ, সহমর্মিতা প্রদর্শন করে সরকার যেন খালেদো জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, তিনি অনুমতি দিলে সরকার, পরিবার ও তাঁর দল বন্দোবস্ত করে বিদেশে পাঠাবে। এই কাজটি করা হলে বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিকতার উদাহরণ ও সৈজন্যবোধের দৃষ্টান্ত হিসেবে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ থাকবে।’
খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে পাঁচটি দলের পক্ষ থেকে যে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে কোনো ভুলত্রুটি বা সেটি উপস্থাপনে ভুল থাকলে সেটাকে উপেক্ষা করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবরাহিম। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু কাজটি চাই।’
আবেদনে কোনো রেফারেন্স দেওয়া হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নে ইব্রাহিম বলেন, ‘আমরা বলেছি, কোনো রেফারেন্স, কোনো আইন, কোনো দৃষ্টান্তের প্রয়োজন নেই। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) এককভাবে সেই সিদ্ধান্ত নিন। কারণ আপনি সিদ্ধান্ত নিয়ে এরই মধ্যে শুভেচ্ছা প্রদর্শন করেছেন। তিনি জেলখানার বাইরে এসে নিজের গৃহে আছেন। আপনার শুভেচ্ছাটা আরেক ধাপ বাড়িয়ে দিলে তিনি বিদেশে যেতে পারেন।’
খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে পাঁচটি রাজনৈতিক দল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যে আবেদন দিয়েছেন, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা তা অবহিত আছেন বলে জানান ইবরাহিম। তবে বিএনপি এই আবেদন নিয়ে আসবে কি না, তা তিনি জানেন না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘মানবিক কারণে আবেদন দিয়েছেন। আবেদনটি প্রসেস করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দেব।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেছে পাঁচটি রাজনৈতিক দল। আজ রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের হাতে আবেদনটি জমা দেন দলগুলোর নেতারা।
কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বে ন্যাশনাল পিপল পার্টির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদনটি জমা দেন।
মুহাম্মদ ইবরাহিম সাংবাদিকদের বলেন, `খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর আবেদন নিয়ে এসেছিলাম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনোযোগসহকারে আমাদের কথাগুলো শুনেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদনটি পৌঁছাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।'
‘খালেদা জিয়া এত বেশি অসুস্থ যে দেশে চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁর সুস্থ হওয়ার সম্বাবনা কম। রাজনীতির সব ধরনের মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে, রাজনীতির অতীতের ভুলভ্রান্তি ভুলে গিয়ে একান্তভাবে মানবিকতার দৃষ্টান্তস্বরূপ, সহমর্মিতা প্রদর্শন করে সরকার যেন খালেদো জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, তিনি অনুমতি দিলে সরকার, পরিবার ও তাঁর দল বন্দোবস্ত করে বিদেশে পাঠাবে। এই কাজটি করা হলে বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিকতার উদাহরণ ও সৈজন্যবোধের দৃষ্টান্ত হিসেবে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ থাকবে।’
খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে পাঁচটি দলের পক্ষ থেকে যে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে কোনো ভুলত্রুটি বা সেটি উপস্থাপনে ভুল থাকলে সেটাকে উপেক্ষা করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবরাহিম। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু কাজটি চাই।’
আবেদনে কোনো রেফারেন্স দেওয়া হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নে ইব্রাহিম বলেন, ‘আমরা বলেছি, কোনো রেফারেন্স, কোনো আইন, কোনো দৃষ্টান্তের প্রয়োজন নেই। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) এককভাবে সেই সিদ্ধান্ত নিন। কারণ আপনি সিদ্ধান্ত নিয়ে এরই মধ্যে শুভেচ্ছা প্রদর্শন করেছেন। তিনি জেলখানার বাইরে এসে নিজের গৃহে আছেন। আপনার শুভেচ্ছাটা আরেক ধাপ বাড়িয়ে দিলে তিনি বিদেশে যেতে পারেন।’
খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে পাঁচটি রাজনৈতিক দল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যে আবেদন দিয়েছেন, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা তা অবহিত আছেন বলে জানান ইবরাহিম। তবে বিএনপি এই আবেদন নিয়ে আসবে কি না, তা তিনি জানেন না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘মানবিক কারণে আবেদন দিয়েছেন। আবেদনটি প্রসেস করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দেব।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৮ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৯ ঘণ্টা আগে