নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে আগামীকাল শুক্রবার ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ-মিছিল করবে ইসলামী দলগুলো। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ সাতটি ইসলামী দলের চলমান যুগপৎ আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্বের অংশ হিসেবে পালন করা হবে এ কর্মসূচি।
গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতে ইসলামী জানায়, দ্বিতীয় দফায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে মিছিল এবং ১২ অক্টোবর সব জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হবে।
অন্যদিকে আজ বৃহস্পতিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, গণহত্যার বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচারের দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল বাদ জুমা বিক্ষোভ-মিছিল করা হবে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সঙ্গে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরেও বিক্ষোভ-মিছিল হবে।
পাঁচ দফা দাবি আদায়ে যুগপৎ আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্বের অংশ হিসেবে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জামায়াতে ইসলামী ১ থেকে ১২ অক্টোবর কর্মসূচি ঘোষণা করে। প্রথম পর্বে সে মাসেই তিন দিনের কর্মসূচি পালন করেছিল দলটি।
জামায়াতসহ সাতটি ইসলামী দলের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা; আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা; অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) নিশ্চিত করা; ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে আগামীকাল শুক্রবার ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ-মিছিল করবে ইসলামী দলগুলো। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ সাতটি ইসলামী দলের চলমান যুগপৎ আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্বের অংশ হিসেবে পালন করা হবে এ কর্মসূচি।
গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতে ইসলামী জানায়, দ্বিতীয় দফায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে মিছিল এবং ১২ অক্টোবর সব জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হবে।
অন্যদিকে আজ বৃহস্পতিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, গণহত্যার বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচারের দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল বাদ জুমা বিক্ষোভ-মিছিল করা হবে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সঙ্গে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরেও বিক্ষোভ-মিছিল হবে।
পাঁচ দফা দাবি আদায়ে যুগপৎ আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্বের অংশ হিসেবে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জামায়াতে ইসলামী ১ থেকে ১২ অক্টোবর কর্মসূচি ঘোষণা করে। প্রথম পর্বে সে মাসেই তিন দিনের কর্মসূচি পালন করেছিল দলটি।
জামায়াতসহ সাতটি ইসলামী দলের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা; আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা; অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) নিশ্চিত করা; ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১১ ঘণ্টা আগে