নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যে ভূমিকা পালন করা দরকার, বিএনপি তা-ই করবে। আজ রোববার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছর পরে দেশে ফিরে বারবার শান্তির কথা বলেছেন। কাজেই একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যে ভূমিকা পালন করা দরকার, বিএনপি তা-ই করবে।’
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা আজকে যে সভা করেছি, সেই সভায় শুধু পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হওয়া—এটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দ্বিতীয়ত, আরও গুরুত্বপূর্ণ যেটা ছিল তা হলো, আমরা কীভাবে আগামী দিনগুলোতে এই কমিটি কাজ করব, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এখানে যাঁদের দেখছেন, তাঁরা প্রায় সবাই কোনো না কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে টিম লিডার হিসেবে কাজ করবেন। এই টিম লিডারদের নেতৃত্বে ওই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক উপকমিটি গঠিত হবে।’
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একজন প্রার্থী কীভাবে নির্বাচন-সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করবেন, কীভাবে ভোটারদের কাছে গিয়ে বিএনপির আগামী দিনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরবেন, কীভাবে আইন মেনেই নির্বাচনী প্রচারণা চালাবেন এবং ভোটারদের সহজেই ভোটকেন্দ্রে কীভাবে আনবেন—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছর আমরা স্বৈরাচারী সরকার দেখেছি—যেটা পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী সরকারে পরিণত হয়েছিল—সেই সরকারের পতন এবং দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা চেয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভুত্থানের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করতে পেরেছি। কিন্তু দেশে গণতন্ত্র কোনো প্রতিষ্ঠা হয় নাই। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা শুধুই একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটের মাধ্যমে জনগণের সমর্থনের দ্বারা পূর্ণ প্রতিষ্ঠা হতে পারে।’
আগামী নির্বাচনে আটটি দল অংশ নিচ্ছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘একসময় যখন বহু দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি, তবুও বলা হয়েছে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। এই মুহূর্তে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে আয়োজন চলছে, সেখানে কোনো দল যদি স্বেচ্ছায় নির্বাচন করতে না চায়, তাতে অংশগ্রহণমূলক হবে না—এটা বলা যাবে না।’
আসন্ন নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাতে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে বিএনপি। ওই কমিটিতে নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজকের বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ কমিটির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নজরুল ইসলাম খান জানান, বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হিসেবে মাহদী আমিন নিয়মিত ব্রিফিং করবেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যে ভূমিকা পালন করা দরকার, বিএনপি তা-ই করবে। আজ রোববার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছর পরে দেশে ফিরে বারবার শান্তির কথা বলেছেন। কাজেই একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যে ভূমিকা পালন করা দরকার, বিএনপি তা-ই করবে।’
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা আজকে যে সভা করেছি, সেই সভায় শুধু পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হওয়া—এটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দ্বিতীয়ত, আরও গুরুত্বপূর্ণ যেটা ছিল তা হলো, আমরা কীভাবে আগামী দিনগুলোতে এই কমিটি কাজ করব, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এখানে যাঁদের দেখছেন, তাঁরা প্রায় সবাই কোনো না কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে টিম লিডার হিসেবে কাজ করবেন। এই টিম লিডারদের নেতৃত্বে ওই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক উপকমিটি গঠিত হবে।’
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একজন প্রার্থী কীভাবে নির্বাচন-সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করবেন, কীভাবে ভোটারদের কাছে গিয়ে বিএনপির আগামী দিনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরবেন, কীভাবে আইন মেনেই নির্বাচনী প্রচারণা চালাবেন এবং ভোটারদের সহজেই ভোটকেন্দ্রে কীভাবে আনবেন—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছর আমরা স্বৈরাচারী সরকার দেখেছি—যেটা পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী সরকারে পরিণত হয়েছিল—সেই সরকারের পতন এবং দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা চেয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভুত্থানের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করতে পেরেছি। কিন্তু দেশে গণতন্ত্র কোনো প্রতিষ্ঠা হয় নাই। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা শুধুই একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটের মাধ্যমে জনগণের সমর্থনের দ্বারা পূর্ণ প্রতিষ্ঠা হতে পারে।’
আগামী নির্বাচনে আটটি দল অংশ নিচ্ছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘একসময় যখন বহু দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি, তবুও বলা হয়েছে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। এই মুহূর্তে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে আয়োজন চলছে, সেখানে কোনো দল যদি স্বেচ্ছায় নির্বাচন করতে না চায়, তাতে অংশগ্রহণমূলক হবে না—এটা বলা যাবে না।’
আসন্ন নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাতে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে বিএনপি। ওই কমিটিতে নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজকের বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ কমিটির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নজরুল ইসলাম খান জানান, বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হিসেবে মাহদী আমিন নিয়মিত ব্রিফিং করবেন।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিত্তি। মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকে না। ফলে নব্বই ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেই এগোতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছেন ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া তাসনিম জারা। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রের ঢাকা অঞ্চলের ৭ নম্বর বুথে তিনি এই আপিল করেন।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের শীর্ষ নেতারা। আজ সোমবার বেলা ১১টায় বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে আসেন তাঁরা।
৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘আজাদী পদযাত্রা’র আগে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি পুরো বাংলাদেশকে ‘আজাদ অঞ্চল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে