
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, ‘অচিরেই একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা না করলে আবারও দেশবাসী গর্জে উঠবে। আর এর ভয়ংকর পরিণতি থেকে আপনারা কেউ রেহাই পাবেন না। মানুষের এই জাগরণ কোনো শক্তি আটকিয়ে রাখতে পারবে না।’
আজ শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ডেমরার সারুলিয়া এলাকায় ডেমরা থানা তাঁতী দল আয়োজিত অনুষ্ঠিত কর্মিসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, ‘দেশনায়ক তারেক রহমান আমাদের পরিষ্কার নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, সারা দেশের আনাচে-কানাচে তাঁতী দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ৩১ দফা দাবি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। আমি সমর্থকদের জাগরণ দেখেছি। তাঁরা আমাকে বলেছেন, বর্তমান সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না। তাঁদের দাবি, অচিরেই একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এই আন্দোলনে তাঁরা পুরোপুরি শরিক হবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক কাজী রেজাউল করিম রানা, সদস্যসচিব আবুল কাসেম পাটোয়ারী, ডেমরা থানা তাঁতী দলের আহ্বায়ক জুলহাস শেখ, সদস্যসচিব এনামুল হক মুকুলসহ অন্য নেতৃবৃন্দ ছিলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ শুরুতেই লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান-পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি...
১৬ ঘণ্টা আগে
আজ আমাদের জন্য একটা আনন্দের দিন যে, এই দিনে সেই নেত্রী (খালেদা জিয়া) জন্ম নিয়েছিলেন। যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে বারবার তিনি নেতৃত্ব-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তিনি বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করবার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন...
১৮ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধের পর যে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। সেই রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির মধ্যেই একটি প্রতিক্রিয়াশীল পটপরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা
১৯ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাই প্রমাণ করে ১৫ আগস্ট ও ৫ আগস্ট সেই একই রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের জন্মশত্রু-চিরশত্রুদের কাজ। তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে...
১৯ ঘণ্টা আগে