নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গর্হিত বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঈন খানকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান আজ সোমবার এক আলোচনা সভায় ‘বাকশাল’ ও ‘১৯৭৫ সাল’ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। ইতিহাস হিসেবে তাঁর এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মঈন খানের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মঈন খান সাহেবদের দল পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে, তারপর ৩ নভেম্বর, ২১ আগস্টে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাইম টার্গেট করে হামলার মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছে, তারা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজাকার, আলবদরের দল। গর্হিত বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঈন খানকে ক্ষমা চাইতে হবে জাতির কাছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের ইতিহাস ডিঙিয়ে তারা (বিএনপি) যে বিকৃত তথ্য বঙ্গবন্ধু হত্যার পর অপপ্রচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিল, তাদের সেই অপচেষ্টা সফল হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু দেশে-বিদেশে সসম্মানে উচ্চারিত একটি নাম।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় মঈন খান ও তাঁর দলের লোকজন কোথায় ছিল প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়া পাকিস্তানি চর হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল কি না, সেটাই আজকে প্রশ্ন। বাংলাদেশের প্রথম সরকার, তথা মুজিবনগর সরকারের অধীনে নিয়মিত বেতন-ভাতা ভোগ করতেন জিয়াউর রহমান। ইতিহাস বিকৃত করলে তার পরিণতি কারও জন্য শুভ হয় নাই। বিএনপি প্রমাণ করেছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিশ্বস্ত ঠিকানা হচ্ছে এই দল। বিএনপি এখনো সেই লিগ্যাসি বহন করে চলছে।’
একেকবার একেকটা নিয়ে বিএনপি আজকে অপপ্রচার করছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কথা হয়েছে, দেশের কারাগারগুলোতে সব মিলিয়ে তাদের ১০ হাজারের মতো বন্দী আছে। অথচ তারা আজকে জাতিসংঘ ও মার্কিন কংগ্রেসম্যানের কাছে অপপ্রচার করেছে। মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে তাদেরকে দিয়ে বলাচ্ছে যে বাংলাদেশে ২৫ হাজার বিএনপি নেতা-কর্মী জেলে আছে, তাদেরকে মুক্তি দিতে হবে।’
আমেরিকার নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমেরিকার নির্বাচন দ্বিদলীয় গণতান্ত্রিক অবস্থা, এটা তাদের জন্মগতই। একজন ইনডিপেনডেন্ট হয়েছে, এটার কোনো দাম সেখানকার জনগণের কাছে নেই। সেখানে ডেমোক্র্যাট আছে, রিপাবলিকরা আছে এবং তাদের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা আছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন জনপ্রিয়তায় সবচেয়ে এগিয়ে, তাঁর বিরুদ্ধে ৯১টা মামলা রয়েছে। তিনি প্রতিনিয়ত মামলা ফেস করছেন। বাইডেন বলেছেন, আমেরিকার গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য পুনর্বার ইলেকশনে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্র রক্ষা করব। এটা তাঁদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’
স্থানীয় নির্বাচন থেকে দলীয় প্রতীক সরিয়ে দেওয়া কি দলীয় কোন্দল নিরসনের জন্য, নাকি বিএনপির যারা নির্বাচনে আসতে পারেনি, তাদেরকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি যদি বলি, কোন্দল নিরসনের জন্য আমাদের কৌশল নিতে হয়েছে। ইলেকশনে আমরা কৌশল নিয়েছি, স্বতন্ত্রদের ইলেকশন করতে দিয়েছি। যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিল, তারা নির্বাচন করেছে। সে কৌশলের তো বিজয় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নতুন চমকের বিজয় তো হয়েছে।’
অনেকে বলেছে, লোকজন কেন্দ্রে আসবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কত ভোটার অংশ নিয়েছে, এটা তো এখন পরিষ্কার। এখানে রাখঢাক করার তো কিছু নেই। এটা আমাদের একটা কৌশল। আমরা এই কৌশলটা নিয়েছি, আমাদের দলের ভালোর জন্য এবং কিছুটা জনদাবির মুখে। আমাদের নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকেও এই দাবিটা এসেছে উপজেলা নির্বাচনের প্রতীক না দেওয়ার জন্য। আমাদের ওয়ার্কিং কমিটিরও অনেকে একমত পোষণ করেছেন। সে মোতাবেক আমাদের নেত্রী পূরণ করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমি এত কিছু বুঝি না, আমি বুঝি ভারত। আমাদের অলমোস্ট বেশির ভাগ সীমান্ত ভারতের সাথে সম্পৃক্ত। এদিকে মিয়ানমারের কিছু অংশ, বাকিটা ভারত দ্বারা বেষ্টিত। ভারত আমাদের চেয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তিসহ বহু বিষয়ে এগিয়ে, একটি শক্তিধর দেশ। ভারত এখন বিশ্বে যে পজিশন, সেটা প্রায় পরাশক্তির পর্যায়ে। ভারতের সাথে ঝগড়া করে আমাদের কোনো লাভ নেই। তাদেরও এখানে ইন্টারেস্ট আছে, আমাদেরও আছে। ক্রস বর্ডার টেররিজম নিয়ে উদ্বেগ তাদেরও আছে, আমাদেরও আছে।’

গর্হিত বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঈন খানকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান আজ সোমবার এক আলোচনা সভায় ‘বাকশাল’ ও ‘১৯৭৫ সাল’ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। ইতিহাস হিসেবে তাঁর এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মঈন খানের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মঈন খান সাহেবদের দল পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে, তারপর ৩ নভেম্বর, ২১ আগস্টে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাইম টার্গেট করে হামলার মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছে, তারা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজাকার, আলবদরের দল। গর্হিত বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঈন খানকে ক্ষমা চাইতে হবে জাতির কাছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের ইতিহাস ডিঙিয়ে তারা (বিএনপি) যে বিকৃত তথ্য বঙ্গবন্ধু হত্যার পর অপপ্রচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিল, তাদের সেই অপচেষ্টা সফল হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু দেশে-বিদেশে সসম্মানে উচ্চারিত একটি নাম।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় মঈন খান ও তাঁর দলের লোকজন কোথায় ছিল প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়া পাকিস্তানি চর হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল কি না, সেটাই আজকে প্রশ্ন। বাংলাদেশের প্রথম সরকার, তথা মুজিবনগর সরকারের অধীনে নিয়মিত বেতন-ভাতা ভোগ করতেন জিয়াউর রহমান। ইতিহাস বিকৃত করলে তার পরিণতি কারও জন্য শুভ হয় নাই। বিএনপি প্রমাণ করেছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিশ্বস্ত ঠিকানা হচ্ছে এই দল। বিএনপি এখনো সেই লিগ্যাসি বহন করে চলছে।’
একেকবার একেকটা নিয়ে বিএনপি আজকে অপপ্রচার করছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কথা হয়েছে, দেশের কারাগারগুলোতে সব মিলিয়ে তাদের ১০ হাজারের মতো বন্দী আছে। অথচ তারা আজকে জাতিসংঘ ও মার্কিন কংগ্রেসম্যানের কাছে অপপ্রচার করেছে। মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে তাদেরকে দিয়ে বলাচ্ছে যে বাংলাদেশে ২৫ হাজার বিএনপি নেতা-কর্মী জেলে আছে, তাদেরকে মুক্তি দিতে হবে।’
আমেরিকার নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমেরিকার নির্বাচন দ্বিদলীয় গণতান্ত্রিক অবস্থা, এটা তাদের জন্মগতই। একজন ইনডিপেনডেন্ট হয়েছে, এটার কোনো দাম সেখানকার জনগণের কাছে নেই। সেখানে ডেমোক্র্যাট আছে, রিপাবলিকরা আছে এবং তাদের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা আছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন জনপ্রিয়তায় সবচেয়ে এগিয়ে, তাঁর বিরুদ্ধে ৯১টা মামলা রয়েছে। তিনি প্রতিনিয়ত মামলা ফেস করছেন। বাইডেন বলেছেন, আমেরিকার গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য পুনর্বার ইলেকশনে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্র রক্ষা করব। এটা তাঁদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’
স্থানীয় নির্বাচন থেকে দলীয় প্রতীক সরিয়ে দেওয়া কি দলীয় কোন্দল নিরসনের জন্য, নাকি বিএনপির যারা নির্বাচনে আসতে পারেনি, তাদেরকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি যদি বলি, কোন্দল নিরসনের জন্য আমাদের কৌশল নিতে হয়েছে। ইলেকশনে আমরা কৌশল নিয়েছি, স্বতন্ত্রদের ইলেকশন করতে দিয়েছি। যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিল, তারা নির্বাচন করেছে। সে কৌশলের তো বিজয় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নতুন চমকের বিজয় তো হয়েছে।’
অনেকে বলেছে, লোকজন কেন্দ্রে আসবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কত ভোটার অংশ নিয়েছে, এটা তো এখন পরিষ্কার। এখানে রাখঢাক করার তো কিছু নেই। এটা আমাদের একটা কৌশল। আমরা এই কৌশলটা নিয়েছি, আমাদের দলের ভালোর জন্য এবং কিছুটা জনদাবির মুখে। আমাদের নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকেও এই দাবিটা এসেছে উপজেলা নির্বাচনের প্রতীক না দেওয়ার জন্য। আমাদের ওয়ার্কিং কমিটিরও অনেকে একমত পোষণ করেছেন। সে মোতাবেক আমাদের নেত্রী পূরণ করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমি এত কিছু বুঝি না, আমি বুঝি ভারত। আমাদের অলমোস্ট বেশির ভাগ সীমান্ত ভারতের সাথে সম্পৃক্ত। এদিকে মিয়ানমারের কিছু অংশ, বাকিটা ভারত দ্বারা বেষ্টিত। ভারত আমাদের চেয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তিসহ বহু বিষয়ে এগিয়ে, একটি শক্তিধর দেশ। ভারত এখন বিশ্বে যে পজিশন, সেটা প্রায় পরাশক্তির পর্যায়ে। ভারতের সাথে ঝগড়া করে আমাদের কোনো লাভ নেই। তাদেরও এখানে ইন্টারেস্ট আছে, আমাদেরও আছে। ক্রস বর্ডার টেররিজম নিয়ে উদ্বেগ তাদেরও আছে, আমাদেরও আছে।’

আগামী ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সিলেট সফরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারে নামছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সফরের সূচনা করবেন।
২০ মিনিট আগে
বৈষম্যহীন ব্যবস্থা এবং নতুন আর্থ-রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে নতুন এক রাজনৈতিক শক্তির কথা বলেছেন সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। দুই সপ্তাহ ধরে ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনার পর এই সম্ভাবনার কথা লিখলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
পেশার চেয়ে গোপন উৎসে ৫ গুণেরও বেশি আয় জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁর। তাঁর স্থাবর কিংবা অস্থাবর কোনো সম্পদের মূল্যও বাড়েনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের হলফনামায় তিনি এমন তথ্য তুলে ধরেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ছিল দুর্নীতির একটিসহ ১৮টি মামলা। এর মধ্যে ৯টিতে খালাস পেয়েছেন তিনি। ৮টি মামলা এখনো বিচারাধীন। একটি মামলার তদন্ত চলছে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আফজাল হোসাইন সাতটি মামলার মধ্যে চারটিতে খালাস পেয়েছেন। দুটিতে চূড়ান
১১ ঘণ্টা আগে