নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন। আজ রোববার রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তাঁর জুনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধানমন্ডি তাকওয়া মসজিদ এবং আগামীকাল বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছিলেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১১ বছর দেশের বাইরে ছিলেন তিনি। গত ৬ জানুয়ারি তাঁর জুনিয়র আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে তাঁকে সংবর্ধনাও দিয়েছিলেন।
যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াত থেকে পদত্যাগ করেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। এরপর আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হন তিনি। তবে গত বছরের ১৭ আগস্ট সেই পদ থেকেও পদত্যাগ করেন।
ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ১৯৪৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বিএ (অনার্স) ও এমএ ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮০ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত লন্ডনেই আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন তিনি।
দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগে ও ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০২ সালে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী হন।
ব্যারিস্টার রাজ্জাকের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। দুই ছেলে ব্যারিস্টার এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দীক ও ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দীক সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশা পরিচালনা করছেন।

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন। আজ রোববার রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তাঁর জুনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধানমন্ডি তাকওয়া মসজিদ এবং আগামীকাল বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছিলেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১১ বছর দেশের বাইরে ছিলেন তিনি। গত ৬ জানুয়ারি তাঁর জুনিয়র আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে তাঁকে সংবর্ধনাও দিয়েছিলেন।
যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াত থেকে পদত্যাগ করেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। এরপর আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হন তিনি। তবে গত বছরের ১৭ আগস্ট সেই পদ থেকেও পদত্যাগ করেন।
ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ১৯৪৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বিএ (অনার্স) ও এমএ ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮০ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত লন্ডনেই আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন তিনি।
দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগে ও ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০২ সালে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী হন।
ব্যারিস্টার রাজ্জাকের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। দুই ছেলে ব্যারিস্টার এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দীক ও ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দীক সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশা পরিচালনা করছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সেখানে যান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতা দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন যে ৩০ জন নেতা এই সমঝোতা না করতে দলের আহ্বায়ককে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম নামটি ছিল মুশফিকের। মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের মাধ্যমে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতাকে কেন্দ্র করে অন্তত ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এনসিপি ছাড়লেন।
৪ ঘণ্টা আগে
আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের কোনো নেই কোনো গয়না, গাড়ি বা আসবাবপত্র। পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হলেও আয় করেন ব্যবসা থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে এমনই তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে