নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

এই সরকার দেশ চালাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ দাবি করে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা বলেছেন, এই সরকারের অধীনে পাড়ার কোনো সংগঠন বা ক্লাবেরও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
আজ শনিবার যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজধানীর পল্টন মোড়ে অবৈধ সরকারের পদত্যাগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে এবং দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, দফায় দফায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও তিস্তার পানি প্রত্যাহার বন্ধে সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে এ কথা বলেছেন বক্তারা।
সমাবেশে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘সরকার দেশের স্বার্থ বিক্রি করে বিদেশি শক্তির হাতে দেশের সম্পদ তুলে দেওয়ার খেলা খেলছে। তারা মানুষের ভাতের অধিকার আর ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। যেই সরকার সুপ্রিম কোর্টের বার নির্বাচনে পুলিশ লাগিয়ে হাইজ্যাক করে নেয়, তারা দেশের সাধারণ নির্বাচন তো দূরে থাক একটা পাড়ার সংগঠনের বা ক্লাবেরও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে সমর্থ না।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের বার নির্বাচনে পুলিশ দিয়ে সরকার যা করেছে, সেটা দেশের ইতিহাসের একটা কলঙ্কজনক অধ্যায়। দ্রব্যমূল্য সহনীয় করার কোনো ইচ্ছাই এই সরকারের নাই। কারণ, সরকার নিজেই একটা সিন্ডিকেট। দ্রব্যমূল্য তারা বাড়াতেই থাকবে। এর বিরুদ্ধে লড়াই করাটাই একমাত্র পথ।’
গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর বলেন, ‘পাঁচ-সাতটি বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ভোজ্যতেল থেকে পোলট্রির মুরগি সবকিছুই সিন্ডিকেটের হাতে। সিন্ডিকেট ইচ্ছেমতো দাম বাড়ায়। শিগগিরই চূড়ান্ত আন্দোলন হবে, জনগণ এই আন্দোলনে বিজয়ী হবে।’
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, সরকার রাতের অন্ধকারে বিরোধী দলের কর্মীদের তুলে নিয়ে মুখ বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে নেমেছে। এই সরকার মুখে সংবিধানের কথা বলে জনমানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়াতে ব্যস্ত।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়ক আবুল হাসান রুবেল, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্যসচিব হাবিবুর রহমান রিজু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের মিডিয়া সমন্বয়ক হাসিবউদ্দীন হোসেন প্রমুখ। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।

এই সরকার দেশ চালাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ দাবি করে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা বলেছেন, এই সরকারের অধীনে পাড়ার কোনো সংগঠন বা ক্লাবেরও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
আজ শনিবার যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজধানীর পল্টন মোড়ে অবৈধ সরকারের পদত্যাগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে এবং দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, দফায় দফায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও তিস্তার পানি প্রত্যাহার বন্ধে সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে এ কথা বলেছেন বক্তারা।
সমাবেশে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘সরকার দেশের স্বার্থ বিক্রি করে বিদেশি শক্তির হাতে দেশের সম্পদ তুলে দেওয়ার খেলা খেলছে। তারা মানুষের ভাতের অধিকার আর ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। যেই সরকার সুপ্রিম কোর্টের বার নির্বাচনে পুলিশ লাগিয়ে হাইজ্যাক করে নেয়, তারা দেশের সাধারণ নির্বাচন তো দূরে থাক একটা পাড়ার সংগঠনের বা ক্লাবেরও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে সমর্থ না।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের বার নির্বাচনে পুলিশ দিয়ে সরকার যা করেছে, সেটা দেশের ইতিহাসের একটা কলঙ্কজনক অধ্যায়। দ্রব্যমূল্য সহনীয় করার কোনো ইচ্ছাই এই সরকারের নাই। কারণ, সরকার নিজেই একটা সিন্ডিকেট। দ্রব্যমূল্য তারা বাড়াতেই থাকবে। এর বিরুদ্ধে লড়াই করাটাই একমাত্র পথ।’
গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর বলেন, ‘পাঁচ-সাতটি বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ভোজ্যতেল থেকে পোলট্রির মুরগি সবকিছুই সিন্ডিকেটের হাতে। সিন্ডিকেট ইচ্ছেমতো দাম বাড়ায়। শিগগিরই চূড়ান্ত আন্দোলন হবে, জনগণ এই আন্দোলনে বিজয়ী হবে।’
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, সরকার রাতের অন্ধকারে বিরোধী দলের কর্মীদের তুলে নিয়ে মুখ বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে নেমেছে। এই সরকার মুখে সংবিধানের কথা বলে জনমানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়াতে ব্যস্ত।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়ক আবুল হাসান রুবেল, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্যসচিব হাবিবুর রহমান রিজু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের মিডিয়া সমন্বয়ক হাসিবউদ্দীন হোসেন প্রমুখ। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর পর নির্বাসন থেকে দেশে ফেরায় উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিলেন বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
৬ ঘণ্টা আগে
মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
৯ ঘণ্টা আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
৯ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে