নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আজ শুক্রবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কামরাঙ্গীরচর উত্তর থানা আয়োজিত গণমিছিল-পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘মসজিদের মতোই মন্দির, গির্জাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয় নিরাপদ থাকবে। ধর্মবর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী, দলমতের কোনো বিভাজন সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। প্রতিটি মানুষ রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সমান মর্যাদা ও অধিকার লাভ করবে। জামায়াতে ইসলামী ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে। অতীতে যারা যখন ক্ষমতায় বসেছে, তারা বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের বাড়িঘর দখল ও লুটপাটের রাজনীতি চর্চা করেছে। জনগণ জামায়াতে ইসলামীর কাছে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিলে মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করা হবে। মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।’
নূরুল ইসলাম বুলবুল আরও বলেন, ‘যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই সারা দেশে সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি-লুটপাটের মহোৎসবে মেতে উঠেছে, তারা ক্ষমতা দখল করতে পারলে পুরো দেশ গিলে খাবে। এরা এখনই নদীর বালু-পাথর খাওয়া শুরু করেছে। যারা দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, লুটপাট, দখলদারির রাজনীতি চর্চা করে, তাদের হাতে দেশ ও জাতি নিরাপদ নয়। এমনকি নিজ দলের কর্মীরাও এদের কাছে নিরাপদ নয়। এরা নিজেরা নিজেদের দলের কর্মীকে পাথর দিয়ে থেঁতলে-থেঁতলে হত্যা করার মতো ঘৃণ্য কাজ করেছে, আগামীতের আরও করবে।’
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের বয়কট করতে হবে। ছাত্র-জনতার প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে সৎ, যোগ্য, দক্ষ, আল্লাহভীরু, দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত নেতৃত্বকে নির্বাচিত করতে হবে। সমাজের নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দিতে হবে—যারা আল্লাহকে ভয় করে, যারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না, যারা দেশ ও জাতির জন্য ফাঁসির মঞ্চে যেতে দ্বিধা করেনি—তাদের উত্তরসূরিদের হাতে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিরাপদ। কারণ, তারা আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করেনি, করবে না।’
আসন্ন দুর্গাপূজা ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তার প্রয়োজন হলে আবারও জামায়াতের কর্মীরা পাহারাদারের ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘ইসলামি সমাজ বিনির্মাণ হলে কোনো ধর্মের মানুষ ধর্ম পালনের জন্য রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা চাইতে হবে না। সমাজের প্রত্যেক ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীন ও নিরাপদে পালন করতে পারবে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে আলাদা নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হয়। কারণ, মানুষের তৈরি আইনে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে। মানুষের তৈরি আইনে কেবলমাত্র তারাই সুবিধা পায়, যারা আইন তৈরি করে, যারা ক্ষমতাসীন। মানুষের তৈরি আইন জনগণের কোনো কল্যাণে আসেনি, আসবে না।’
আগামী নির্বাচনে দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলকে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের ভোটের মূল্যায়ন হবে কেবলমাত্র পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের মাধ্যমে।’ এ জন্য পিআর পদ্ধতির দাবি আদায়ে তিনি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কামরাঙ্গীরচর উত্তর থানা আমির নাজমুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাজি হাফেজ এনায়েত উল্যাহ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান, মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামছুর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৭ আসনে নির্বাচন পরিচালক আব্দুর রহমান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আজ শুক্রবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কামরাঙ্গীরচর উত্তর থানা আয়োজিত গণমিছিল-পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘মসজিদের মতোই মন্দির, গির্জাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয় নিরাপদ থাকবে। ধর্মবর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী, দলমতের কোনো বিভাজন সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। প্রতিটি মানুষ রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সমান মর্যাদা ও অধিকার লাভ করবে। জামায়াতে ইসলামী ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে। অতীতে যারা যখন ক্ষমতায় বসেছে, তারা বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের বাড়িঘর দখল ও লুটপাটের রাজনীতি চর্চা করেছে। জনগণ জামায়াতে ইসলামীর কাছে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিলে মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করা হবে। মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।’
নূরুল ইসলাম বুলবুল আরও বলেন, ‘যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই সারা দেশে সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি-লুটপাটের মহোৎসবে মেতে উঠেছে, তারা ক্ষমতা দখল করতে পারলে পুরো দেশ গিলে খাবে। এরা এখনই নদীর বালু-পাথর খাওয়া শুরু করেছে। যারা দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, লুটপাট, দখলদারির রাজনীতি চর্চা করে, তাদের হাতে দেশ ও জাতি নিরাপদ নয়। এমনকি নিজ দলের কর্মীরাও এদের কাছে নিরাপদ নয়। এরা নিজেরা নিজেদের দলের কর্মীকে পাথর দিয়ে থেঁতলে-থেঁতলে হত্যা করার মতো ঘৃণ্য কাজ করেছে, আগামীতের আরও করবে।’
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের বয়কট করতে হবে। ছাত্র-জনতার প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে সৎ, যোগ্য, দক্ষ, আল্লাহভীরু, দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত নেতৃত্বকে নির্বাচিত করতে হবে। সমাজের নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দিতে হবে—যারা আল্লাহকে ভয় করে, যারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না, যারা দেশ ও জাতির জন্য ফাঁসির মঞ্চে যেতে দ্বিধা করেনি—তাদের উত্তরসূরিদের হাতে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিরাপদ। কারণ, তারা আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করেনি, করবে না।’
আসন্ন দুর্গাপূজা ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তার প্রয়োজন হলে আবারও জামায়াতের কর্মীরা পাহারাদারের ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘ইসলামি সমাজ বিনির্মাণ হলে কোনো ধর্মের মানুষ ধর্ম পালনের জন্য রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা চাইতে হবে না। সমাজের প্রত্যেক ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীন ও নিরাপদে পালন করতে পারবে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে আলাদা নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হয়। কারণ, মানুষের তৈরি আইনে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে। মানুষের তৈরি আইনে কেবলমাত্র তারাই সুবিধা পায়, যারা আইন তৈরি করে, যারা ক্ষমতাসীন। মানুষের তৈরি আইন জনগণের কোনো কল্যাণে আসেনি, আসবে না।’
আগামী নির্বাচনে দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলকে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের ভোটের মূল্যায়ন হবে কেবলমাত্র পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের মাধ্যমে।’ এ জন্য পিআর পদ্ধতির দাবি আদায়ে তিনি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কামরাঙ্গীরচর উত্তর থানা আমির নাজমুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাজি হাফেজ এনায়েত উল্যাহ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান, মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামছুর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৭ আসনে নির্বাচন পরিচালক আব্দুর রহমান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
৪ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
৭ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১০ ঘণ্টা আগে