ঢাবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০ তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে নেতা নির্বাচনের সিদ্ধান্তের দায়িত্ব আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার হাতে দায়িত্ব অর্পণ করল ছাত্রলীগের কাউন্সিলরেরা।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার সময়ে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ছাত্রলীগের দ্বিতীয় অধিবেশনে নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব শেখ হাসিনার হাতে অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
কাউন্সিলরেরা বলেন, ‘দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই চূড়ান্ত। নেতা নির্বাচনের ব্যাপারে ওনার সিদ্ধান্ত আমরা সকলেই মেনে নিব।’
এর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথম অধিবেশনের শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের আজকের সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন এখানেই সমাপ্ত। দ্বিতীয় অধিবেশন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা সেখানে নাম প্রস্তাব করবেন। প্রস্তাবিত সেই তালিকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকেই আগামী ২৪ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগে কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন আমাদের সভানেত্রী।’
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্যবৃন্দ ও শীর্ষ পদপ্রত্যাশী নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। গত ২৯ তম জাতীয় সম্মেলনেও নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে অর্পণ করেন কাউন্সিলররা।
এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শীর্ষ পদপ্রত্যাশী হিসেবে ২৫৪টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। ঢাকা মহানগর উত্তরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোট ১৮৭টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। দক্ষিণে ১৮২টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। ঢাবি শাখায় ২৪৫টি মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০ তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে নেতা নির্বাচনের সিদ্ধান্তের দায়িত্ব আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার হাতে দায়িত্ব অর্পণ করল ছাত্রলীগের কাউন্সিলরেরা।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার সময়ে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ছাত্রলীগের দ্বিতীয় অধিবেশনে নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব শেখ হাসিনার হাতে অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
কাউন্সিলরেরা বলেন, ‘দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই চূড়ান্ত। নেতা নির্বাচনের ব্যাপারে ওনার সিদ্ধান্ত আমরা সকলেই মেনে নিব।’
এর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথম অধিবেশনের শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের আজকের সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন এখানেই সমাপ্ত। দ্বিতীয় অধিবেশন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা সেখানে নাম প্রস্তাব করবেন। প্রস্তাবিত সেই তালিকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকেই আগামী ২৪ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগে কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন আমাদের সভানেত্রী।’
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্যবৃন্দ ও শীর্ষ পদপ্রত্যাশী নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। গত ২৯ তম জাতীয় সম্মেলনেও নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে অর্পণ করেন কাউন্সিলররা।
এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শীর্ষ পদপ্রত্যাশী হিসেবে ২৫৪টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। ঢাকা মহানগর উত্তরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোট ১৮৭টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। দক্ষিণে ১৮২টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। ঢাবি শাখায় ২৪৫টি মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হয়।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
১ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে