নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের ফলাফলকে ‘গতানুগতিক’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের যে তথ্য আমরা পেয়েছি, তাতে বিশেষ কিছু নেই। এই সফরের ফলাফল যেটুকু প্রকাশ হয়েছে তা গতানুগতিক।’
আজ শনিবার রাজধানীর বনানীতে পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে পার্টির নরসিংদীর পলাশ উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জাপা চেয়ারম্যান।
এ সময় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সমালোচনা করে জি এম কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আগে থেকেই দায় এড়াতে বিভিন্ন ধরনের কথা বলছে। কখনো বলছে রাজনৈতিক দলগুলো সহায়তা না করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। আবার কখনো বলছে, কাউকে নির্বাচনে নেওয়া নির্বাচন কমিশনের কাজ না। তাদের বুঝতে হবে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা নেই বলেই রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে যেতে চাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশনের উচিত সবার আস্থা অর্জনে চেষ্টা করা।’
জি এম কাদের বলেন, ‘শুধু আওয়ামী লীগ ও তাদের কিছু মিত্র ছাড়া কেউই নির্বাচনে ইভিএম চায়নি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন হঠাৎ করেই ইভিএমে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশের মানুষ নির্বাচনে ইভিএম চায় না। আর এসব কারণেই দেশের মানুষ নির্বাচনের ওপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দলীয় লোক নিয়োগ করা হয়েছে। আবার ভোটের সময় পোলিং বুথে আওয়ামী লীগের কর্মী নিয়োগ দেওয়া থাকে, তারা সহায়তার নামে ইভিএমে ভোটারদের ভোট দিয়ে দেন। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না।’
দেশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে—এমন মন্তব্য করে জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘এখন আর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নেই, শুধু বাংলাদেশ আছে। প্রজাতন্ত্র আছে শুধু অলংকার হয়ে। দেশে চলছে শাসক ও প্রশাসক দিয়ে। প্রশাসকদের জবাবদিহি থাকে শুধু শাসকদের কাছে। প্রশাসক নিয়োগ করা হয় শোষণের জন্য। জনগণের কাছে কারও জবাবদিহি থাকে না। দেশের কোথাও জবাবদিহি নেই, তাই দুর্নীতিতে দেশ ভেসে যাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের ফলাফলকে ‘গতানুগতিক’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের যে তথ্য আমরা পেয়েছি, তাতে বিশেষ কিছু নেই। এই সফরের ফলাফল যেটুকু প্রকাশ হয়েছে তা গতানুগতিক।’
আজ শনিবার রাজধানীর বনানীতে পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে পার্টির নরসিংদীর পলাশ উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জাপা চেয়ারম্যান।
এ সময় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সমালোচনা করে জি এম কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আগে থেকেই দায় এড়াতে বিভিন্ন ধরনের কথা বলছে। কখনো বলছে রাজনৈতিক দলগুলো সহায়তা না করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। আবার কখনো বলছে, কাউকে নির্বাচনে নেওয়া নির্বাচন কমিশনের কাজ না। তাদের বুঝতে হবে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা নেই বলেই রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে যেতে চাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশনের উচিত সবার আস্থা অর্জনে চেষ্টা করা।’
জি এম কাদের বলেন, ‘শুধু আওয়ামী লীগ ও তাদের কিছু মিত্র ছাড়া কেউই নির্বাচনে ইভিএম চায়নি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন হঠাৎ করেই ইভিএমে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশের মানুষ নির্বাচনে ইভিএম চায় না। আর এসব কারণেই দেশের মানুষ নির্বাচনের ওপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দলীয় লোক নিয়োগ করা হয়েছে। আবার ভোটের সময় পোলিং বুথে আওয়ামী লীগের কর্মী নিয়োগ দেওয়া থাকে, তারা সহায়তার নামে ইভিএমে ভোটারদের ভোট দিয়ে দেন। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না।’
দেশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে—এমন মন্তব্য করে জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘এখন আর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নেই, শুধু বাংলাদেশ আছে। প্রজাতন্ত্র আছে শুধু অলংকার হয়ে। দেশে চলছে শাসক ও প্রশাসক দিয়ে। প্রশাসকদের জবাবদিহি থাকে শুধু শাসকদের কাছে। প্রশাসক নিয়োগ করা হয় শোষণের জন্য। জনগণের কাছে কারও জবাবদিহি থাকে না। দেশের কোথাও জবাবদিহি নেই, তাই দুর্নীতিতে দেশ ভেসে যাচ্ছে।’

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে