নিবন্ধনের দাবিতে ১২০ ঘণ্টা ধরে অনশন করা আমজনতার দলের সাধারণ সম্পাদক তারেক রহমান ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছেন’ বলে জানিয়েছে দলটি।
আজ রোববার বিকেলে আমজনতার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ কথা জানান। দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করে অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় যথাযথ ভূমিকা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।
নিবন্ধন না পাওয়ায় গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশনে আছেন তারেক রহমান। এর মধ্যে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দল, সংগঠন ও শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর প্রতি সংহতি জানিয়েছে।
অনশনরত তারেক রহমানের বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আমজনতার দলের বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণরত অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
তারেক রহমান দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এক ‘সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতার প্রতীক’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৮-এর কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের নানা সংকটময় মুহূর্তে তিনি সব সময় সংগ্রামের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এই নেতার সঙ্গে যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটে, তাহলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে।
এরই মধ্যে অনশনের ১২০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের টনক এখন পর্যন্ত নড়েনি। গণদাবি ও নিবন্ধনের ন্যায্য প্রশ্নে নীরব এই কমিশনের উদাসীনতা জনমনে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

দেশের আর্থিক অবস্থা নাজুক বলে দাবি করেছে বিরোধী দল। তাদের আশঙ্কা, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হলে সবার ওপর প্রভাব পড়বে। শনিবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন অভিমত দিয়েছেন কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সাইফুল আলম খান মিলন। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে...
২ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল প্রথমে বলেছিল জ্বালানিসংকটের কারণে লংমার্চ করবে, অথচ এই কর্মসূচিতেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পোড়ানো হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে তারা দাবি তুলল গণরায় বাস্তবায়নের। একদিকে তারা সংবিধান সংশোধনী কমিটির আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সেখানে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকছে, অন্যদিকে লংমার্চে...
৪ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ বছর লড়াই করতে করতে জনগণের রায় নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ৬ মাস পার হচ্ছে। এখনই আন্দোলন শুরু করেছেন, এটা ঠিক না। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চে জনগণের সাড়া নেই। এই লংমার্চে চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছে। দেশের মানুষ আপনাদের লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণ করেনি
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার একটু সাবধান হওয়া উচিত। কারণ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কিন্তু স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। অবশ্যই দেশনেত্রীর মৃত্যু স্বাভাবিক, বেগম খালেদা জিয়াকে কেউ হত্যা না করলেও যেভাবে মারা গেছেন, সেটি আমাদের কারও কাম্য ছিল না।’
৬ ঘণ্টা আগে