নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সারা দেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী ও সমর্থকদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার। এসব পরিস্থিতি এখনই নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যাবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টনের মেহেরবা প্লাজার দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সারা দেশে আমাদের প্রার্থী ও সমর্থকদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। আমাদের সমর্থকেরা বিভিন্নভাবে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে, প্রতিকূল পরিস্থিতির স্বীকার হচ্ছে। কিছু কিছু ঘটনা যদি এখনই নিয়ন্ত্রণে আনা না যায় তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যাবে।’
প্রধানমন্ত্রীকে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আপনি সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনার নিয়ন্ত্রণেই আছে। এসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করেন। শেখ হাসিনা যদি এসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।
সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা এমন শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল ধরনের বৈধ-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ কেন্দ্র দখলের বাহিনীগুলোকে নিয়ন্ত্রণে ও আইনের আওতায় আনতে হবে। এসব দাবি পূরণ না হলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা নাই।
আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তাদের কর্মীদের ওপরও হামলা করছে জানিয়ে তৈমুর বলেন, এসব নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। প্রধানমন্ত্রীকে নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষাসহ নির্বাচনের লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহ্বান জানান তিনি।

সারা দেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী ও সমর্থকদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার। এসব পরিস্থিতি এখনই নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যাবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টনের মেহেরবা প্লাজার দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সারা দেশে আমাদের প্রার্থী ও সমর্থকদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। আমাদের সমর্থকেরা বিভিন্নভাবে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে, প্রতিকূল পরিস্থিতির স্বীকার হচ্ছে। কিছু কিছু ঘটনা যদি এখনই নিয়ন্ত্রণে আনা না যায় তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যাবে।’
প্রধানমন্ত্রীকে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আপনি সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনার নিয়ন্ত্রণেই আছে। এসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করেন। শেখ হাসিনা যদি এসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।
সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা এমন শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল ধরনের বৈধ-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ কেন্দ্র দখলের বাহিনীগুলোকে নিয়ন্ত্রণে ও আইনের আওতায় আনতে হবে। এসব দাবি পূরণ না হলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা নাই।
আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তাদের কর্মীদের ওপরও হামলা করছে জানিয়ে তৈমুর বলেন, এসব নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। প্রধানমন্ত্রীকে নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষাসহ নির্বাচনের লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহ্বান জানান তিনি।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৭ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৯ ঘণ্টা আগে