নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের রাজধানী ছেড়ে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকের সামনে সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে চলমান যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণ অধিকার পরিষদ আয়োজিত সমাবেশে এ আহ্বান জানান নুর।
নুরুল হক বলেন, ‘আজকে আমাদের যে যাত্রা শুরু হয়েছে, শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের যাত্রা অব্যাহত থাকবে। যেসব রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ঢাকায় এসেছেন, তাঁরা কর্মসূচি সফল না হওয়া পর্যন্ত কেউ ঢাকা ছাড়বেন না। বিএনপিসহ যুগপৎ আন্দোলনকারী দলসমূহ আমরা দুপুরের পর একসঙ্গে বসে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করব। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কেউ ঢাকা ছাড়বেন না।’
নুর হুঁশিয়ার জানিয়ে বলেন, ‘আজকে এত পুলিশ এত কিছু, ধারাবাহিকভাবে হামলা-মামলা চলছে। কিন্তু জনগণের স্রোত ঠেকাতে পেরেছে? এই জনস্রোত ঠেকাতে পারবে না। শেখ হাসিনা যদি মানসম্মান নিয়ে পদত্যাগ না করে তাহলে গণভবন থেকে শেখ হাসিনাকে আমরা বের করে দেব। রাষ্ট্রপতি যদি সংকট সমাধানের উদ্যোগ না নেন, তাহলে জনগণ বঙ্গভবন ঘেরাও করবে।’
পুলিশের উদ্দেশে নুর বলেন, ‘পুলিশসহ প্রশাসনের ভাইদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, কয়টা গুলি চালাবেন? কতজনকে গ্রেপ্তার করবেন? জনগণের ওপর যদি গুলি চলে, তাহলে পুলিশ হেডকোয়ার্টারসহ সব থানা ঘেরাও হবে। বিচারপতিদের বলতে চাই, যেই বিচারপতিরা মিথ্যা মামলায় বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের সাজা দিচ্ছেন তাঁদের পরিবারসহ ঘেরাও করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে গণতন্ত্র বনাম ফ্যাসিবাদের লড়াই চলছে। এই লড়াইয়ে গণতন্ত্রকামীরাই বিজয় লাভ করবে। বিজয়ের আগ পর্যন্ত আপনারা রাজপথে থাকবেন।’

চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের রাজধানী ছেড়ে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকের সামনে সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে চলমান যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণ অধিকার পরিষদ আয়োজিত সমাবেশে এ আহ্বান জানান নুর।
নুরুল হক বলেন, ‘আজকে আমাদের যে যাত্রা শুরু হয়েছে, শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের যাত্রা অব্যাহত থাকবে। যেসব রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ঢাকায় এসেছেন, তাঁরা কর্মসূচি সফল না হওয়া পর্যন্ত কেউ ঢাকা ছাড়বেন না। বিএনপিসহ যুগপৎ আন্দোলনকারী দলসমূহ আমরা দুপুরের পর একসঙ্গে বসে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করব। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কেউ ঢাকা ছাড়বেন না।’
নুর হুঁশিয়ার জানিয়ে বলেন, ‘আজকে এত পুলিশ এত কিছু, ধারাবাহিকভাবে হামলা-মামলা চলছে। কিন্তু জনগণের স্রোত ঠেকাতে পেরেছে? এই জনস্রোত ঠেকাতে পারবে না। শেখ হাসিনা যদি মানসম্মান নিয়ে পদত্যাগ না করে তাহলে গণভবন থেকে শেখ হাসিনাকে আমরা বের করে দেব। রাষ্ট্রপতি যদি সংকট সমাধানের উদ্যোগ না নেন, তাহলে জনগণ বঙ্গভবন ঘেরাও করবে।’
পুলিশের উদ্দেশে নুর বলেন, ‘পুলিশসহ প্রশাসনের ভাইদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, কয়টা গুলি চালাবেন? কতজনকে গ্রেপ্তার করবেন? জনগণের ওপর যদি গুলি চলে, তাহলে পুলিশ হেডকোয়ার্টারসহ সব থানা ঘেরাও হবে। বিচারপতিদের বলতে চাই, যেই বিচারপতিরা মিথ্যা মামলায় বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের সাজা দিচ্ছেন তাঁদের পরিবারসহ ঘেরাও করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে গণতন্ত্র বনাম ফ্যাসিবাদের লড়াই চলছে। এই লড়াইয়ে গণতন্ত্রকামীরাই বিজয় লাভ করবে। বিজয়ের আগ পর্যন্ত আপনারা রাজপথে থাকবেন।’

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে