
বগুড়াকে বিএনপির অবিচ্ছেদ্য দুর্গ হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ওপর বিশেষ আস্থার কথা বলেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার সকালে বগুড়ার চার তারকা হোটেল নাজ গার্ডেনের বলরুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নিজের নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-৬ (সদর) আসনের দলীয় নেতাদের সঙ্গে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান আসন্ন নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সভায় উপস্থিত কোনো কোনো নেতা মন্তব্য করেন, বগুড়ায় ধানের শীষের যে জনপ্রিয়তা, তাতে ভোটারের কাছে না গেলেও বিপুল ভোটে জয় নিশ্চিত। তবে এই মন্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বসে থাকলে চলবে না, সবার কাছেই যেতে হবে। জনবিচ্ছিন্ন হয়ে জয়ের আশা করা যাবে না।’
তারেক রহমান আরও যোগ করেন, ‘বগুড়ার সাতটি আসনেই বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করতে হবে। জয়ের ব্যবধান যত বেশি হবে, জনরায়ের প্রতিফলন ততটাই শক্তিশালী হবে।’
তারেক রহমান এবার বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারের ব্যাপক ব্যস্ততার কারণে তিনি নিজের আসনে সময় দিতে পারবেন না বলে জানান। নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘অতীতে নানা সময়ে আপনাদের কাছে এসেছি। এবার প্রার্থী হয়ে এসেছি। তবে আমার নির্বাচন করার দায়িত্ব আপনাদের। কারণ, সারা দেশে আমাকে যেতে হচ্ছে। এই ঘাঁটির দায়িত্ব আপনাদের সঁপে দিলাম, এই ঘাঁটির জনগণকে আপনারা দেখে রাখবেন।’
বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এই সভায় তারেক রহমান প্রথমে স্থানীয় নেতাদের অভাব-অভিযোগ ও পরামর্শ শোনেন। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই মতবিনিময় সভায় তৃণমূল পর্যায়ের সাংগঠনিক শক্তির ওপর জোর দেওয়া হয়।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ-উন-নবী ও খায়রুল বাশার। সভায় বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র এ কে এম মাহবুবুর রহমান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বগুড়া-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন এবং আলী আজগর তালুকদার, বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী, বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান প্রমুখ।

আসিফ মাহমুদ বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে বলতে চাই—আপনারা বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ইতিবাচক বক্তব্য দিচ্ছেন। আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে একজন জাতীয়তাবাদী নেতা হিসেবে সম্মান করি। তবে তিনি একটি বড় ভুল করেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াত আমির বলেন, ‘দেশের মানুষ ১২ তারিখের নির্বাচনের পর ১৩ তারিখ থেকে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে চায়। এই পরিবর্তন আসবে সমাজের আকাঙ্ক্ষা, মায়েদের নিরাপত্তা, নারীদের সম্মান এবং দেশের সার্বিক ইজ্জতের ওপর ভর করে। আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদ মানব না।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে ২২ জানুয়ারি। সেদিন থেকেই প্রধান দলগুলোর প্রার্থী তথা নেতারা প্রতিপক্ষকে কথার যুদ্ধে ঘায়েল করতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। তবে নির্বাচনী প্রচারণা একটি সপ্তাহ পেরোতেই মাঠের রাজনীতির কৌশলগত রূপান্তর চোখে পড়ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হবে। তাঁদের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। অন্তত এক ফসলের বীজ ও কীটনাশক বিনা মূল্যে দেওয়া হবে। এ ছাড়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে