আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দেশে সময়মতো নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ, একটা নির্বাচন আদায় করার জন্য জনগণকে যেন রাস্তায় গুলি খেয়ে মরতে না হয়। আপনারা সময়মতো নির্বাচনটা দেন, তাতে আপনারা ফুলের পাপড়িতে ঢাকা পড়বেন।’
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তৃণমূল দলের ১৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বাবু গয়েশ্বর বলেন, ‘আপনাদের গলায় যত মালা পড়াব, তত মালার ওজন আপনারা সইতে পারবেন না। আপনাদেরকে আমরা সম্মানের সাথে আনছি, সম্মানের সাথেই বিদায় করতে চাই, আপনারা দায়িত্বটা পালন করেন। আর যদি আমাদেরকে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামান, কতটুকু সময় টিকবেন সেটা একটু ভেবে দেখবেন।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এসে যাবে, এ জন্য এই সরকারকে রাখতে হবে, যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সারা জীবনের জন্য দরকার। আর তারা যতক্ষণ পর্যন্ত সুস্থ-সবল না হবে, নতুন দল না হবে, তত দিন পর্যন্ত নির্বাচন দেবেন না, এটা তো পক্ষপাতিত্বমূলক।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এই সরকার যদি একবার গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাহলে তো আমাদের নিজ পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। এমন একটা দিন আসুক, আমরা চাই না। যা হওয়ার হয়েছে, এখন একটা নির্বাচন হোক। আর যদি আসে তাহলে তো আমরা চুপ করে বসে থাকব, তাও না।’
ধৈর্যের বাঁধ ভাঙার আগেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথাযথভাবে নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে আশাবাদ ব্যক্ত করে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘নির্বাচনের মাধ্যমে ফয়সালা হয়ে যাবে, জনগণ কাকে ক্ষমতা দেবে। জনগণই দেশের মালিক, ক্ষমতার উৎস। সেই জনগণ যদি ১৯৭১ এর যুদ্ধের বিরোধীদের ভোট দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনে, আমার আপত্তি নেই।’
তিনি বলেন, ‘এই যে রাজনীতিবিদদের মধ্যে সংস্কারের চিন্তা-ভাবনা, ইতিবাচক মনোভাব, এটা তো কম কথা না। আমরা যে ভুলগুলো করেছি- যার জন্য দেশের আজকের এই দুরবস্থা, সেটিকে সঠিক জায়গায় আনতে গেলে একটা স্বাধীন দেশের জন্য যে পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করা দরকার, সেটাই সংস্কার।
গয়েশ্বর বলেন, ‘আমাদের দেশের বুদ্ধিমান লোকদের আমি শ্রদ্ধা করি। কিন্তু এই বুদ্ধিমান লোকেরাই রাজনীতিবিদদের মানুষ হিসেবে গণ্য করে না। আমরা রাজনীতি করি বলে তারা মনে করে আমরা মূর্খের দল, কোনো লেখাপড়া করিনাই। সে কারণেই আজকে যে সকল জ্ঞানী-গুনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে আছেন, যারা সমাজে সুন্দর সুন্দর কথা বলে, তাদের কথা সবাই মনোযোগ দিয়ে শুনতেছেন। আমাদের কথা শুধু একটা ফর্মালিটি যে বিএনপির সাথে আলোচনা হয়েছে, অমুক দলকে ডাকা হয়েছে। এত ডাকাডাকির দরকারটা কি? নির্বাচনর পদ্ধতি তো আমাদের জানাই আছে। ভোটার তালিকা করবেন, যা করবেন করে ফেলেন। একটা নির্বাচন দিয়ে দেন। আমাদের মতামতের দরকার কি? কোনো দরকার নাই।’
তিনি বলেন, ‘আমরাতো ৩১ দফা দিয়েই রেখেছি। যে যে কমিশন বানিয়েছেন, তাদের ৫ জনকে বসিয়ে দেন। সেখানে কী বাদ দিতে হবে, যোগ করতে হবে করেন, বা তাদের কোনো ভাবনা থাকলে দিতে পারেন। একেকটা কমিশন ২০০ পৃষ্ঠা, ৩০০ পৃষ্ঠা লিখে পাঠাবে আর সারা দিন এগুলো পড়ব, এটা হয়? হয় না।’

দেশে সময়মতো নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ, একটা নির্বাচন আদায় করার জন্য জনগণকে যেন রাস্তায় গুলি খেয়ে মরতে না হয়। আপনারা সময়মতো নির্বাচনটা দেন, তাতে আপনারা ফুলের পাপড়িতে ঢাকা পড়বেন।’
আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তৃণমূল দলের ১৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বাবু গয়েশ্বর বলেন, ‘আপনাদের গলায় যত মালা পড়াব, তত মালার ওজন আপনারা সইতে পারবেন না। আপনাদেরকে আমরা সম্মানের সাথে আনছি, সম্মানের সাথেই বিদায় করতে চাই, আপনারা দায়িত্বটা পালন করেন। আর যদি আমাদেরকে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামান, কতটুকু সময় টিকবেন সেটা একটু ভেবে দেখবেন।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এসে যাবে, এ জন্য এই সরকারকে রাখতে হবে, যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সারা জীবনের জন্য দরকার। আর তারা যতক্ষণ পর্যন্ত সুস্থ-সবল না হবে, নতুন দল না হবে, তত দিন পর্যন্ত নির্বাচন দেবেন না, এটা তো পক্ষপাতিত্বমূলক।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এই সরকার যদি একবার গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাহলে তো আমাদের নিজ পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। এমন একটা দিন আসুক, আমরা চাই না। যা হওয়ার হয়েছে, এখন একটা নির্বাচন হোক। আর যদি আসে তাহলে তো আমরা চুপ করে বসে থাকব, তাও না।’
ধৈর্যের বাঁধ ভাঙার আগেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথাযথভাবে নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে আশাবাদ ব্যক্ত করে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘নির্বাচনের মাধ্যমে ফয়সালা হয়ে যাবে, জনগণ কাকে ক্ষমতা দেবে। জনগণই দেশের মালিক, ক্ষমতার উৎস। সেই জনগণ যদি ১৯৭১ এর যুদ্ধের বিরোধীদের ভোট দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনে, আমার আপত্তি নেই।’
তিনি বলেন, ‘এই যে রাজনীতিবিদদের মধ্যে সংস্কারের চিন্তা-ভাবনা, ইতিবাচক মনোভাব, এটা তো কম কথা না। আমরা যে ভুলগুলো করেছি- যার জন্য দেশের আজকের এই দুরবস্থা, সেটিকে সঠিক জায়গায় আনতে গেলে একটা স্বাধীন দেশের জন্য যে পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করা দরকার, সেটাই সংস্কার।
গয়েশ্বর বলেন, ‘আমাদের দেশের বুদ্ধিমান লোকদের আমি শ্রদ্ধা করি। কিন্তু এই বুদ্ধিমান লোকেরাই রাজনীতিবিদদের মানুষ হিসেবে গণ্য করে না। আমরা রাজনীতি করি বলে তারা মনে করে আমরা মূর্খের দল, কোনো লেখাপড়া করিনাই। সে কারণেই আজকে যে সকল জ্ঞানী-গুনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে আছেন, যারা সমাজে সুন্দর সুন্দর কথা বলে, তাদের কথা সবাই মনোযোগ দিয়ে শুনতেছেন। আমাদের কথা শুধু একটা ফর্মালিটি যে বিএনপির সাথে আলোচনা হয়েছে, অমুক দলকে ডাকা হয়েছে। এত ডাকাডাকির দরকারটা কি? নির্বাচনর পদ্ধতি তো আমাদের জানাই আছে। ভোটার তালিকা করবেন, যা করবেন করে ফেলেন। একটা নির্বাচন দিয়ে দেন। আমাদের মতামতের দরকার কি? কোনো দরকার নাই।’
তিনি বলেন, ‘আমরাতো ৩১ দফা দিয়েই রেখেছি। যে যে কমিশন বানিয়েছেন, তাদের ৫ জনকে বসিয়ে দেন। সেখানে কী বাদ দিতে হবে, যোগ করতে হবে করেন, বা তাদের কোনো ভাবনা থাকলে দিতে পারেন। একেকটা কমিশন ২০০ পৃষ্ঠা, ৩০০ পৃষ্ঠা লিখে পাঠাবে আর সারা দিন এগুলো পড়ব, এটা হয়? হয় না।’

আগামী ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সিলেট সফরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারে নামছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সফরের সূচনা করবেন।
১৯ মিনিট আগে
বৈষম্যহীন ব্যবস্থা এবং নতুন আর্থ-রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে নতুন এক রাজনৈতিক শক্তির কথা বলেছেন সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। দুই সপ্তাহ ধরে ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনার পর এই সম্ভাবনার কথা লিখলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
পেশার চেয়ে গোপন উৎসে ৫ গুণেরও বেশি আয় জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁর। তাঁর স্থাবর কিংবা অস্থাবর কোনো সম্পদের মূল্যও বাড়েনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের হলফনামায় তিনি এমন তথ্য তুলে ধরেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ছিল দুর্নীতির একটিসহ ১৮টি মামলা। এর মধ্যে ৯টিতে খালাস পেয়েছেন তিনি। ৮টি মামলা এখনো বিচারাধীন। একটি মামলার তদন্ত চলছে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আফজাল হোসাইন সাতটি মামলার মধ্যে চারটিতে খালাস পেয়েছেন। দুটিতে চূড়ান
১১ ঘণ্টা আগে