Ajker Patrika

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর নজিরবিহীন আক্রমণ: গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১: ০৯
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর নজিরবিহীন আক্রমণ: গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে করা যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর ‘নজিরবিহীন আক্রমণ’ বলে জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি। অবিলম্বে নির্বাচিত সরকারকে এই ‘অবৈধ’ চুক্তি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

২০ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সাধারণ সভায় এমন আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটির নেতারা। আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের সদস্য মারজিয়া প্রভার পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের সংগঠক দীপা দত্ত, গবেষক মাহতাবউদ্দীন আহমেদ, লেখক চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য, সদরুল হাসান রিপন, মহসিন আলী, ডা. নাজমুস সাকিব, শ্রমিকনেতা সত্যজিৎ বিশ্বাস, ইকবাল কবীর প্রমুখ।

এ ছাড়া গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নেতা দীলিপ রায়, রাফিকুজ্জামান ফরিদ, ছায়েদুল হক নিশান, আইনজীবী আলাউদ্দিন আহমেদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা আকরাম খান, রাফসান আহমেদ, অ্যাকটিভিস্ট মারজিয়া প্রভা এবং ফখরুদ্দিন কবীর আতিক সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে জনসম্মতির বিরুদ্ধে গিয়ে ‘স্বেচ্ছাচারী’, ‘তড়িঘড়ি’ ও ‘অস্বচ্ছতা’র সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির নিন্দা জানান। এ চুক্তিকে বাংলাদেশের জন্য ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন তাঁরা।

সভায় বলা হয়, এই ধরনের চুক্তি বাংলাদেশকে স্থায়ীভাবে শৃঙ্খলিত করা, অর্থনৈতিকভাবে বিপদগ্রস্ত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্ত করার ‘ষড়যন্ত্র’, যা জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর ‘নজিরবিহীন আক্রমণ’।

আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের যে উপদেষ্টা জাতীয় স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন চুক্তির মূল কারিগর, তাঁকেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে দেশের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করা হয়েছে। সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রমের ওপর শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী ভূমিকায় লিপ্ত ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানানো হয়।

সভায় নির্বাচন-পরবর্তী বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা এবং হাতিয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ তদন্তের দাবি জানানো হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত