নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে গঠিত উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরাম (উই)-এ পুরুষেরা কীভাবে সদস্য হন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তিনি বলেছেন, ‘উই তো নারীদের গ্রুপ। এখানে শতভাগ নারীদের অংশগ্রহণ থাকার কথা। এই গ্রুপে পুরুষেরা কেন?’
আজ শনিবার অনলাইন মাধ্যমে এন্টারপ্রেনারশিপ মাস্টার ক্লাসের ১১তম সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। উই-এর উদ্যোগে এই মাস্টার ক্লাসের আয়োজন করা হয়েছে। উই এর প্রতিষ্ঠাতা নাসিমা আক্তার নিশার পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তারা অংশ নেন। এই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সরকারি চাকরিতে পুনরায় ১০ শতাংশ নারী কোটা চালুর দাবি তুলতে সবাইকে অনুরোধ করেন।
কে এম খালিদ বলেন, ‘আমাদের সরকার নারী বান্ধব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং স্পিকার নারী। তারপরও নারীরা এখনো অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছেন। আমি খুব অবাক হয়েছি, যখন দেখলাম নারী কোটা বাতিলের দাবিতে মেয়েরাই আন্দোলনে নামলো। পুরুষ শাসিত সমাজ থেকে কেন নারী কোটা বাতিল হলো আমার বুঝে আসে না, তাদের কোটা চালু রাখা যেতে পারে। এখানে আপনারা যেহেতু প্রায় শতভাগ নারী তাই নারী কোটা পুনরায় ১০ শতাংশ চালুর জন্য দাবি তুলতে পারেন।’
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘২০১৭ সাল থেকে নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় কাজ শুরু করে উই। এখন তাদের সদস্য সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। তারা দেশীয় পণ্য উৎপন্ন করে নিজেদের মাধ্যমে বাজারজাত করছেন। এর ফলে বিদেশে তাদের পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স আসছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যে সর্বোচ্চ রিজার্ভ সেখানেও তাদের অবদান রয়েছে।’
এন্টারপ্রেনারশিপ মাস্টারক্লাস সম্পর্কে আয়োজকরা জানান, এ ক্লাস থেকে নারীরা কীভাবে পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করবেন সে বিষয়ে সম্মুখ ধারণা নিতে পারছেন। এতে তাদের পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা নিতে পারছেন। এ মাস্টারক্লাস থেকে একজন নারী উদ্যোক্তা জানতে পারছেন-পণ্য কীভাবে কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে হবে, কীভাবে ধৈর্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে, কাস্টমারের কাছে কীভাবে নিজের উদ্যোগকে পৌঁছে দিতে হবে।

ঢাকা: নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে গঠিত উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরাম (উই)-এ পুরুষেরা কীভাবে সদস্য হন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তিনি বলেছেন, ‘উই তো নারীদের গ্রুপ। এখানে শতভাগ নারীদের অংশগ্রহণ থাকার কথা। এই গ্রুপে পুরুষেরা কেন?’
আজ শনিবার অনলাইন মাধ্যমে এন্টারপ্রেনারশিপ মাস্টার ক্লাসের ১১তম সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। উই-এর উদ্যোগে এই মাস্টার ক্লাসের আয়োজন করা হয়েছে। উই এর প্রতিষ্ঠাতা নাসিমা আক্তার নিশার পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তারা অংশ নেন। এই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সরকারি চাকরিতে পুনরায় ১০ শতাংশ নারী কোটা চালুর দাবি তুলতে সবাইকে অনুরোধ করেন।
কে এম খালিদ বলেন, ‘আমাদের সরকার নারী বান্ধব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং স্পিকার নারী। তারপরও নারীরা এখনো অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছেন। আমি খুব অবাক হয়েছি, যখন দেখলাম নারী কোটা বাতিলের দাবিতে মেয়েরাই আন্দোলনে নামলো। পুরুষ শাসিত সমাজ থেকে কেন নারী কোটা বাতিল হলো আমার বুঝে আসে না, তাদের কোটা চালু রাখা যেতে পারে। এখানে আপনারা যেহেতু প্রায় শতভাগ নারী তাই নারী কোটা পুনরায় ১০ শতাংশ চালুর জন্য দাবি তুলতে পারেন।’
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘২০১৭ সাল থেকে নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় কাজ শুরু করে উই। এখন তাদের সদস্য সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। তারা দেশীয় পণ্য উৎপন্ন করে নিজেদের মাধ্যমে বাজারজাত করছেন। এর ফলে বিদেশে তাদের পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স আসছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যে সর্বোচ্চ রিজার্ভ সেখানেও তাদের অবদান রয়েছে।’
এন্টারপ্রেনারশিপ মাস্টারক্লাস সম্পর্কে আয়োজকরা জানান, এ ক্লাস থেকে নারীরা কীভাবে পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করবেন সে বিষয়ে সম্মুখ ধারণা নিতে পারছেন। এতে তাদের পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা নিতে পারছেন। এ মাস্টারক্লাস থেকে একজন নারী উদ্যোক্তা জানতে পারছেন-পণ্য কীভাবে কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে হবে, কীভাবে ধৈর্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে, কাস্টমারের কাছে কীভাবে নিজের উদ্যোগকে পৌঁছে দিতে হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৮ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৯ ঘণ্টা আগে