নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ‘আমাদের প্রয়াত নেতা পল্লিবন্ধু এরশাদ প্রতিহিংসামূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন না। কিন্তু রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ছড়িয়ে পড়ছে, যা আগামীর বাংলাদেশের জন্য অশনিসংকেত। দেশপ্রেমিক সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের উচিত, রাজনীতি থেকে প্রতিহিংসা নির্মূল করা।’
গতকাল সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশানে হাওলাদার টাওয়ারে জাতীয় পার্টির (একাংশের) নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুর জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘দেশবাসীর অকুণ্ঠ সমর্থন এবং এরশাদপ্রেমিক নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার কারণে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারেনি। আগামী দিনেও দেশ ও দেশের গণতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় পার্টির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ইস্পাত কঠিন বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
‘আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, তাহলে আমাদের পার্টির ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হবে। একই সঙ্গে আমাদের প্রয়াত নেতা পল্লিবন্ধু এরশাদের স্বপ্নের উন্নয়ন, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি ও আধুনিক উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে পারব।’
অনুষ্ঠানে দলটির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘দেশে একধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। মানুষ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। একই সঙ্গে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। কোনো একক নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি চলবে না। জাতীয় পার্টির মালিকানা থাকবে দেশের ৬৪টি জেলার তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কাছে। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ‘আমাদের প্রয়াত নেতা পল্লিবন্ধু এরশাদ প্রতিহিংসামূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন না। কিন্তু রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ছড়িয়ে পড়ছে, যা আগামীর বাংলাদেশের জন্য অশনিসংকেত। দেশপ্রেমিক সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের উচিত, রাজনীতি থেকে প্রতিহিংসা নির্মূল করা।’
গতকাল সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশানে হাওলাদার টাওয়ারে জাতীয় পার্টির (একাংশের) নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুর জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘দেশবাসীর অকুণ্ঠ সমর্থন এবং এরশাদপ্রেমিক নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার কারণে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারেনি। আগামী দিনেও দেশ ও দেশের গণতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় পার্টির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ইস্পাত কঠিন বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
‘আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, তাহলে আমাদের পার্টির ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হবে। একই সঙ্গে আমাদের প্রয়াত নেতা পল্লিবন্ধু এরশাদের স্বপ্নের উন্নয়ন, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি ও আধুনিক উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে পারব।’
অনুষ্ঠানে দলটির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘দেশে একধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। মানুষ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। একই সঙ্গে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। কোনো একক নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি চলবে না। জাতীয় পার্টির মালিকানা থাকবে দেশের ৬৪টি জেলার তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কাছে। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’

জামায়াতের সঙ্গে জোট যে অপরিবর্তনীয় নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘২০ তারিখ (২০ জানুয়ারি) হলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হলো ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তাই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগপর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
৩২ মিনিট আগে
একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
২ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে