নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠন—যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ সমাবেশ শুরু হয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা ৩টা ৩৭ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সঞ্চালনা করছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। সমাবেশ শুরুর আগে প্রায় দু ঘণ্টা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দেবেন।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নয়াপল্টন এলাকা রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে। সমাবেশে নেতা-কর্মীদের সমাগম নয়াপল্টন ছাড়িয়ে রাজধানীর মৎস্য ভবন, কাকরাইল, প্রেসক্লাব, পল্টন, দৈনিক বাংলা মোড়, ফকিরাপুল, মতিঝিল, কমলাপুর, শাহাজানপুর, মালিবাগ, শান্তিনগর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ঢাকা, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট চারটি বিভাগের নেতা-কর্মীরা এ সমাবেশে উপস্থিত আছেন।
অনেকের হাতে দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন। কেউ কেউ নেচে-গেয়ে স্লোগানে স্লোগানে কর্মসূচিতে প্রাণচাঞ্চল্য যোগ করেছেন। নেতা-কর্মীদের মাথায় লাল, হলুদ ও সবুজ রঙের টুপি দেখা গেছে।
নেতারা বলছেন, তরুণদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অধিকার এখন সংকুচিত। সমাবেশের মাধ্যমে তাঁরা সেই অধিকার আদায়ের পথে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছেন।
নয়াপল্টনের উভয় পাশে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। যার ফলে আশপাশের এলাকাগুলোর সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠন—যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ সমাবেশ শুরু হয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা ৩টা ৩৭ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সঞ্চালনা করছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। সমাবেশ শুরুর আগে প্রায় দু ঘণ্টা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দেবেন।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নয়াপল্টন এলাকা রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে। সমাবেশে নেতা-কর্মীদের সমাগম নয়াপল্টন ছাড়িয়ে রাজধানীর মৎস্য ভবন, কাকরাইল, প্রেসক্লাব, পল্টন, দৈনিক বাংলা মোড়, ফকিরাপুল, মতিঝিল, কমলাপুর, শাহাজানপুর, মালিবাগ, শান্তিনগর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ঢাকা, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট চারটি বিভাগের নেতা-কর্মীরা এ সমাবেশে উপস্থিত আছেন।
অনেকের হাতে দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন। কেউ কেউ নেচে-গেয়ে স্লোগানে স্লোগানে কর্মসূচিতে প্রাণচাঞ্চল্য যোগ করেছেন। নেতা-কর্মীদের মাথায় লাল, হলুদ ও সবুজ রঙের টুপি দেখা গেছে।
নেতারা বলছেন, তরুণদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অধিকার এখন সংকুচিত। সমাবেশের মাধ্যমে তাঁরা সেই অধিকার আদায়ের পথে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছেন।
নয়াপল্টনের উভয় পাশে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। যার ফলে আশপাশের এলাকাগুলোর সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

জামায়াতের সঙ্গে জোট যে অপরিবর্তনীয় নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘২০ তারিখ (২০ জানুয়ারি) হলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হলো ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তাই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগপর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৩ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে