নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি অন্যান্য শক্তিকে নিয়ে সারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অছাত্রদের সমাবেশ ঘটিয়েছে। তাই নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বিএনপিকে প্রতিহত করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশবিরোধী চক্রান্তের প্রতিবাদে আওয়ামী যুব মহিলা লীগ আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে (ছাত্রদলের মিছিলে) স্লোগান দিয়েছে, পঁচাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার। এই স্লোগানের মাধ্যমে বিএনপি প্রমাণ করেছে যে, পঁচাত্তরের ঘটনা তারাই ঘটিয়েছে, জিয়াউর রহমান ঘটিয়েছে। তারা স্বীকার করে নিয়েছে।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হওয়ার পর খালেদা জিয়া, মির্জা ফখরুল ইসলামের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের সমালোচনায় মাথা নিচু হয়ে গেছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের উচ্ছ্বাস আর বিএনপির সহ্য হচ্ছে না।’
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, ‘বিএনপি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা লাশের রাজনীতি করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। ওরা এই (পঁচাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার) স্লোগান দিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেয়। এই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, এই বাংলাদেশ আর ৭৫ দেখবে না।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে নানক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচন চান। এখন তিনি কোন পথে হাঁটবেন, সিদ্ধান্ত নিতে হবে—ষড়যন্ত্রের পথে, নাকি গণতন্ত্রের পথে? গণতন্ত্রের পথে হাঁটলে নির্বাচন কমিশনকে মানতে হবে। সেটা প্রতিহত করার অধিকার আপনাদের নেই।’
আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আখতারের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিলসহ আওয়ামী যুব মহিলা লীগের অন্যান্য নেত্রী।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি অন্যান্য শক্তিকে নিয়ে সারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অছাত্রদের সমাবেশ ঘটিয়েছে। তাই নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বিএনপিকে প্রতিহত করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশবিরোধী চক্রান্তের প্রতিবাদে আওয়ামী যুব মহিলা লীগ আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে (ছাত্রদলের মিছিলে) স্লোগান দিয়েছে, পঁচাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার। এই স্লোগানের মাধ্যমে বিএনপি প্রমাণ করেছে যে, পঁচাত্তরের ঘটনা তারাই ঘটিয়েছে, জিয়াউর রহমান ঘটিয়েছে। তারা স্বীকার করে নিয়েছে।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হওয়ার পর খালেদা জিয়া, মির্জা ফখরুল ইসলামের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের সমালোচনায় মাথা নিচু হয়ে গেছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের উচ্ছ্বাস আর বিএনপির সহ্য হচ্ছে না।’
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, ‘বিএনপি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা লাশের রাজনীতি করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। ওরা এই (পঁচাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার) স্লোগান দিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেয়। এই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, এই বাংলাদেশ আর ৭৫ দেখবে না।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে নানক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচন চান। এখন তিনি কোন পথে হাঁটবেন, সিদ্ধান্ত নিতে হবে—ষড়যন্ত্রের পথে, নাকি গণতন্ত্রের পথে? গণতন্ত্রের পথে হাঁটলে নির্বাচন কমিশনকে মানতে হবে। সেটা প্রতিহত করার অধিকার আপনাদের নেই।’
আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আখতারের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিলসহ আওয়ামী যুব মহিলা লীগের অন্যান্য নেত্রী।

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৩৭ মিনিট আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৪১ মিনিট আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে