নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীতে হতে যাওয়া আজকের সমাবেশ স্থগিত করেছে জামায়াতে ইসলামী। আজকের পরিবর্তে আগামী ৪ আগস্ট শুক্রবার পূর্বঘোষিত জায়গাতেই সমাবেশ অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে তারা। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এ ঘোষণা দেন।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ বেলা ২টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে এই সমাবেশ করার কথা ছিল জামায়াতের। এ বিষয়ে তারা প্রশাসনকেও অবহিত করে, কিন্তু সমাবেশ করতে অনুমতি দেওয়া হয়নি।
সমাবেশের তারিখ পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়ে নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সংঘাত এড়াতে সমাবেশের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রশাসন এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করবে বলে প্রত্যাশা করছি।
পুলিশ প্রশাসনের সংবিধান ও গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘কোনো দলবিশেষ নয়, দেশের পক্ষে, জনগণের পক্ষে ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে প্রশাসনকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, কোনো দল চিরদিন ক্ষমতায় থাকবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বুলবুল বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো ধরনের সংঘাত, সংঘর্ষে বিশ্বাসী নয়। দীর্ঘ ১০ বছর পর গত ১০ জুন রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে স্বল্প সময়ের নোটিশে সমাবেশ করতে দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সেই দিন একটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ ঐতিহাসিক সমাবেশ উপহার দিয়েছিল, যা দেশে-বিদেশে সমাদৃত হয়েছিল। এবারও আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে চেয়েছি। কিন্তু সরকার আমাদের সমাবেশ করতে না দিয়ে চরম অন্যায় করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
গত ২৪ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে ১ আগস্ট ঢাকায় সমাবেশের ঘোষণা দেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মুজিবুর রহমান। ২৫ জুলাই মেইলে ও চিঠিতে এ বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
ক্ষোভ জানিয়ে নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনী কোনো দলের পক্ষ না হয়ে জনগণের পক্ষে ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেছি, ডিএমপি কমিশনার আমাদের সমাবেশ না করার জন্য মৌখিকভাবে জানানোর পাশাপাশি ডিএমপির মতিঝিল জোনের উপ-পলিশ কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াতকে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তারা যদি ডিএমপির সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করে সমাবেশ বা জড়ো হওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বুলবুল বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ করার জন্য পুলিশের অনুমতির প্রয়োজন নেই। সভা-সমাবেশ করা সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। সংবিধান প্রদত্ত এই অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। আমরা আরও লক্ষ করছি, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল মিছিল, মিটিং ও সমাবেশ করে যাচ্ছে; কিন্তু সরকার জামায়াতে ইসলামীকে অন্যায়ভাবে সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী ও মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বারবার সহযোগিতা চাওয়ার পরও সরকার সভা-সমাবেশ করতে দিচ্ছে না।’

রাজধানীতে হতে যাওয়া আজকের সমাবেশ স্থগিত করেছে জামায়াতে ইসলামী। আজকের পরিবর্তে আগামী ৪ আগস্ট শুক্রবার পূর্বঘোষিত জায়গাতেই সমাবেশ অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে তারা। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এ ঘোষণা দেন।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ বেলা ২টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে এই সমাবেশ করার কথা ছিল জামায়াতের। এ বিষয়ে তারা প্রশাসনকেও অবহিত করে, কিন্তু সমাবেশ করতে অনুমতি দেওয়া হয়নি।
সমাবেশের তারিখ পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়ে নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সংঘাত এড়াতে সমাবেশের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রশাসন এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করবে বলে প্রত্যাশা করছি।
পুলিশ প্রশাসনের সংবিধান ও গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘কোনো দলবিশেষ নয়, দেশের পক্ষে, জনগণের পক্ষে ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে প্রশাসনকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, কোনো দল চিরদিন ক্ষমতায় থাকবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বুলবুল বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো ধরনের সংঘাত, সংঘর্ষে বিশ্বাসী নয়। দীর্ঘ ১০ বছর পর গত ১০ জুন রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে স্বল্প সময়ের নোটিশে সমাবেশ করতে দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সেই দিন একটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ ঐতিহাসিক সমাবেশ উপহার দিয়েছিল, যা দেশে-বিদেশে সমাদৃত হয়েছিল। এবারও আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে চেয়েছি। কিন্তু সরকার আমাদের সমাবেশ করতে না দিয়ে চরম অন্যায় করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
গত ২৪ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে ১ আগস্ট ঢাকায় সমাবেশের ঘোষণা দেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মুজিবুর রহমান। ২৫ জুলাই মেইলে ও চিঠিতে এ বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
ক্ষোভ জানিয়ে নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনী কোনো দলের পক্ষ না হয়ে জনগণের পক্ষে ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেছি, ডিএমপি কমিশনার আমাদের সমাবেশ না করার জন্য মৌখিকভাবে জানানোর পাশাপাশি ডিএমপির মতিঝিল জোনের উপ-পলিশ কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াতকে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তারা যদি ডিএমপির সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করে সমাবেশ বা জড়ো হওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বুলবুল বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ করার জন্য পুলিশের অনুমতির প্রয়োজন নেই। সভা-সমাবেশ করা সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। সংবিধান প্রদত্ত এই অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। আমরা আরও লক্ষ করছি, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল মিছিল, মিটিং ও সমাবেশ করে যাচ্ছে; কিন্তু সরকার জামায়াতে ইসলামীকে অন্যায়ভাবে সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী ও মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বারবার সহযোগিতা চাওয়ার পরও সরকার সভা-সমাবেশ করতে দিচ্ছে না।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৭ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগে