হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, ‘দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল জাতীয় নির্বাচনে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতির পক্ষে মত দিলেও বিএনপি এতে বাধা দিচ্ছে, যা বোধগম্য নয়। এমনকি বামপন্থী দলগুলোও এই পদ্ধতিকে সমর্থন জানিয়েছে।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের ঐক্য ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখা।
চরমোনাই পীর বলেন, ‘বিগত ৫৩ বছরে যাঁরা দেশ পরিচালনা করেছেন, তারা ইসলামি দলগুলোকে নানা সময় বোকা বানিয়ে নিজেদের ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এঁদের শাসনামলে বাংলাদেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের তালিকায় উঠে আসে। গুম, খুন, নিপীড়নের সংস্কৃতি চালু হয়। দেশ চলে যায় দেউলিয়াত্বের পথে। স্বাধীনতা অর্জনের পরও দেশ ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে চলেছে। ফলশ্রুতিতে আমরা পেয়েছি আয়নাঘর।’
তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্টের পর দেশে ইসলামের পক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে। ইসলামি দলগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি আর দেশে ইসলামবিরোধী আইন চাপিয়ে দিতে পারবে না। এখন এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। কারণ, কিছু দল আগস্টের পর থেকেই লুটপাটে নেমে পড়েছে, অথচ ইসলামপন্থীরা দেশ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা লোকমান ছাদী। সঞ্চালনায় ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক শামসুল হুদা।
সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির কাজী মুখলিছুর রহমান, খেলাফত মজলিস হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সারোয়ার রহমান চৌধুরী, মুফতি মঈনুদ্দীন খান তানভীর, মহিবউদ্দিন আহমেদ সোহেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মাওলানা আবদাল হোসেন খান প্রমুখ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, ‘দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল জাতীয় নির্বাচনে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতির পক্ষে মত দিলেও বিএনপি এতে বাধা দিচ্ছে, যা বোধগম্য নয়। এমনকি বামপন্থী দলগুলোও এই পদ্ধতিকে সমর্থন জানিয়েছে।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের ঐক্য ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখা।
চরমোনাই পীর বলেন, ‘বিগত ৫৩ বছরে যাঁরা দেশ পরিচালনা করেছেন, তারা ইসলামি দলগুলোকে নানা সময় বোকা বানিয়ে নিজেদের ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এঁদের শাসনামলে বাংলাদেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের তালিকায় উঠে আসে। গুম, খুন, নিপীড়নের সংস্কৃতি চালু হয়। দেশ চলে যায় দেউলিয়াত্বের পথে। স্বাধীনতা অর্জনের পরও দেশ ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে চলেছে। ফলশ্রুতিতে আমরা পেয়েছি আয়নাঘর।’
তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্টের পর দেশে ইসলামের পক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে। ইসলামি দলগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি আর দেশে ইসলামবিরোধী আইন চাপিয়ে দিতে পারবে না। এখন এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। কারণ, কিছু দল আগস্টের পর থেকেই লুটপাটে নেমে পড়েছে, অথচ ইসলামপন্থীরা দেশ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা লোকমান ছাদী। সঞ্চালনায় ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক শামসুল হুদা।
সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির কাজী মুখলিছুর রহমান, খেলাফত মজলিস হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সারোয়ার রহমান চৌধুরী, মুফতি মঈনুদ্দীন খান তানভীর, মহিবউদ্দিন আহমেদ সোহেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মাওলানা আবদাল হোসেন খান প্রমুখ।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে