নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও নতুন সংবিধানের দাবি আবার জানাল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, তাদের এসব দাবি আদায় না হলে সে নির্বাচনে এনসিপি অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের এই অবস্থান তুলে ধরেন দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন, যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন, জয়নাল আবেদীন শিশির, জহিরুল ইসলাম মুসা, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, কেন্দ্রীয় সংগঠক আরমান হোসেন প্রমুখ।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনেক রাজনৈতিক দল ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেন আখতার হোসেন। জুলাই সনদ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়া না হলে, গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধানে জুলাই সনদ অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো না হলে, সেই সনদ দেশের মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে ব্যর্থ হবে। ব্যর্থ কোনো সনদে এনসিপির স্বাক্ষর করার কোনো অর্থ থাকে না।’
এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, ‘আমরা গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আহ্বান করছি। নতুন সংবিধানের বিষয়ে ও জুলাই সনদের বিষয়গুলোকে বাস্তবায়ন না করে সরকার নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হলে দেশের গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করতে পারবে না। সেই নির্বাচনে এনসিপি অংশ নেবে কি না, সে সংশয়ের জায়গা রয়েছে।’
এ বিষয়ে আখতার হোসেন আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ নতুন শাসনতান্ত্রিক কাঠামো পাবে। সেটা না হলে, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আদতে কোনো মানে থাকে না।’
মৌলিক সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে তাতে এনসিপি অংশ নেবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার হোসেন বলেন, বিদ্যমান সংবিধান বহাল রেখে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সমূহ আশঙ্কা রয়ে যাবে। তাই সামনের নির্বাচন জুলাই সনদের ভিত্তিতে হতে হবে। এ জন্য নতুন করে এলএফও (আইনগত কাঠামো আদেশ) করতে হবে। নতুন সংবিধানের ব্যাপারে ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন হলে, এনসিপি সে নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত।
রাজনৈতিক দলগুলো শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবির মাধ্যমে সংস্কার প্রস্তাবগুলোকে পরের সংসদের হাতে ছেড়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে, যেটা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতমুখী অবস্থান। এ মন্তব্য করে এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, ‘আমরা এ কারণে নতুন সংবিধানের দাবি করছি। সরকার যেকোনো সময়ে নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে, গণপরিষদ নির্বাচন হলে সেটা ডিসেম্বরেও আয়োজন করতে পারে। সে নির্বাচনের মাধ্যমে জাতিকে নতুন সংবিধান উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।’
আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার ব্যাপারে বিএনপির আপত্তি রয়েছে। সংস্কারের বিষয়গুলো নতুন সংবিধানে যুক্ত করার বিষয়েও আপত্তি দিয়েছে। সংস্কার প্রস্তাবগুলো বিএনপি আসলে কতটা মন থেকে গ্রহণ করে, সে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও নতুন সংবিধানের দাবি আবার জানাল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, তাদের এসব দাবি আদায় না হলে সে নির্বাচনে এনসিপি অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের এই অবস্থান তুলে ধরেন দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন, যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন, জয়নাল আবেদীন শিশির, জহিরুল ইসলাম মুসা, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, কেন্দ্রীয় সংগঠক আরমান হোসেন প্রমুখ।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনেক রাজনৈতিক দল ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেন আখতার হোসেন। জুলাই সনদ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়া না হলে, গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধানে জুলাই সনদ অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো না হলে, সেই সনদ দেশের মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে ব্যর্থ হবে। ব্যর্থ কোনো সনদে এনসিপির স্বাক্ষর করার কোনো অর্থ থাকে না।’
এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, ‘আমরা গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আহ্বান করছি। নতুন সংবিধানের বিষয়ে ও জুলাই সনদের বিষয়গুলোকে বাস্তবায়ন না করে সরকার নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হলে দেশের গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করতে পারবে না। সেই নির্বাচনে এনসিপি অংশ নেবে কি না, সে সংশয়ের জায়গা রয়েছে।’
এ বিষয়ে আখতার হোসেন আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ নতুন শাসনতান্ত্রিক কাঠামো পাবে। সেটা না হলে, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আদতে কোনো মানে থাকে না।’
মৌলিক সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে তাতে এনসিপি অংশ নেবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার হোসেন বলেন, বিদ্যমান সংবিধান বহাল রেখে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সমূহ আশঙ্কা রয়ে যাবে। তাই সামনের নির্বাচন জুলাই সনদের ভিত্তিতে হতে হবে। এ জন্য নতুন করে এলএফও (আইনগত কাঠামো আদেশ) করতে হবে। নতুন সংবিধানের ব্যাপারে ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন হলে, এনসিপি সে নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত।
রাজনৈতিক দলগুলো শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবির মাধ্যমে সংস্কার প্রস্তাবগুলোকে পরের সংসদের হাতে ছেড়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে, যেটা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতমুখী অবস্থান। এ মন্তব্য করে এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, ‘আমরা এ কারণে নতুন সংবিধানের দাবি করছি। সরকার যেকোনো সময়ে নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে, গণপরিষদ নির্বাচন হলে সেটা ডিসেম্বরেও আয়োজন করতে পারে। সে নির্বাচনের মাধ্যমে জাতিকে নতুন সংবিধান উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।’
আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার ব্যাপারে বিএনপির আপত্তি রয়েছে। সংস্কারের বিষয়গুলো নতুন সংবিধানে যুক্ত করার বিষয়েও আপত্তি দিয়েছে। সংস্কার প্রস্তাবগুলো বিএনপি আসলে কতটা মন থেকে গ্রহণ করে, সে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে