নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নবগঠিত নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থেকে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে বলে দেশবাসী মনে করে না। জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের খেয়াল খুশি অনুযায়ী যে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে তারা অতীতের কমিশনের মতোই আওয়ামী লীগের গুনগ্রাহী হয়ে কাজ করবে।
আজ রোববার দুপুরে বরিশাল চরমোনাইতে অনুষ্ঠিত ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে আলোচনা সভায় চরমোনাই পীর বলেন, ‘আমরা বারবার রাষ্ট্রপতির সংলাপে গিয়ে কিছু সময় নষ্ট করেছি, কিন্তু তাতে জনগণের কোনো কল্যাণ হয়নি। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। দুর্নীতি বন্ধ হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার স্কুল কলেজ থেকে ইসলামি শিক্ষা উঠিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু করেছে। দুঃখজনকভাবে বলতে হচ্ছে-মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের নামে হারাম মদকে হালাল করার আয়োজন চূড়ান্ত করছে।’
পীর সাহেব চরমোনাই আরও বলেন, ‘ক্ষমতার রাজনীতির সিঁড়ি হিসেবে স্বার্থান্বেষী মহল ছাত্র জনতাকে এক সময় অস্ত্রের মাধ্যমে তাদের স্বীয় আদর্শ বিনষ্ট করে দিত, আর এখন আইনি বৈধতার মাধ্যমে মাদক হাতে তুলে দিয়ে আওয়ামী সরকার তাদের জীবন ধ্বংস করে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। প্রস্তাবিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়িত হলে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিপজ্জনকভাবে ভেঙে পরবে।’
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল করীম আকরামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ আল-আমীনের পরিচালনায় আয়োজিত ছাত্র সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির আব্দুল হক আজাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য নূরুল হুদা ফয়েজী, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান, আমিনুল ইসলাম, আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব শেখ ফজলে বারী মাসউদ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ প্রমুখ।
আগামীকাল সোমবার সকাল ৮টায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে চরমোনাইর তিন দিন ব্যাপী মাহফিল শেষ হবে।

নবগঠিত নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থেকে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে বলে দেশবাসী মনে করে না। জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের খেয়াল খুশি অনুযায়ী যে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে তারা অতীতের কমিশনের মতোই আওয়ামী লীগের গুনগ্রাহী হয়ে কাজ করবে।
আজ রোববার দুপুরে বরিশাল চরমোনাইতে অনুষ্ঠিত ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে আলোচনা সভায় চরমোনাই পীর বলেন, ‘আমরা বারবার রাষ্ট্রপতির সংলাপে গিয়ে কিছু সময় নষ্ট করেছি, কিন্তু তাতে জনগণের কোনো কল্যাণ হয়নি। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। দুর্নীতি বন্ধ হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার স্কুল কলেজ থেকে ইসলামি শিক্ষা উঠিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু করেছে। দুঃখজনকভাবে বলতে হচ্ছে-মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের নামে হারাম মদকে হালাল করার আয়োজন চূড়ান্ত করছে।’
পীর সাহেব চরমোনাই আরও বলেন, ‘ক্ষমতার রাজনীতির সিঁড়ি হিসেবে স্বার্থান্বেষী মহল ছাত্র জনতাকে এক সময় অস্ত্রের মাধ্যমে তাদের স্বীয় আদর্শ বিনষ্ট করে দিত, আর এখন আইনি বৈধতার মাধ্যমে মাদক হাতে তুলে দিয়ে আওয়ামী সরকার তাদের জীবন ধ্বংস করে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। প্রস্তাবিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়িত হলে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিপজ্জনকভাবে ভেঙে পরবে।’
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল করীম আকরামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ আল-আমীনের পরিচালনায় আয়োজিত ছাত্র সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির আব্দুল হক আজাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য নূরুল হুদা ফয়েজী, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান, আমিনুল ইসলাম, আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব শেখ ফজলে বারী মাসউদ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ প্রমুখ।
আগামীকাল সোমবার সকাল ৮টায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে চরমোনাইর তিন দিন ব্যাপী মাহফিল শেষ হবে।

দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
১৬ মিনিট আগে
জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
৩ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে