নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া বছরের পর বছর জেলে। একটা আন্দোলনও করতে পারল না ফখরুল। এখন খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন করবে না। আরও কত হুমকি। অক্টোবর তো চলে যাচ্ছে। ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম বুড়িগঙ্গায় ভেসে গেছে। গত ডিসেম্বরের আন্দোলন গোলাপবাগের গরুর হাটের খাদে পড়ে শেষ। আর আন্দোলন আছে?’
আজ মঙ্গলবার আমিন বাজার ট্রাকস্ট্যান্ডে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ফখরুলের গলার আওয়াজ নরম হয়ে গেছে। বেচারা ছুটে ছুটে ঠাকুরগাঁও যায়। সেখানে গিয়ে লোকজন আছে নাকি খোঁজে। লোকজন কেটে পড়বে, লোক আর থাকবে না। মানুষ বুঝে গেছে বিএনপির লাফালাফি-বাড়াবাড়িতে জনগণের কোনো লাভ নেই।
বিএনপি কোনোভাবে ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাকে গিলে খাবে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দলটি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ আবারও দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হাওয়া ভবনের খাওয়ার লুটপাট শুরু হবে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘খেলা হবে। অক্টোবর থেকে শুরু। আগামী মাসে সেমিফাইনাল, জানুয়ারিতে ফাইনাল। বিএনপি এখন ফাউল করছে। ফাউল করলে হলুদ কার্ড, লাল কার্ড। খেলা নিয়ে ফাউল করা চলবে না। খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন করবে না, না করুক। বিএনপির মতো হাঁটুভাঙা ও কোমরভাঙা দল ফাইনাল খেলতে পারবে না।’
সাহসী ক্যাপ্টেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খেলা হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপিওয়ালাদের দম ফুরিয়ে গেছে। ওদের দিয়ে আর আন্দোলনও হবে না, নির্বাচনেও হারবে। এখন ভোট নষ্ট করতে চায়। ভোট বাংলাদেশে হবে। যত ষড়যন্ত্র থাকুক নির্বাচন বাংলাদেশে হবেই। সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ডিসেম্বরে বলেছিল খালেদা জিয়া দেশ চালাবে। ৯ মাস চলে গেছে। এখন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করে। চারটা-পাঁচটা বছর আদালতে হাজিরা দেয় নাই। এত দিন খালেদা জিয়ার মামলার ফয়সালা হয়ে যেত। হয়তো মুক্তিও পেত, কিন্তু এ মামলা ফয়সালা হয়নি বিএনপির জন্য। দলটি মামলা ঝুলিয়ে রেখেছে। খালেদা জিয়াকে দেখিয়ে যদি কিছু করা যায়।
অক্টোবর সরকার পতন হবে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, অক্টোবরে নাকি পতন হব, কোন অক্টোবর? এই অক্টোবর না আগামী অক্টোবর, না তার পরের বছর অক্টোবর? অক্টোবরে, নভেম্বরে, ডিসেম্বরে কিছুই হবে না। বাংলাদেশের জনগণ বিএনপিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এ দলের আর দরকার নেই। দুর্নীতি দুর্গন্ধ যাদের আছে সেই দল জনগণ চায় না।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান প্রমুখ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া বছরের পর বছর জেলে। একটা আন্দোলনও করতে পারল না ফখরুল। এখন খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন করবে না। আরও কত হুমকি। অক্টোবর তো চলে যাচ্ছে। ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম বুড়িগঙ্গায় ভেসে গেছে। গত ডিসেম্বরের আন্দোলন গোলাপবাগের গরুর হাটের খাদে পড়ে শেষ। আর আন্দোলন আছে?’
আজ মঙ্গলবার আমিন বাজার ট্রাকস্ট্যান্ডে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ফখরুলের গলার আওয়াজ নরম হয়ে গেছে। বেচারা ছুটে ছুটে ঠাকুরগাঁও যায়। সেখানে গিয়ে লোকজন আছে নাকি খোঁজে। লোকজন কেটে পড়বে, লোক আর থাকবে না। মানুষ বুঝে গেছে বিএনপির লাফালাফি-বাড়াবাড়িতে জনগণের কোনো লাভ নেই।
বিএনপি কোনোভাবে ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাকে গিলে খাবে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দলটি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ আবারও দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হাওয়া ভবনের খাওয়ার লুটপাট শুরু হবে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘খেলা হবে। অক্টোবর থেকে শুরু। আগামী মাসে সেমিফাইনাল, জানুয়ারিতে ফাইনাল। বিএনপি এখন ফাউল করছে। ফাউল করলে হলুদ কার্ড, লাল কার্ড। খেলা নিয়ে ফাউল করা চলবে না। খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন করবে না, না করুক। বিএনপির মতো হাঁটুভাঙা ও কোমরভাঙা দল ফাইনাল খেলতে পারবে না।’
সাহসী ক্যাপ্টেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খেলা হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপিওয়ালাদের দম ফুরিয়ে গেছে। ওদের দিয়ে আর আন্দোলনও হবে না, নির্বাচনেও হারবে। এখন ভোট নষ্ট করতে চায়। ভোট বাংলাদেশে হবে। যত ষড়যন্ত্র থাকুক নির্বাচন বাংলাদেশে হবেই। সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ডিসেম্বরে বলেছিল খালেদা জিয়া দেশ চালাবে। ৯ মাস চলে গেছে। এখন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করে। চারটা-পাঁচটা বছর আদালতে হাজিরা দেয় নাই। এত দিন খালেদা জিয়ার মামলার ফয়সালা হয়ে যেত। হয়তো মুক্তিও পেত, কিন্তু এ মামলা ফয়সালা হয়নি বিএনপির জন্য। দলটি মামলা ঝুলিয়ে রেখেছে। খালেদা জিয়াকে দেখিয়ে যদি কিছু করা যায়।
অক্টোবর সরকার পতন হবে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, অক্টোবরে নাকি পতন হব, কোন অক্টোবর? এই অক্টোবর না আগামী অক্টোবর, না তার পরের বছর অক্টোবর? অক্টোবরে, নভেম্বরে, ডিসেম্বরে কিছুই হবে না। বাংলাদেশের জনগণ বিএনপিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এ দলের আর দরকার নেই। দুর্নীতি দুর্গন্ধ যাদের আছে সেই দল জনগণ চায় না।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান প্রমুখ।

বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির ইতিহাসে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্সে ভোট’ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই সম্ভাবনা তুঙ্গে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা চরম নাটকীয়তায় পর্যবসিত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণার অংশ হিসেবে দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি তিনি দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও গাইবান্ধা ভ্রমণ করবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে গেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব আনোয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
কোনো একক দলের নয়, শেষ পর্যন্ত দেশ ও জনগণের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন সম্প্রতি প্রয়াত বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়া। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় এটিই ছিল বক্তাদের কথার অন্যতম মূল সুর। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ শোকসভার আয়োজন করা হয়।
১২ ঘণ্টা আগে